সংবাদদাতা, ইসলামপুর: এবার সিমকার্ড জালিয়াতিতে ইসলামপুর থেকে ধৃত দুই যুবক। ট্যাব কাণ্ডের পর বাংলার বাড়ির টাকা গায়েব কাণ্ড, তারপর সিমকার্ড জালিয়াতি মামলাতেও ইসলামপুরের নাম যুক্ত হল। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই এলাকায় সিমকার্ড জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুলিস মহলে। সোমবার রাতে ইসলামপুর সাইবার থানার পুলিস দাড়িভিট ও কাশিবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ১৫টি সিমকার্ড উদ্ধার হয়েছে। এধরনের সিমকার্ড ব্যবহার করেই স্টক মার্কেট ফ্রড, পার্চেস স্ক্যাম ও ডিজিটাল অ্যারেস্টের মতো প্রতারণা করা হয় বলে অজিভযোগ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল দাড়িভিটের গোপাল কুমার সরকার ও কাশিবাড়ির সারজুল হক। মঙ্গলবার ধৃতদের ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
Advertisement
আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেন, ইসলামপুরের ২৯টি জায়গায় ফেক সিমকার্ড তৈরি হচ্ছে বলে কলকাতা সাইবার ক্রাইম থেকে একটি মেসেজ দিয়েছিল ইসলামপুর সাইবার থানায়। এরপর পুলিস একটি কেস রেজিস্টার করে তদন্ত শুরু করে। আপাতত ফেক সিমকার্ড মামলায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ১৫টি সিমকার্ড উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের এদিন আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃতদের সিমকার্ড ও মোবাইল সরঞ্জাম বিক্রির দোকান আছে। যিনি সিমকার্ড ক্রয় করেন তাঁর ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে ওই সিমকার্ডটি অ্যাকটিভ করতে হয়। এক্ষেত্রে ধৃতরা দু’টি ফিঙ্গার প্রিন্ট নিত। অপর ফিঙ্গার প্রিন্ট ও অন্য কোনও ছবি দিয়ে আর একটি সিমকার্ড অ্যাক্টিভ করে নিত। এক্ষেত্রে যার ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার করা হল তিনি জানতেও পারেন না তাঁর নামে আরও একটি সিম চালু আছে। এই ধরনের সিমকার্ড ধৃতরা ব্যবহার করে নিজেরাই ক্রাইম সংগঠিত করত নাকি অন্য কোনও প্রতারণা চক্রের কাছে মোটা টাকায় বিক্রি করত এ প্রসঙ্গে ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, এবিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। আরও কিছু জায়গা নজরে রাখা হয়েছে।
বিহার সীমানা ও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ইসলামপুর পুলিস জেলার নাম ট্যাব কাণ্ডে জড়িয়েছিল। এরপর বাংলা আবাস যোজনার টাকা গায়েবের মতো ঘটনাও ঘটেছে। পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে বন্দি পালানোর ঘটনাও ঘটেছে। বন্দি পালানোর ঘটনায় এক বাংলাদেশির যোগ ছিল। এবার সিমকার্ডেও জালিয়াতি সামনে এসেছে। ওয়াকিবহাল মহেলর মতে, দুষ্কৃতীরা অপরাধ সংগঠিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বেনামি সিম তোলে। একাংশ দোকানদার কাগজপত্র, ফিঙ্গর প্রিন্ট ছাড়াই বেশি দামে সিমকার্ড বিক্রি করে। এর ফলে দুষ্কৃতীদের ধরতে বেকায়দায় পড়তে হয় পুলিসকে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃতদের সিমকার্ড ও মোবাইল সরঞ্জাম বিক্রির দোকান আছে। যিনি সিমকার্ড ক্রয় করেন তাঁর ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে ওই সিমকার্ডটি অ্যাকটিভ করতে হয়। এক্ষেত্রে ধৃতরা দু’টি ফিঙ্গার প্রিন্ট নিত। অপর ফিঙ্গার প্রিন্ট ও অন্য কোনও ছবি দিয়ে আর একটি সিমকার্ড অ্যাক্টিভ করে নিত। এক্ষেত্রে যার ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার করা হল তিনি জানতেও পারেন না তাঁর নামে আরও একটি সিম চালু আছে। এই ধরনের সিমকার্ড ধৃতরা ব্যবহার করে নিজেরাই ক্রাইম সংগঠিত করত নাকি অন্য কোনও প্রতারণা চক্রের কাছে মোটা টাকায় বিক্রি করত এ প্রসঙ্গে ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, এবিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। আরও কিছু জায়গা নজরে রাখা হয়েছে।
বিহার সীমানা ও বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ইসলামপুর পুলিস জেলার নাম ট্যাব কাণ্ডে জড়িয়েছিল। এরপর বাংলা আবাস যোজনার টাকা গায়েবের মতো ঘটনাও ঘটেছে। পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে বন্দি পালানোর ঘটনাও ঘটেছে। বন্দি পালানোর ঘটনায় এক বাংলাদেশির যোগ ছিল। এবার সিমকার্ডেও জালিয়াতি সামনে এসেছে। ওয়াকিবহাল মহেলর মতে, দুষ্কৃতীরা অপরাধ সংগঠিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বেনামি সিম তোলে। একাংশ দোকানদার কাগজপত্র, ফিঙ্গর প্রিন্ট ছাড়াই বেশি দামে সিমকার্ড বিক্রি করে। এর ফলে দুষ্কৃতীদের ধরতে বেকায়দায় পড়তে হয় পুলিসকে।



