Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিম জালিয়াতির তদন্তে ভিনরাজ্যেও হানা দেবে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস

সিম জালিয়াতির তদন্তে ভিনরাজ্যেও হানা দেবে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সিম জালিয়াতির তদন্তে ভিনরাজ্যেও হানা দেবে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস। জলপাইগুড়ির বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি হওয়া ১৭২টি জাল সিম থেকে ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ফোন করে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে সাইবার ক্রাইম হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। গোটা ঘটনায় বড়সড় চক্র জড়িত, এমনটাই মনে করছে পুলিস। জাল সিম বিক্রির অভিযোগে এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস। মোট ছ’টি মামলা রুজু হয়েছে। মালবাজারে জাল সিম বিক্রির একটি দোকান ইতিমধ্যেই সিল করে দিয়েছে পুলিস। 
Advertisement
ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা চলছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত। তিনি বলেন, জাল সিম বিক্রির অভিযোগে ইতিমধ্যেই আমরা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছি। জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি, মাল, মেটেলি, নাগরাকাটা, ময়নাগুড়ি ও ধূপগুড়ি থানায় একটি করে মামলা রুজু হয়েছে। কীভাবে সাইবার প্রতারকদের কাছে ওইসব জাল সিম পৌঁছে যেত, ধৃতদের জেরা করে সেটাই এখন জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্তে পুলিস ভিনরাজ্যেও হানা দেবে।
পুলিস সূত্রে খবর, জাল সিম কাণ্ডে দু’দিন আগেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জেরা করে সোমবার আরও দু’জনকে ধরা হয়েছে। ধৃতদের নাম দীপায়ন মণ্ডল ও মহম্মদ মোমিন। দীপায়নের বাড়ি ওদলাবাড়িতে। তাকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরাকাটা থানার পুলিস। মোমিনের বাড়ি মালবাজার পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনপল্লি এলাকায়। মঙ্গলবার তাদের জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।
সিম জালিয়াতির ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত পুলিস সুপার (গ্রামীণ) সমীর আহমেদের নেতৃত্বে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) গঠন করেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস। এদিন পুলিস সুপার বলেন, কখনও ব্যাঙ্কের আধিকারিক, কখনও পুলিসের নাম করে ওইসব সিম থেকে ফোন করে সাইবার ক্রাইম করা হয়েছে। প্রতারিতরা ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে ১৯৩০ টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ওইসব নম্বরগুলি আমাদের কাছে এসেছে। এখন আমরা খতিয়ে দেখছি, কোন কোন দোকান থেকে ওই সিমগুলি বিক্রি হয়েছিল? কাদের নামে সিম তোলা হয়েছিল? তাঁরা ওইসব সিমের ব্যাপারে আদৌও জানেন কি না? কীভাবে ওইসব সিম সাইবার প্রতারকদের হাতে পৌঁছল? এর সঙ্গে ভিনরাজ্যের যোগ রয়েছে। ফলে তদন্তে কিছুটা সময় লাগবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ