সংবাদদাতা, কান্দি: বাম আমলে নির্মিত সালার বাস টার্মিনাস এলাকায় পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্স পরিকাঠামোর অভাবে চালুই করা যায়নি। তাই দুই দশক পর ওই মার্কেট কমপ্লেক্স ভেঙে নতুন করে তৈরির প্রস্তাব নবান্নে পাঠাল মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ। যা নিয়ে এলাকার ব্যবসায়ী মহলে খুশির হাওয়া। ইতিমধ্যেই জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়াররা জমি পরিদর্শনও করেছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সালার ত্রিদিব চৌধুরী বাস টার্মিনাসের ঠিক পিছনেই রয়েছে পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্সটি। মার্কেট কমপ্লেক্সের দক্ষিণে রয়েছে সালার পঞ্চায়েত। আর উত্তরে চলে গিয়েছে কান্দি-কাটোয়া রাজ্য সড়ক। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় দু’দশক আগে তৈরি মার্কেটে রয়েছে প্রায় ১৮টি স্টল। প্রতিটি স্টলের সঙ্গে কয়েক ফুটের দূরত্ব রয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেট কমপ্লেক্স এলাকায় তৈরি হয়েছে ঘিঞ্জি পরিবেশ। ভিতরের রাস্তাগুলি কাদায় ভর্তি। গাছের পাতা পচে দুর্গন্ধ বের হয়। আদেও রাস্তা তৈরি হয়েছিল কি না তা বলা শক্ত। রাস্তা হলেও তার এখন কোনও চিহ্ন পর্যন্ত নেই। চারিদিকে শুধু নোংরা ছড়িয়ে রয়েছে। সন্ধ্যা নামলে ওই চত্বরে নেশাগ্রস্তদের আড্ডা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। মার্কেটের চারদিকে রয়েছে একাধিক চায়ের দোকান, মোবাইলের দোকান, স্টেশনারি দোকান থেকে মিষ্টির দোকান। দোকানগুলিতে কেনাকাটাও ব্যাপক চলে বলে বাসিন্দাদের দাবি। তবে পুরনো মার্কেটের জায়গায় টোটো চালকরা পার্কিং করে থাকেন।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্সের বেহাল দশা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাসিন্দারা অভিযোগ তুলছেন। প্রবীণ বাসিন্দা সারাফত আলি বলেন, বামফ্রন্টের নেতারা বলেছিলেন এখানে বাজার বসবে। কিন্তু কোনওদিন চালুই হল না। কোনওদিন একটিও দোকান খুলতে দেখা যায়নি। সরকারি টাকা সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের একটি টিম ওই জায়গা পরিদর্শন করে বলে জানা গিয়েছে। জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মধক্ষ্য তথা স্থানীয় বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্সটি কোনও কাজেই দিল না। অথচ এটি গোটা শহরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বলে পরিচিত। ওই এলাকার চারিপাশে শতাধিক ব্যবসায়ী ফুটপথে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বেচাকেনাও ব্যাপক হচ্ছে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুরনো মার্কেট ভেঙে নতুন করে কমপ্লেক্স মার্কেট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা পরিষদ। বিষয়টি প্রস্তাব আকারে নবান্নেও পাঠানো হয়েছে।
সালার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক চন্দন কাজী বলেন, বাম আমলে তৈরি মার্কেট কোনও কাজেই দিল না। ওটির পরিকাঠামোই ঠিক নেই। কাজেই সেখানে নতুন করে মার্কেট তৈরি হলে ব্যবসায়ীরা চরম উপকৃত হবেন। এতে যেমন বেকারত্ব ঘুচবে তেমনই আড্ডাখানাও উঠে যাবে।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্সের বেহাল দশা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাসিন্দারা অভিযোগ তুলছেন। প্রবীণ বাসিন্দা সারাফত আলি বলেন, বামফ্রন্টের নেতারা বলেছিলেন এখানে বাজার বসবে। কিন্তু কোনওদিন চালুই হল না। কোনওদিন একটিও দোকান খুলতে দেখা যায়নি। সরকারি টাকা সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের একটি টিম ওই জায়গা পরিদর্শন করে বলে জানা গিয়েছে। জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মধক্ষ্য তথা স্থানীয় বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুরনো মার্কেট কমপ্লেক্সটি কোনও কাজেই দিল না। অথচ এটি গোটা শহরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বলে পরিচিত। ওই এলাকার চারিপাশে শতাধিক ব্যবসায়ী ফুটপথে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বেচাকেনাও ব্যাপক হচ্ছে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুরনো মার্কেট ভেঙে নতুন করে কমপ্লেক্স মার্কেট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা পরিষদ। বিষয়টি প্রস্তাব আকারে নবান্নেও পাঠানো হয়েছে।
সালার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক চন্দন কাজী বলেন, বাম আমলে তৈরি মার্কেট কোনও কাজেই দিল না। ওটির পরিকাঠামোই ঠিক নেই। কাজেই সেখানে নতুন করে মার্কেট তৈরি হলে ব্যবসায়ীরা চরম উপকৃত হবেন। এতে যেমন বেকারত্ব ঘুচবে তেমনই আড্ডাখানাও উঠে যাবে।



