সংবাদদাতা, রামপুরহাট: শুক্রবার সকালে রামপুরহাটে ফের পাঁচমাথা মোড় সংলগ্ন ফুটপাত ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ অভিযানে নামে আরপিএফ। তাদের দাবি, উচ্ছেদ করে রেলের সীমানা বরাবর ফেন্সিং দেওয়া হবে। সেই মতো ফেন্সিং সামগ্রী ও প্রচুর ফোর্স নিয়ে হাজির হন রেলকর্তারা। কিন্তু গত দু’দিনের মতো এদিনও ব্যবসায়ীদের প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁদের। ঘটনাস্থলে হাজির হন পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, অনেক আগেই রেল তাদের সীমানা নির্ধারণ করে কোথাও পাঁচিল, কোথাও ফেন্সিং দিয়েছে। তারপরে মহানালা ও পিডব্লুডির রাস্তা। এরপরও যদি রেল পাঁচিলের বাইরে ফেন্সিং দিতে চায়, তাহলে আগে মাপজোক করা হোক। পরে এই নিয়ে রেল কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন চেয়ারম্যান ও ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, খুব শীঘ্রই রেল তার সীমানা মাপজোক করবে।
Advertisement
রামপুরহাট শহরের অর্ধেক জুড়ে রেলের জায়গা। এর আগে স্টেশনের বাইরে থাকা হকারদের উচ্ছেদ করেছে রেল। মাস সাতেক আগে রেলের সীমানা পাঁচিলের গায়ে থাকা দোকানগুলিকে জেসিবি দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা। পরবর্তী সময়ে পাঁচমাথা মোড় সংলগ্ন রেলের সীমানা পাঁচিলের বাইরে মহানালার উপর চৌকি পেতে ত্রিপল টাঙিয়ে মালপত্র নিয়ে যাওয়া আসা করে ব্যবসা করছেন ফুটপাত ব্যবসায়ীরা। গত দু’দিন ধরে সেই ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদে মরিয়া হয়ে উঠেছে আরপিএফ। বারবার তাদের বাধার মুখে পড়ে ফিরতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচুর ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদে নামে আরপিএফ। উদ্দেশ্য, ফুটপাত উচ্ছেদ করে ফেন্সিং দেওয়া। এমনিতেই ওই এলাকার রাস্তা সংকীর্ণ। তারপর ফেন্সিং দিলে মানুষের চলাচলের অসুবিধে হবে। বিশেষ করে পুজো, মহরম ও নবী দিবসে বড় বড় র্যালি এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করে। এতে স্থায়ী সমস্যা হবে বলে অনেকে অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি ফুটপাত ব্যবসায়ীরা বলেন, রাস্তা থেকে নির্দিষ্ট জায়গা ছেড়েই রেল সীমানা পাঁচিল দিয়েছিল। পাঁচিলের বাইরের জায়গা পাবলিকের। তারপরও রেল কী করে ফেন্সিং দিতে পারে!
এদিন সকালে ফেন্সিং সামগ্রী ও প্রচুর ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদে আসেন রেলকর্তারা। প্রথমে ব্যবসায়ী ও পরে এলাকায় হাজির হয়ে বাধা দেন পুরসভার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পুরসভাকে না জানিয়ে রেল সীমানা বরাবর কী করে ফেন্সিং দিতে পারে। তার জন্য মাপজোক করতে হবে। সেক্ষেত্রে রেল ও পুরসভার আমিন থাকবেন। এরপর আইন মেনে নির্দিষ্ট জায়গা ছেড়ে ফেন্সিং বা পাঁচিল দিতে পারবে রেল। রেল কর্তারা জানিয়েছেন, মাপজোকের বিষয়ে পুরসভাকে একটা আবেদন করতে বলা হয়েছে। মাপজোক করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
এদিন সকালে ফেন্সিং সামগ্রী ও প্রচুর ফোর্স নিয়ে উচ্ছেদে আসেন রেলকর্তারা। প্রথমে ব্যবসায়ী ও পরে এলাকায় হাজির হয়ে বাধা দেন পুরসভার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পুরসভাকে না জানিয়ে রেল সীমানা বরাবর কী করে ফেন্সিং দিতে পারে। তার জন্য মাপজোক করতে হবে। সেক্ষেত্রে রেল ও পুরসভার আমিন থাকবেন। এরপর আইন মেনে নির্দিষ্ট জায়গা ছেড়ে ফেন্সিং বা পাঁচিল দিতে পারবে রেল। রেল কর্তারা জানিয়েছেন, মাপজোকের বিষয়ে পুরসভাকে একটা আবেদন করতে বলা হয়েছে। মাপজোক করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।



