নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলা পার্টি অফিসে ব্লক সভাপতিদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন জেলা তৃণমূলের নেতারা। সেই বৈঠকেই ফের সামনে এল দলের কোন্দল। উঠে এল অসন্তোষের ছবি। অধিকাংশ ব্লক সভাপতিরই অভিযোগের পাহাড় জমেছে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে! অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের মতো কাজ করছেন। ব্লক সভাপতিদের গুরুত্বই দিচ্ছেন না। এলাকায় কোনও কর্মসূচি হলে ব্লক সভাপতিদের জানানোরও প্রয়োজন মনে করছেন না জনপ্রতিনিধিরা।
Advertisement
বৃহস্পতিবার দেশবন্ধু রোডের জেলা পার্টি অফিসের বৈঠকে ছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া, চেয়ারম্যান হংসেশ্বর মাহাত, মহিলা সভানেত্রী সুমিতা সিং মল্ল, সহ সভাপতি জয় বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। মূলত নতুন ভোটার লিস্ট বিলির জন্যই ব্লক সভাপতিদের বৈঠকে ডাকা হয়। তবে, বৈঠকে উপস্থিত ব্লক সভাপতিরা নিজেদের মতামত রাখতে গিয়ে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেখানে ব্লকের নেতাদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয় রেখে কাজ করার কথা বলেন, সেখানে জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের মতোই কাজ করছেন বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, জেলা পরিষদের সদস্যরা ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছেন না বলে জেলা সভাপতিকে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। এনিয়ে জেলা সভাপতি বলেন, এদিন বৈঠক হয়েছে। সবাইকে একসঙ্গে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
দলে সাম্প্রতিক রদবদল নিয়ে যে চর্চা শুরু হয়েছে, সেই প্রসঙ্গও ওঠে বৈঠকে। জেলায় দীর্ঘদিন ধরেই জেলা সভাপতির রদবদলের কথা শোনা যাচ্ছে। জেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতারা এককাট্টা হয়ে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও দিয়েছেন। ফলে, অনেকেই ধরে নিয়েছেন জেলা সভাপতি পরিবর্তন হচ্ছেই। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, এইসব জল্পনার চক্করে পড়ে অনেকেই জেলা সভাপতির নির্দেশ পালন করছেন না। সব মিলিয়ে দলে একটা অচলাবস্থা চলছে। সবাই নিজেদের কথা ভাবছে, দলের কথা কেউই ভাবছে না। প্রশ্ন উঠছে, পরের বছরেই বিধানসভা নির্বাচন। দলের এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করে এখন থেকে যদি নিজেদের ঘর গোছাতে এক হয়ে না নামেন নেতারা, তাহলে এই বিধানসভাতেও একুশের মতো পরিণতি হবে না তো? জেলা সভাপতি বলেন, যেখানে যেখানে ফল খারাপ হয়েছে, ব্লক সভাপতিদের তার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই বুথস্তর থেকে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করব। পাশাপাশি, শীঘ্রই বর্ধিত জেলা কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা হবে।
দলে সাম্প্রতিক রদবদল নিয়ে যে চর্চা শুরু হয়েছে, সেই প্রসঙ্গও ওঠে বৈঠকে। জেলায় দীর্ঘদিন ধরেই জেলা সভাপতির রদবদলের কথা শোনা যাচ্ছে। জেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতারা এককাট্টা হয়ে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিও দিয়েছেন। ফলে, অনেকেই ধরে নিয়েছেন জেলা সভাপতি পরিবর্তন হচ্ছেই। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, এইসব জল্পনার চক্করে পড়ে অনেকেই জেলা সভাপতির নির্দেশ পালন করছেন না। সব মিলিয়ে দলে একটা অচলাবস্থা চলছে। সবাই নিজেদের কথা ভাবছে, দলের কথা কেউই ভাবছে না। প্রশ্ন উঠছে, পরের বছরেই বিধানসভা নির্বাচন। দলের এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করে এখন থেকে যদি নিজেদের ঘর গোছাতে এক হয়ে না নামেন নেতারা, তাহলে এই বিধানসভাতেও একুশের মতো পরিণতি হবে না তো? জেলা সভাপতি বলেন, যেখানে যেখানে ফল খারাপ হয়েছে, ব্লক সভাপতিদের তার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই বুথস্তর থেকে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করব। পাশাপাশি, শীঘ্রই বর্ধিত জেলা কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা হবে।



