নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সিমলাপালে মেস বাড়ি থেকে প্রাথমিক শিক্ষকের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক(৩৬)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিমলাপাল থানার লক্ষ্মীসাগর এলাকার মেস থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাড়ি কোতুলপুর থানার রায়বাঘিনি গ্রামে। তিনি লক্ষ্মীসাগর অঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। সিমলাপাল থানার এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই আমাদের অনুমান। আমরা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছি। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।
Advertisement
এদিন মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে মৃতের দাদা উত্তম মল্লিক বলেন, ভাই সিমলাপাল ব্লকের কুমারশোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিল। বাড়ি থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা সম্ভব হতো না। সেই কারণে ও অন্যান্য কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে লক্ষ্মীসাগরের মেসে থাকত। মঙ্গলবার শরীর ভালো নেই জানিয়ে ভাই স্কুলে যায়নি। বাকিরা যে যার স্কুলে চলে যান। তাঁরা মেসে ফিরে ভাইকে ঘরের মধ্যে মৃত অবস্থায় দেখেন। তাঁরাই থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে আমরা সিমলাপালে যাই। পুলিস ভাইকে উদ্ধার করে সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আমরা আলাদা করে থানায় কোনও অভিযোগ জানাইনি।
তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশাপাশি বাড়িতে মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী, ছয় ও তিন বছরের দুই শিশু পুত্র রয়েছে। কিছুদিন আগে ভাই স্ত্রী ও ছেলেদের নিয়ে একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিল। বাড়িতে তেমন কোনও অশান্তিও ছিল না। কোনও কারণে ভাই হয়তো মানসিক অবসাদে ভুগছিল। মাত্র ২৪ বছর বয়সে স্বামীকে হারিয়ে ভাইয়ের স্ত্রী শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে।
হীড়বাঁধে বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার: মঙ্গলবার রাতে হীড়বাঁধ থানার পুলিস জঙ্গল থেকে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কানাই বাউরি(৬০)। তাঁর বাড়ি হীড়বাঁধ থানার মসানঝাড় গ্রামে। মৃতের ভাই বলাই বাউরি বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যার পরেও দাদা বাড়ি না ফেরায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। রাতে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের একটি গাছে গ্রামের বাসিন্দারা দাদাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। হীড়বাঁধ থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যালের মর্গে পাঠায়।
তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশাপাশি বাড়িতে মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী, ছয় ও তিন বছরের দুই শিশু পুত্র রয়েছে। কিছুদিন আগে ভাই স্ত্রী ও ছেলেদের নিয়ে একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিল। বাড়িতে তেমন কোনও অশান্তিও ছিল না। কোনও কারণে ভাই হয়তো মানসিক অবসাদে ভুগছিল। মাত্র ২৪ বছর বয়সে স্বামীকে হারিয়ে ভাইয়ের স্ত্রী শোকে পাথর হয়ে গিয়েছে।
হীড়বাঁধে বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার: মঙ্গলবার রাতে হীড়বাঁধ থানার পুলিস জঙ্গল থেকে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কানাই বাউরি(৬০)। তাঁর বাড়ি হীড়বাঁধ থানার মসানঝাড় গ্রামে। মৃতের ভাই বলাই বাউরি বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যার পরেও দাদা বাড়ি না ফেরায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। রাতে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের একটি গাছে গ্রামের বাসিন্দারা দাদাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। হীড়বাঁধ থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যালের মর্গে পাঠায়।



