সংবাদদাতা, কান্দি: কোনও ট্রেনের ডাউনে স্টপেজ রয়েছে, কিন্তু আপে দাঁড়ায় না। কোনওটি আবার আগে স্টপেজ দিত, এখন দিচ্ছে না। পূর্ব রেলের কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখার সালার স্টেশনে প্রায় তিন বছর ধরে কয়েকটি এক্সপ্রেস ট্রেন এভাবেই চলছে। সমাধানের দাবিতে সরব হয়েছেন সালারের বাসিন্দারা। সম্প্রতি এনিয়ে বাসিন্দাদের একাংশ বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের কাছে চিঠি দিয়ে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় রেল যাত্রীরা জানান, তিন বছর আগে সালার স্টেশনে প্রায় সমস্ত এক্সপ্রেস ট্রেন দাঁড়াত। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির পর ফের ট্রেন চালু হলে নতুন সমস্যা দেখা দেয়। সালার স্টেশন ম্যানেজারের অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩০৩৪ ডাউন হাওড়া-কাটিহার এক্সপ্রেস সালারে স্টপেজ দেয়। কিন্তু ১৩০৩৩ আপ ট্রেনটি সালারে স্টপেজ দেয় না। ১৩১৪২ ডাউন তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস সালারে স্টপেজ না দিলেও আপ ট্রেন স্টপেজ দেয়। ১৩০৬৩ বালুরঘাট এক্সপ্রেস সালারে দাঁড়ায় না। এছাড়াও হাওড়া-মালদহ টাউন এক্সপ্রেসে মাত্র ১৪টি কোচ রয়েছে। ওই ট্রেনে কোচের সংখ্যা বাড়ানোরও দাবি করা হয়েছে।
যাত্রীরা জানান, তিন বছর আগেও সমস্ত ট্রেন স্টপেজ দিত। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে। যার ফলে বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর হাওড়া স্টেশন থেকে সালারে আসার জন্য কোনও এক্সপ্রেস ট্রেন পাওয়া যায় না। অথচ সন্ধ্যার পরেই বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, ভেলোরের ট্রেন ঢোকে। বহু অসুস্থ রোগী সালারে ফিরে আসতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সালারের উপর দিয়ে চলা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি স্টপেজ দিলে বাসিন্দারা উপকৃত হন।
স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তার আলি, ইয়াসিন রহমান, সুদেব ভট্টাচার্য বলেন, সালার এলাকার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে সবসময় ভিড় লেগে থাকে। হাজার হাজার যাত্রী এই স্টেশনে ওঠানামা করেন। তাই এখানকার যাত্রীদের কথা ভেবে সমস্যা মেটানোর দাবি জানাচ্ছি।এলাকার বাসিন্দারা এই সমস্যা সমাধানের জন্য সম্প্রতি বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তাতে সালারের ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। তেমনই ট্রেন যাত্রীরাও রয়েছেন। সালার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি চন্দন কাজি বলেন, ইউসুফ সাহেব জেলায় রেল সমস্যা নিয়ে সংসদে বহু কথা তুলে ধরেছেন। সালারের সমস্যাও মিটবে এই আস্থা ও ভরসা রয়েছে। তাই সাংসদের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করা হয়েছে। এব্যাপারে কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, সালারের সমস্যা নিয়ে সাংসদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সংসদের আগামী অধিবেশনে সালারের সমস্যা তুলে ধরবেন।
যাত্রীরা জানান, তিন বছর আগেও সমস্ত ট্রেন স্টপেজ দিত। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে। যার ফলে বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর হাওড়া স্টেশন থেকে সালারে আসার জন্য কোনও এক্সপ্রেস ট্রেন পাওয়া যায় না। অথচ সন্ধ্যার পরেই বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, ভেলোরের ট্রেন ঢোকে। বহু অসুস্থ রোগী সালারে ফিরে আসতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সালারের উপর দিয়ে চলা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি স্টপেজ দিলে বাসিন্দারা উপকৃত হন।
স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তার আলি, ইয়াসিন রহমান, সুদেব ভট্টাচার্য বলেন, সালার এলাকার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে সবসময় ভিড় লেগে থাকে। হাজার হাজার যাত্রী এই স্টেশনে ওঠানামা করেন। তাই এখানকার যাত্রীদের কথা ভেবে সমস্যা মেটানোর দাবি জানাচ্ছি।এলাকার বাসিন্দারা এই সমস্যা সমাধানের জন্য সম্প্রতি বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তাতে সালারের ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। তেমনই ট্রেন যাত্রীরাও রয়েছেন। সালার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি চন্দন কাজি বলেন, ইউসুফ সাহেব জেলায় রেল সমস্যা নিয়ে সংসদে বহু কথা তুলে ধরেছেন। সালারের সমস্যাও মিটবে এই আস্থা ও ভরসা রয়েছে। তাই সাংসদের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করা হয়েছে। এব্যাপারে কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, সালারের সমস্যা নিয়ে সাংসদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সংসদের আগামী অধিবেশনে সালারের সমস্যা তুলে ধরবেন।



