Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

টুকরো খবর

কিংবদন্তি সঙ্গীতস্রষ্টা সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষে আয়োজিত হচ্ছে চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনাসভা— ‘জীবন উজ্জীবন’।

টুকরো  খবর
  • ২৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষে প্রদর্শনী

Advertisement

কিংবদন্তি সঙ্গীতস্রষ্টা সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষে আয়োজিত হচ্ছে চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনাসভা— ‘জীবন উজ্জীবন’। আনন্দপুর সলিল চৌধুরী জন্মশতবর্ষ কমিটির উদ্যোগে কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটিতে আগামী ২ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল, চারদিনব্যাপী প্রদর্শনী হবে। উদ্বোধন করবেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ পবিত্র সরকার। 
থাকবেন শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, স্বপন বসু, দূর্বাদল চট্টোপাধ্যায়, রাহুল চট্টোপাধ্যায়, কঙ্কণ ভট্টাচার্য, জ্যোতিশঙ্কর রায়, দেবশঙ্কর রায়, সুধাংশু দে, প্রিয়দর্শী চক্রবর্তী, মানসী মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও কমিটির সদস্য গৌতম ঘোষ, হৈমন্তী শুক্লা, ইন্দ্রাণী সেন, কল্যাণ সেন বরাট, অধ্যাপক গৌতম ঘোষ, শুভ দাশগুপ্ত, মনোময় ভট্টাচার্য, সৈকত মিত্র, বুদ্ধদেব গাঙ্গুলী, অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, রকেট মণ্ডল, সঞ্জয় চৌধুরী, কাজী কামাল নাসের, স্বপন সোম, অর্ণা শীল, শাজি চেন, শ্রীকান্ত আচার্য এবং কিংবদন্তি শিল্পীর কন্যা অন্তরা চৌধুরী থাকবেন। সঞ্চালনার দায়িত্বে মধুমিতা বসু। প্রদর্শনীতে রাখা হবে সলিল চৌধুরীর হাতে লেখা গান ও পাণ্ডুলিপি এবং বিরল কিছু আলোকচিত্র। দেখা যাবে শিল্পীর পাওয়া বিভিন্ন পুরস্কার, স্বহস্তে আঁকা ছবি, তাঁর ব্যবহার করা নানা বাদ্যযন্ত্র, বিভিন্ন চলচ্চিত্রের রেকর্ড, রেকর্ড কভার, বুকলেট এবং পোস্টার। পাশাপাশি প্রতিদিন চলবে আলোচনাও।

 

এশিয়াটিক সোসাইটির প্রদর্শনীতে নাগাল্যান্ডের সংস্কৃতি

নাগাল্যান্ডের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শিল্পের সঙ্গে শহরবাসীকে পরিচয় করাল বেসরকারি সংস্থা কনট্যাক্ট বেস। সহযোগিতায় ছিল জার্মান কনস্যুলেট জেনারেল, কলকাতা ও এশিয়াটিক সোসাইটি। সম্প্রতি নাগাল্যান্ডের 
সাংস্কৃতিক চর্চার উপর এক অভিনব সিম্পোজিয়াম ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল তারা। পাঁচটি নাগা সম্প্রদায়— কোনিয়াক, চাকেসাং, অঙ্গামি, আও এবং কুকিদের ঐতিহ্য, জীবনধারা, কারুশিল্প, টেক্সটাইল, পরিবেশন শিল্প, রন্ধনপ্রণালী ইত্যাদি ঠাঁই পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। গত ২০ মার্চ, এশিয়াটিক সোসাইটিতে এই সিম্পোজিয়াম ও প্রদর্শনী উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ডেপুটি জার্মান কনসাল জেনারেল আন্দ্রিয়া জেসকে, এশিয়াটিক সোসাইটি কলকাতার লাইব্রেরিয়ান ডাঃ প্রীতম গুড়ে, কোহিমার বিশপ ডঃ জেমস থপ্পিল প্রমুখ। নাগা কারিগরদের নিজস্ব দক্ষতায় গাছের ছাল, কাণ্ড, মূল, বাঁশ এবং বেতের মতো প্রাকৃতিক তন্তু উপকরণ দিয়ে সমসাময়িক ডিজাইনার উপাদানও ঠাঁই পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। ডিজিটালি গল্প বলার মাধ্যমে, জ্যামিতিক নানা বিন্যাস ও এআই-এর সহযোগিতা নিয়ে নাগা-সংস্কৃতির ঐতিহ্য দর্শকের সামনে তুলে ধরা হয়। এছাড়া একটি ওয়েবসাইট ও নাগাল্যান্ড ভ্রমণে সহায়ক একটি অ্যাপও উদ্বোধিত হয়।

নতুন ২ আইসক্রিম আনল কোয়ালিটি
গরমের দিন মানেই এবার কদর বাড়বে আইসক্রিমের। আমজনতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাই ভারতীয় বাজারে নতুন দু’টি স্টিক আইসক্রিম আনল কোয়ালিটি ওয়াল’স। টুইস্টার ম্যাঙ্গো ও টুইস্টার পাইনঅ্যাপেল এই দুই নামে নতুন আইসক্রিম বাজারে মিলবে। দুই আইসক্রিমেই পাবেন তিনটি স্তর। টুইস্টার ম্যাঙ্গোয় আম, ভ্যানিলা ও টক-মিষ্টি স্ট্রবেরির পরত পাবেন। আবার পাইনঅ্যাপেলে পাবেন আনারস, পাতিলেবু ও স্ট্রবেরির পরত। তিনটি স্তরে তিনরকম স্বাদ। নবীন প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে একটু ভিন্ন স্বাদে সেজেছে এই দুই ধরনের আইসক্রিম। শুধু তা-ই নয়, তাদের শরীর সচেতনতার কথাকেও মাথায় রেখেছে কোয়ালিটি ওয়াল’স। তাই এই দুই আইসক্রিমই লো ক্যালোরির। এক একটি আইসক্রিম থেকে ৬৫ ক্যালোরিরও কম ক্যালোরি মিলবে বলে দাবি সংস্থার। এই দুই আইসক্রিমের প্রচারের উদ্দেশ্যে ৩০ লক্ষ ফ্রি আইস ক্যান্ডি সরবরাহ করেছে কোয়ালিটি। দেশ জুড়ে প্রায় ১ লক্ষ স্টোরে এই অফার মিলবে।

ছাত্রীদের পাশে মালাবার গ্রুপ 
২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পূর্বাঞ্চলের মেয়েদের জন্য তাদের শিক্ষাগত বৃত্তি ঘোষণা করল মালাবার গ্রুপ। কলকাতার মহাজাতি সদনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করা হয়। সংস্থার মতে,  মালাবার স্কলারশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে মেয়েরা সার্বিকভাবে শিক্ষাগতদিক থেকে উপকৃত হবে। এই অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন বিধায়ক বিবেক গুপ্ত, মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস-এর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান তাহসিল আহমেদ এবং মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের অপারেশনস ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার অমিত রাউথ। মালাবার গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,  ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভারতে বৃত্তি কর্মসূচির বাজেটে ২১,০০০ জনেরও অধিক ছাত্রীর জন্য ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের ৫টি কলেজের ১৬৫ জনেরও বেশি ছাত্রীর জন্য ৫১.২৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মালাবার গ্রুপের চেয়ারম্যান এমপি আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষাই বিশ্বকে বদলে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা তরুণীদের জন্য বাধা দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যাতে তারা তাদের শিক্ষাগত আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে এবং সমাজে অর্থপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।’ ২০০৭ সালে চালু হওয়া এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে এখনও পর্যন্ত ৬০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে— যা ভারত জুড়ে ৯৫,০০০-এরও অধিক ছাত্রীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ