সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: প্রাথমিক স্কুলগুলিতে রাজ্য সরকার পোশাক দিলেও তার মাপ ও মান সঠিক না থাকায় বাড়ছে সমস্যা। এমনকি সঠিক সময়ে সরবরাহ হচ্ছে না বলে পড়ুয়াদের সময়ে পোশাক দিতে পারছেন না শিক্ষকরা। রায়গঞ্জ শহরের একাধিক স্কুলে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। সারা বছর ধরে না পেয়ে স্কুলের পুরনো বা বাড়ির পোশাক পরেই স্কুলমুখী হচ্ছে পড়ুয়ারা।
Advertisement
রায়গঞ্জের অশোকপল্লী আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদেরও একই সমস্যা। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্নিগ্ধা সরকার ঘোষ বলেন, বছর শেষ হতে চলল, অথচ ২০২৩ সালের পোশাক পাইনি। ২০২২ সালের পোশাক ২০২৩ এ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া আগে যেসব পোশাক এসেছিল, সেগুলি পড়ার যোগ্য নয়। পোশাকের মাপ ঠিক নেই। স্নিগ্ধার দাবি, স্কুলে এসে পড়ুয়াদের মাপ নিয়ে গিয়েছিল। তারপরও চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য যে পোশাক এসেছিল, তা অত্যন্ত ছোট। পুরসভা ও স্কুল পরিদর্শককে জানানো হয়েছে। সরকার টাকা দিলেও সঠিক সময়ে পোশাক না দিতে পারায় অভিভাবকদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষকে। পোশাক নিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছেন রায়গঞ্জের সরলা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা অঞ্জনা কুণ্ডু ধর। তাঁর মন্তব্য, আমরা এবছর স্কুলের পোশাক পাইনি। তাছাড়া যে পোশাক দেওয়া হয়, তার সেলাই ঠিক থাকে না। অনেক পোশাক নিম্নমানের। লিখিত না জানানো হলেও কয়েকবার মৌখিকভাবে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।
পুরসভা এই পোশাক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মাধ্যমে বানিয়ে শহরের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে বিতরণ করে। কিন্তু সরকারের বরাদ্দ অর্থে কেন মিলছে না সঠিক মাপ ও মানের স্কুলের পোশাক? উপ পুরপ্রশাসক অরিন্দম সরকার বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কম সময়ের প্রশিক্ষণে এই পোশাক বানানোর কাজ করেন। তাই কিছুক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জেলা স্কুল পরিদর্শক দুলাল সরকারের দাবি, পুরসভার সঙ্গে কথা হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাক দেওয়া হবে।
পুরসভা এই পোশাক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের মাধ্যমে বানিয়ে শহরের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে বিতরণ করে। কিন্তু সরকারের বরাদ্দ অর্থে কেন মিলছে না সঠিক মাপ ও মানের স্কুলের পোশাক? উপ পুরপ্রশাসক অরিন্দম সরকার বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কম সময়ের প্রশিক্ষণে এই পোশাক বানানোর কাজ করেন। তাই কিছুক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জেলা স্কুল পরিদর্শক দুলাল সরকারের দাবি, পুরসভার সঙ্গে কথা হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাক দেওয়া হবে।



