রসনাতৃপ্তির নতুন ঠিকানা
রসনাতৃপ্তির নতুন ঠিকানা
‘চৌধুরি অ্যান্ড কোম্পানি’— বাঙালির রসনাতৃপ্তির নতুন ঠিকানা। নেপথ্যে দুই ভাই শিলাদিত্য এবং দেবাদিত্য চৌধুরী। ‘আউধ ১৫৯০ এবং চ্যাপ্টার টু’-এর পর চৌধুরী ভাইদের নতুন এই উদ্যোগের সূচনা হল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে। যাদের মূল মন্ত্র ‘একালের রান্নায় সেকালের স্বাদ’। ‘চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানির মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা বাংলার ঐতিহ্য সংরক্ষণ করছি। বাঙালির যে পাইস হোটেলগুলি রয়েছে সেগুলো একরকম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। আমরা কীভাবে খাবার খাই, সেখান থেকে অনেকটা জানা যায়। সেই পাইস হোটেলকে সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ। বাঙালির হারিয়ে যাওয়া বেশ কিছু রেসিপি আমরা এখানে রাখছি। কিন্তু সেগুলোকে বর্তমানে জীবনযাপনের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। মায়ের হাতের রান্না খেয়ে আমরা বড় হয়েছি। সেই স্বাদ আজও স্মৃতিতে তাজা’, বললেন শিলাদিত্য এবং দেবাদিত্য। ডাব শরবত, তেঁতুলের শরবত, মোচার মালাই চপ, ফাউল কটেলেট, মটন মোগলাই পরোটা, গলদা চিংড়ির চিনে কাবাব, চিংড়ির মালাইকারি, গন্ধরাজ কাঁকড়া, ডাব চিংড়ির মতো নানা পদ থাকবে এই রেস্তরাঁয়। লুচি, কড়াইশুঁটির কচুরি, বাসন্তী পোলাওয়ের মতো পদ নস্টালজিক করে তুলবে বাঙালিকে। কালীঘাটের পটচিত্র, খড়খড়ি দেওয়া জানলা দিয়ে এই রেস্তরাঁ সাজিয়েছেন স্থপতি সঞ্জীব সাহা। ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক রায় এখানকার কর্মীদের জন্য পোশাক ডিজাইন করেছেন। দেশপ্রিয় পার্কের এই রেস্তরাঁয় দু’জনের খাওয়ার খরচ পড়বে জিএসটি ছাড়া ন্যূনতম ১২০০ টাকা। ছবি: ভাস্কর মুখোপাধ্যায়
ফরচুনের নতুন মুখ
ভোজ্য তেল ব্র্যান্ড ফরচুন পশ্চিমবঙ্গে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে একটি টিভি বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে। তাতে একইসঙ্গে দেখা যাবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও আবির চট্টোপাধ্যায়কে। খাবারের প্রতি ভালোবাসা ও আবেগ মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক মজাদার গল্প। গল্পে দেখা যাবে সৌরভ ও আবিরকে ‘ফুড পুলিশ’-এর চরিত্রে। যাঁরা খুঁজে বের করছেন নিখুঁত বাঙালি খাবারের রহস্য। তাঁদের তদন্তের শেষে আবিষ্কৃত হচ্ছে খাবারে স্বাদ অটুট রাখতে আসল জুটি, ফরচুন সর্ষের তেল ও সয়াবিন তেল। এ প্রসঙ্গে এডব্লিউএল অ্যাগ্রি বিজনেস লিমিটেডের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট মুকেশ মিশ্র বলেন, ‘ভোজন বাহিনী’-র মাধ্যমে আমরা বাংলার মানুষের খাদ্যপ্রেম উদযাপন করছি। সবাইকে মনে করাতে চাই যে ভালো স্বাদ আসে ভালো উপকরণ থেকে।
একক প্রদর্শনী
ভিস্যুয়াল আর্টিস্ট নাতাশা দত্ত রায়ের একক প্রদর্শনী ‘সিলভান রেভেরি’ সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস-এর সাউথ গ্যালারিতে উপভোগ করেন শিল্পমনস্ক দর্শক। শিল্পী গীতা ভট্টাচার্য, অরুণিমা চৌধুরী, শ্রাবণী গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক দত্ত এই প্রদর্শনীর সূচনা করেন। ‘প্রকৃতির সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার একটা মাধ্যম হল এই প্রদর্শনী। প্রতিটা ছবিতেই জঙ্গলের নৈঃশব্দ্য ধরা হয়েছে’, বলেন নাতাশা। নাতাশার ছোটবেলা কেটেছে উত্তরবঙ্গে। তাঁর আঁকায় জঙ্গল, পাহাড়ের হাতছানি। গাছ যেন তুলির আঁচড়ে বেঁচে থাকার বার্তা পাঠায়।