Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ হয়নি, অনির্দিষ্টকালের জন্য ঠিকাদারকে ব্ল্যাকলিস্ট 

সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ হয়নি, অনির্দিষ্টকালের জন্য ঠিকাদারকে ব্ল্যাকলিস্ট 
  • ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সময় পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদার রঘুনাথপুরের বারিক বাঁধের কাজ করেননি। তাই পুরসভার বোর্ড অব কাউন্সিলের নির্দেশে ঠিকাদারকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্ল্যাকলিস্টেড করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আপাতত ওই ঠিকাদারকে পুরসভার তরফে কোনও কাজ দেওয়া হবে না। পুনরায় বারিক বাঁধের কাজের টেন্ডার করা হবে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, পুকুরটি পঞ্চায়েত এলাকার। তারপরেও পুরসভা ওই পুকুরের সৌন্দর্যায়নে ব্যস্ত।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরকে নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পুরসভা উদ্যোগী হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে বারিক বাঁধকে সাজিয়ে তোলা হবে। বারিক বাঁধ সেজে উঠলে শহরের বাসিন্দাদের নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা হবে। কারণ রঘুনাথপুর শহরের উপকণ্ঠে বারিক বাঁধটি রয়েছে। বারিক বাঁধ এলাকা থেকে পঞ্চায়েতের সীমানা শুরু। তবে বর্তমানে এলাকাটি রঘুনাথপুর পুরসভার মধ্যে ঢুকে গিয়েছে। ফলে আপাতদৃষ্টিতে সমস্ত এলাকাটি পুরসভা বলেই মনে হয়। এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই পুকুরটির সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের কথা চিন্তা করেই পুরসভা পুকুরটিকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু, দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের জন্য কাজ পিছিয়ে যায়। পুরসভা মনে করছে, যে সময় ঠিকাদারকে কাজটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, এখন কাজ শেষ হয়ে যেত। কিন্তু, ঠিকাদার কাজ শুরুই করেনি।
পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দপ্তরের আম্রুত-২ প্রকল্পে পুকুরটির কাজ করা হবে। জলাশয়ের জন্য মোট ৭৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই টাকায় জলাশয় পরিষ্কার করা, পুকুরের চারিপাশে পথ নির্মাণ, পার্ক এবং মানুষের বসার জায়গা করা হবে। কাজটির জন্য চলতি বছরের ২৯জানুয়ারি টেন্ডার ঝোলানো হয়েছিল। ১৬ মার্চ টেন্ডার ইস্যু হয়েছিল। ঠিকাদারকে ২২৫দিন কাজটির জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। তারপরেও তিনি কাজ করেননি।
এনিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ পরামানিক বলেন, পুরসভা বাদ দিয়ে পঞ্চায়েত এলাকার পুকুরের কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুকুরটি পঞ্চায়েত এলাকায় থাকলেও সেটিকে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। কাজটির পিছনে পুরসভার মোটা টাকার খেল রয়েছে।
রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি বলেন, বারিক বাঁধের সংস্কারের জন্য আমাদের কাছে আবেদন আসে। তাই সেটিকে সংস্কার করে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু, ঠিকাদার কাজ করেনি। তাই পুরসভার সিদ্ধান্ত অনুসারে ওই ঠিকাদারকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্ল্যাকলিস্টেড করা হয়েছে। ওই কাজের পুনরায় টেন্ডার করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ