নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: সালিশি সভায় এক পরিবারকে একঘরে করার অভিযোগ উঠল চাপড়া থানার পদ্মমালা গ্রামে। যদিও এনিয়ে চাপড়া থানায় কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহের শনিবার একটি সালিশি সভা ডাকা হয়। যেখানে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই সভায় স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন মোল্লার পরিবারকে একঘরে করার নিদান দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি ওই পরিবারের সঙ্গে যাতে কেউ যোগাযোগ না রাখে, তারও নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশ অমান্য করে যোগাযোগ রাখলে জরিমানা করা হবে বলেও সালিশি সভায় বলা হয়। এই নিদানের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ওই পরিবার।
Advertisement
জানা গিয়েছে, আব্দুল মতিন মোল্লার সঙ্গে কয়েকজনের জমি নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযোগ, তাঁর জমি জবরদখল করে দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন মুজিবর মোল্লা, নজরুল মোল্লা ও মোমিন মোল্লা। যা ফেরত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আব্দুল। আদালত আব্দুল মতিন মোল্লার পক্ষে রায় দেয়। আদালত জবরদখল উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। যা নিয়ে সালিশি সভা ডাকা হয়েছিল। কিন্তু সেই সভায় যায়নি মতিন মোল্লার পরিবার। তারপরেই সেই পরিবারকে একঘরে করার নিদান দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী আব্দুল মতিন মোল্লা বলেন, জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়। আমাদের জমি ওরা দখল করে বসেছিল। তারপর সালিশি সভা বসিয়ে ওরা আমাদের একঘরে করে দেয়। আমাদের সঙ্গে লোকজন কথা বলছে না। আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই। পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী মোসারফ মোল্লা বলেন, ‘ওদের ভাইদের মধ্যে জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল। কোর্টে মামলা চলছিল। আমরা গ্রামের সবাইকে নিয়ে সালিশি সভা ডাকি। কিন্তু সভায় না এসে ওরা আমাকে হুমকি দেয়। ওদের এই ব্যবহারে গ্রামের লোকজন আঘাত পায়। তখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগকারী আব্দুল মতিন মোল্লা বলেন, জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়। আমাদের জমি ওরা দখল করে বসেছিল। তারপর সালিশি সভা বসিয়ে ওরা আমাদের একঘরে করে দেয়। আমাদের সঙ্গে লোকজন কথা বলছে না। আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই। পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী মোসারফ মোল্লা বলেন, ‘ওদের ভাইদের মধ্যে জমি নিয়ে ঝামেলা ছিল। কোর্টে মামলা চলছিল। আমরা গ্রামের সবাইকে নিয়ে সালিশি সভা ডাকি। কিন্তু সভায় না এসে ওরা আমাকে হুমকি দেয়। ওদের এই ব্যবহারে গ্রামের লোকজন আঘাত পায়। তখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।



