সংবাদদাতা, কান্দি: মঙ্গলবার সালারের দুই পাশাপাশি গ্রাম থেকে ৩৬টি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিস। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এর আগেও সেখান থেকে বোমা উদ্ধার হয়েছিল। একই জায়গায় বারবার বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। পুলিস জানিয়েছে, বম্ব স্কোয়াড বুধবার বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করে।
Advertisement
উল্লেখ্য, প্রায় চারমাস আগে সালারের মালিহাটি পঞ্চায়েতের কান্দরা বাসস্টপেজ এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে বোমাবাজি হয়েছিল। তার কয়েকদিন পর দুষ্কৃতীদের লাঠির আঘাতে কান্দরা গ্রামের তৃণমূল কর্মী আলাই শেখের(৫০) মৃত্যু হয়। তারপর থেকে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বারবার বোমাবাজি, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার রেশ গিয়ে পড়ে পাশের চুনশহর গ্রামেও। ওই গ্রামেও একাধিকবার বোমাবজির ঘটনা ঘটে। পুলিস দু’টি গ্রাম থেকেই একাধিকবার বোমা উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফের চুনশহর ও কান্দরা গ্রাম থেকে পুলিস বোমা উদ্ধার করে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার এক নাবালক কান্দরা গ্রামের ডাঙাপাড়া এলাকায় মাঠের দিকে খেলা করতে গিয়েছিল। সে ঝোপের মধ্যে ব্যাগ ভর্তি বোমা দেখতে পেয়ে গ্রামের কয়েকজনকে জানায়। এরপর পুলির ওই জায়গা ঘিরে রাখে। সেখান থেকে ১৫টি তাজা সুতলি বোমা উদ্ধার হয়। তার কিছুক্ষণ পর রাতে পুলিস চুনশহর গ্রামে বোমা মজুতের কথা জানতে পারে। ওই গ্রামের একটি খড়ের পালুইয়ের কাছে বোমাগুলি রাখা ছিল। সেখান থেকে ২১টি তাজা সুতলি বোমা উদ্ধার হয়। এদিন ৩৬টি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়। কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার বলেন, সালারের দু’টি গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
স্থানীয় মালিহাটি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রেজাউল শেখ বলেন, দুষ্কৃতীরা এই এলাকায় যা ইচ্ছে তাই শুরু করেছে। পুলিসের ভূমিকায় মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। তবে কান্দরা গ্রামের বাসিন্দা কেরিম মোল্লা বলেন, বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। এমন ঘটনা বারবার হওয়ায় নিরাপত্তা কোথায়?
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার এক নাবালক কান্দরা গ্রামের ডাঙাপাড়া এলাকায় মাঠের দিকে খেলা করতে গিয়েছিল। সে ঝোপের মধ্যে ব্যাগ ভর্তি বোমা দেখতে পেয়ে গ্রামের কয়েকজনকে জানায়। এরপর পুলির ওই জায়গা ঘিরে রাখে। সেখান থেকে ১৫টি তাজা সুতলি বোমা উদ্ধার হয়। তার কিছুক্ষণ পর রাতে পুলিস চুনশহর গ্রামে বোমা মজুতের কথা জানতে পারে। ওই গ্রামের একটি খড়ের পালুইয়ের কাছে বোমাগুলি রাখা ছিল। সেখান থেকে ২১টি তাজা সুতলি বোমা উদ্ধার হয়। এদিন ৩৬টি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়। কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার বলেন, সালারের দু’টি গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
স্থানীয় মালিহাটি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রেজাউল শেখ বলেন, দুষ্কৃতীরা এই এলাকায় যা ইচ্ছে তাই শুরু করেছে। পুলিসের ভূমিকায় মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। তবে কান্দরা গ্রামের বাসিন্দা কেরিম মোল্লা বলেন, বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। এমন ঘটনা বারবার হওয়ায় নিরাপত্তা কোথায়?



