স্ত্রী নেক্সট নন্দিনীর গ্র্যান্ড ফিনালের আসর
স্ত্রী নেক্সট নন্দিনীর গ্র্যান্ড ফিনালের আসর
শহরের বুকে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফ্যাশন জগতের বহু প্রতীক্ষিত ইভেন্ট ‘স্ত্রী নেক্সট নন্দিনী’। আয়োজনে ফিভার এফএম ও রেডিও নাশা। অ্যাসোসিয়েট স্পনসরের দায়িত্বে ছিল ‘বর্তমান’। সহযোগিতায় স্বভূমি এন্টারটেইনমেন্ট ও উড়ান। গত ৫ নভেম্বর বর্ণাঢ্য এই গ্ল্যাম হান্টের গ্র্যান্ড ফিনালের আসর বসেছিল স্বভূমি রঙ্গমঞ্চে। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করেন তিনশোরও বেশি প্রতিযোগী। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে সুযোগ পান ৬০ জন। এই ৬০ জনকে নিয়ে ফ্লোটেলে বসেছিল আরেক বাছাই পর্ব। সেখান থেকে গ্র্যান্ড ফিনালেতে সুযোগ পান ২২ জন প্রতিযোগী। বিচারকের আসনে ছিলেন অভিনেত্রী নুসরত, মন্দিরা বেদি, চিকিৎসক রুপালি বসু প্রমুখ। নাচ-গানে জমজমাট এই সন্ধেয় স্বভূমিতে বসেছিল চাঁদের হাট। টলিউডের পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী সহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান আলাদা মাত্রা পায়। ফ্যাশনের নানা খাতে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রেখে বিজয়ীর শিরোপা পেলেন পূবালি চৌধুরী। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন প্রিয়াঙ্কা সাউ। তৃতীয় হয়েছেন আলকারিয়া হাসমি। তাঁরা যথাক্রমে ৫০,০০০ টাকা, ৩০,০০০ টাকা ও ২০,০০০ টাকা পুরস্কার পেয়েছেন। বাড়তি পাওনা হিসেবে বিজয়ী পূবালি পাবেন ‘চতুষ্পর্ণী’-র ফ্যাশন পাতায় ‘কভার গার্ল’ হওয়ার সুযোগও। তিন সুন্দরীকে বেছে নেওয়া ছাড়াও সেরা হাসি, সেরা ব্যক্তিত্ব, সেরা চুল এমন নানা বিভাগে বিজয়ীদেরও বেছে নিয়েছেন বিচারকরা। সেরাতের স্বভূমি যেন সেজে উঠেছিল সৌন্দর্য, আলো আর উদ্যাপনের দ্যুতিতে।
টিটিকে প্রেস্টিজ-এর কম্প্যাক্ট ব্লেন্ডার
টিটিকে প্রেস্টিজ বাজারে আনল নিউট্রিম্যাট ৪০০ ডব্লু কম্প্যাক্ট ব্লেন্ডার। সংস্থার দাবি, আধুনিক পরিবারের রান্না সংক্রান্ত চাহিদা পূরণ করবে এই ব্লেন্ডার। স্টাইল, বহুমুখী কার্যকারিতা এবং পারফরম্যান্সের নিখুঁত মিশ্রণ পাবেন এখানে। স্মুদি হোক বা শেক অথবা সুস্বাদু চাটনি সবই তৈরি হবে একনিমেষে। একইসঙ্গে শুকনো মশলা গুঁড়ো করা বা বেটে নেওয়াও সহজ হবে এর সাহায্যে। এতে রয়েছে ৪০০ ডব্লু মোটর, ফলে মসৃণভাবে বাটা বা গুঁড়ো করা সহজে ও কম সময়ে সম্ভব। এছাড়া ব্লেন্ডারের কম্প্যাক্ট ডিজাইন কাউন্টার স্পেস বাঁচায়। যন্ত্রটিতে দু’টি জার রয়েছে, যা বিভিন্নভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। একটি ৬০০ মিলি লম্বা এবং অন্যটি ৪০০ মিলি মাঝারি জার। এর ডুয়াল ব্লেড সিস্টেম ব্লেন্ডিং এবং গ্রাইন্ডিংয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। তিনটি কার্যকরী ঢাকনা থাকায় মেশিন চলতে চলতেও সিপার লিড লাগিয়ে স্মুদি খেতে পারবেন। গুঁড়ো সহজে ছড়ানোর জন্য একটি স্প্রিঙ্কল লিডও রয়েছে। এছাড়া আছে স্টোরেজ লিড। প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এই ব্লেন্ডার।
পথের সাথি ই স্কুটার
জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এদিকে গন্তব্যে যাওয়ার তাড়া, যানবাহন পরিষেবা কিছুটা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিত্য গাড়ির খরচ বাঁচানো ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রেই ই স্কুটার অন্যতম সেরা পছন্দ হয়ে উঠছে নবীন ও প্রবীণ দুই প্রজন্মের কাছেই। কলেজ যাওয়া থেকে অফিস, টুকটাক স্কুটি রাইড থেকে দিনের কিছু কাজ সামলানো, তাঁরা ভরসা করছেন ইলেকট্রিক স্কুটারে। পেট্রল-ডিজেলের খরচ বাঁচছে কিন্তু খুব বেশি গতির যান না হওয়ায় ‘রেকলেস’ হওয়ার ভয়ও নেই। বাস-ট্রেন-মেট্রোর জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। ট্যাক্সি বা অ্যাপ ক্যাবের দাদাগিরি সহ্য করারও প্রয়োজন পড়ছে না। লাইসেন্স লাগে না। পিছিয়ে নেই বয়স্করাও। নানা সুবিধার জন্য তাঁরাও ভরসা করছেন ই স্কুটারের উপর। ইস্কুটার ওজনেও হালকা। তাই ভারী গাড়ি বহন করার অসুবিধা, তা রক্ষণাবেক্ষণ করার বাড়তি খরচ সবই সাশ্রয় হচ্ছে। কিন্তু ভারতের রাস্তায় এমন স্কুটার কেনার আগে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। চটজলদি দেখে নিন সেসব।
চার্জ: মডেলের চেয়েও আগে ভাবুন চার্জ দেওয়ার কথা। ই ভেহিকল চার্জ দিতে খুব বেশি খরচ পড়ে না, তা ঠিক। কিন্তু বাড়ির ধারেকাছে চার্জ দেওয়ার সেন্টার আছে কি? যদি তেমন না থাকে তাহলে রিমুভাল ব্যাটারিচালিত স্কুটার নিতে হবে। এতে চার্জ দেওয়ার জন্য স্কুটির ব্যাটারি খুলে নেওয়া যায়। বাজারে এমন বেশ কিছু মডেল রয়েছে।
গঠন: গাড়িকে যত হালকা ওজনের করা যায়, ততই তা বিকোয় ভালো। তাই স্কুটির গঠনে প্রচুর প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। তবে নিজের সুরক্ষার দিক খেয়াল রাখুন। প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি এমন স্কুটি সস্তায় পেলেও মেটাল বিল্ড স্কুটির খোঁজ করুন। এতে নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করতে হবে না।
মোটর: মোটরের দীর্ঘমেয়াদ চাইলে হাব মোটরের মডেল না কিনে মিড ড্রাইভ মোটরের খোঁজ করুন। ১ লক্ষ টাকার বেশি বাজেট হলে এই মোটরই ব্যবহারের জন্য শ্রেয়।
ব্যাটারি: ই স্কুটির সবচেয়ে দরকারি ক্ষেত্র তার ব্যাটারি। যদি আপনার গড় ব্যবহার ৩০ কিমি হয়, তাহলে একবার চার্জ দিয়ে মোটামুটি ১০০ কিমি চলতে পারে এমন স্কুটি নিন। তবে রোজ যদি ৮০-৯০ কিমি স্কুটিকে ছুটতে হয়, তাহলে তিন কিলোওয়াটের বেশি ব্যাটারি দেওয়া স্কুটি নিন। প্রয়োজন আরও বেশি পড়লে চার কিলো ওয়াট ব্যাটারির কথা ভাবুন।
সার্ভিস: আপনার এলাকায় নির্দিষ্ট সংস্থার সার্ভিস সেন্টার আছে কি না জেনে নিন কেনার আগে।
খরচ কেমন
সাধারণত ৩৫-৩৬ হাজার থেকেই দাম শুরু। টেকসই মডেল চাইলে ৫০-৬০ হাজার টাকা পড়বে। মেটাল বিল্ড হলে ১ লক্ষ টাকার উপরে বাজেট রাখুন।