নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: তাপমাত্রার তেমন হেরফের না হলেও বছর শেষের কয়েকদিন গৌড়বঙ্গের জেলাগুলিতে দাপট থাকবে ঘন কুয়াশার। আগামী সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত ভোরের দিকে উত্তর দিনাজপুর, মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ৫০ থেকে ২০০ মিটার দূরত্বের দৃশ্যমানতা বেশ প্রভাবিত হতে পারে। শনিবার সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে এমনই পূর্বাভাস মিলেছে। মূলত পশ্চিমীঝঞ্ঝার কারণেই জেলাগুলির পরিবেশের উপর এমন প্রভাব পড়তে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।
Advertisement
গত কয়েকদিনের মতো গৌড়বঙ্গের আবহাওয়ায় তেমন কোনও পরিবর্তন লক্ষিত হয়নি। তবে দুই দিনাজপুর ও মালদহ জেলার মধ্যে দিনের বেলা তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি উত্তর দিনাজপুর জেলায়। গরমের জন্য পাতলা পোশাকেই দিনেরবেলা কাটছে অনেকের। আবহাওয়া দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর দিনাজপুর তথা রায়গঞ্জের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ছিল ১২.৭ ডিগ্রি। যা বাকি দুই জেলার তুলনায় কিছুটা কম। মালদহের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ১৪.৮ ডিগ্রি। অন্যদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর তথা বালুরঘাটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করেছে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সর্বনিম্ন ছিল ১৩.৫।
সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, পশ্চিমীঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে সিকিম সহ সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে। যার জেরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই বৃষ্টিপাতের দিনকয়েক পর ঘন কুয়াশার দাপট দেখা যাবে দুই দিনাজপুর ও মালদহ জেলায়। আগামী সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত সকালের দিকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে জেলাগুলির বিস্তীর্ণ এলাকা। তবে আপাতত দিনের তাপমাত্রার পারদ কবে নিম্নমুখী হবে, তা নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, পশ্চিমীঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে সিকিম সহ সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে। যার জেরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই বৃষ্টিপাতের দিনকয়েক পর ঘন কুয়াশার দাপট দেখা যাবে দুই দিনাজপুর ও মালদহ জেলায়। আগামী সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত সকালের দিকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে জেলাগুলির বিস্তীর্ণ এলাকা। তবে আপাতত দিনের তাপমাত্রার পারদ কবে নিম্নমুখী হবে, তা নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।



