Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সমব্যথী প্রকল্পের ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ন’মাস নেই কোষাগারে, প্রধানকে নোটিস

সমব্যথী প্রকল্পের ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ন’মাস নেই কোষাগারে, প্রধানকে নোটিস
  • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ইটাহার: সরকারি প্রকল্পের লক্ষাধিক টাকা মাসের পর মাস পঞ্চায়েতের কোষাগারে ছিল না কেন? ব্যাখ্যা চেয়ে ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে নোটিস দিল ইটাহার ব্লক প্রশাসন। তার চার দিন পরেও প্রধান উত্তর দেননি বলে দাবি বিডিওর। সময়মতো জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিলকিস পারভিন। সম্প্রতি ইটাহারের বিডিও দিব্যেন্দু সরকার ও বিলকিসের মধ্যে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে অচলাবস্থা তৈরি হয় পঞ্চায়েত দপ্তরে। গত ৬ ডিসেম্বর ইটাহার পঞ্চায়েত দপ্তরে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিডিও। বিভিন্ন নথি যাচাই করতে গিয়ে তিনি দেখেন সমব্যথী প্রকল্পের ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা প্রায় ৯ মাস ধরে দপ্তরের কোষাগারে নেই। তবে বিডিওর পরিদর্শনের ৭ দিনের মাথায় আবার সেই টাকা দপ্তরের কোষাগারে জমা পড়ে। ব্লক প্রশাসনের অভিযোগ, পঞ্চায়েত আইন আনুযায়ী প্রধান নিজের কাছে ২ হাজারের বেশি সরকারি টাকা রাখতে পারেন না। তাহলে এতদিন ধরে সরকারি প্রকল্পের টাকা কেন দপ্তরের কোষাগারে ছিল না। বিডিও বলেন, পঞ্চায়েতে পরিদর্শনে গিয়ে এই বিষটি নজরে এসেছিল। প্রধানকে নোটিস করা হয়েছে। কিন্তু এখনও লিখিত উত্তর দেননি তিনি। প্রশাসন সূত্রে খবর, গত ২০ মার্চ ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে সমব্যথী প্রকল্পে ২ হাজার টাকা প্রদানের শিবির করা হয়। গত বছরের প্রায় ৪০০ জন উপভোক্তাকে প্রকল্পের টাকা দেওয়ার জন্য ৮ লক্ষ টাকা তোলা হয় দপ্তরের কোষাগার থেকে। কিন্তু সেই সময় ৩৪৫ জনকে ৬ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা নগদ দেওয়া হয়। বাকি ৫৫ জন উপভোক্তার ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেঁচে গিয়েছিল। প্রধানের দাবি, অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্যদের উপস্থিতিতে জেনারেল মিটিংয়ের পর নিয়মমাফিক রেজুলেশন করে সেই টাকা দপ্তরে নগদ রাখা হয়। কারণ বাকি ৫৫ জন উপভোক্তাকেও পরিষেবা দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল। প্রধান বলেন, উপযুক্ত নথি সমেত ব্লক প্রশাসনের নোটিসের জবাব দেব।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ