সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলায় বর্তমানে ১০টি চা বাগান বন্ধ। এই বন্ধ বাগানগুলির মধ্যে কোনওটি দুই, আবার কোনওটি দেড় বছর ধরে বন্ধ। দু’একদিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর শুরু হওয়ার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের আগে সোমবারের মধ্যেই অন্তত চারটি বন্ধ চা বাগান খুলতে শ্রমদপ্তর মরিয়া হয়ে উঠেছে। শ্রমদপ্তর সূত্রে সেই ইঙ্গিতই মিলেছে। শাসক দল তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনও আশাবাদী বন্ধ চা বাগানগুলি খোলা নিয়ে।
Advertisement
শ্রমদপ্তরের বীরপাড়া সার্কেলের সহকারী শ্রম কমিশনার অমিত দাস বলেন, নির্দিষ্ট করে কোনও বন্ধ বাগানের নাম এখনই বলা যাবে না। তবে আমরা চেষ্টা করছি সোমবারের মধ্যেই চারটি বন্ধ বাগান খুলে দেওয়ার। সেই মতো আলাপ আলোচনা চলছে।
জেলায় বর্তমানে বন্ধ মাদারিহাট ব্লকের চারটি চা বাগান হল ঢেকলাপাড়া, রামঝোরা, লঙ্কাপাড়া ও দলমোড়। অন্যদিকে, কালচিনি ব্লকে বন্ধ কালচিনি, রায়মাটাং, তোর্সা, দলসিংপাড়া, মহুয়া ও মেচপাড়া। তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, আমরা আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরের আগে চারটি বন্ধ চা বাগান খুলে যাবে। শ্রমদপ্তর সেই চেষ্টা করছে।
জেলার এই ১০টি বন্ধ বাগানের মধ্যে সদ্য বন্ধ হয়েছে মেচপাড়া বাগান। ১০টি বন্ধ বাগানে শ্রমিক সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি। দীর্ঘদিন ধরে বাগানগুলি বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক শ্রমিক কাজ করতে ভিনরাজ্যেও চলে গিয়েছেন। শ্রমদপ্তর সূত্রে খবর, সোমবার খুলতে পারে তোর্সা, রায়মাটাং কালচিনি ও দলসিংপাড়া। এরমধ্যে তোর্সা চা বাগানের দায়িত্ব নিতে চলেছে মাঝেরডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষ। বন্ধ মহুয়া চা বাগানটিও খোলার চেষ্টা জারি রেখেছে শ্রমদপ্তর। তবে বিরোধীদের কটাক্ষ, আসলে মুখ্যমন্ত্রী আসছেন। তাই নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে শ্রমদপ্তর ও শাসক দলের শ্রমিক সংগঠন তড়িঘড়ি বন্ধ বাগান খুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
জেলায় বর্তমানে বন্ধ মাদারিহাট ব্লকের চারটি চা বাগান হল ঢেকলাপাড়া, রামঝোরা, লঙ্কাপাড়া ও দলমোড়। অন্যদিকে, কালচিনি ব্লকে বন্ধ কালচিনি, রায়মাটাং, তোর্সা, দলসিংপাড়া, মহুয়া ও মেচপাড়া। তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান নকুল সোনার বলেন, আমরা আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরের আগে চারটি বন্ধ চা বাগান খুলে যাবে। শ্রমদপ্তর সেই চেষ্টা করছে।
জেলার এই ১০টি বন্ধ বাগানের মধ্যে সদ্য বন্ধ হয়েছে মেচপাড়া বাগান। ১০টি বন্ধ বাগানে শ্রমিক সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি। দীর্ঘদিন ধরে বাগানগুলি বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক শ্রমিক কাজ করতে ভিনরাজ্যেও চলে গিয়েছেন। শ্রমদপ্তর সূত্রে খবর, সোমবার খুলতে পারে তোর্সা, রায়মাটাং কালচিনি ও দলসিংপাড়া। এরমধ্যে তোর্সা চা বাগানের দায়িত্ব নিতে চলেছে মাঝেরডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষ। বন্ধ মহুয়া চা বাগানটিও খোলার চেষ্টা জারি রেখেছে শ্রমদপ্তর। তবে বিরোধীদের কটাক্ষ, আসলে মুখ্যমন্ত্রী আসছেন। তাই নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে শ্রমদপ্তর ও শাসক দলের শ্রমিক সংগঠন তড়িঘড়ি বন্ধ বাগান খুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।



