সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: ডিভিসিকে নিতুড়িয়ার পাঞ্চেত জলাধারের মহেশ নদের উপর ভাসমান সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট বাতিল করতে হবে। প্রজেক্ট বাতিল না করা হলে আগামী দিন বৃহত্তর আন্দোলন হবে। এলাকার আদিবাসী ও মৎস্যজীবীরা এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রজেক্ট বাতিলের দাবিতে তাঁরা মিছিল করেন। এদিন ধামসা, মাদল নিয়ে মহেশ নদ চেকপোস্ট থেকে ডিভিসির পাওয়ার হাউস পর্যন্ত মিছিল হয়। মিছিলে ‘সেতু নির্মাণ ও মৎস্যজীবী জীবন-জীবিকা রক্ষা কমিটি’, ‘জমি রক্ষা কমিটি’, ‘মৎস্যজীবী সংগ্রাম সমিতি’ ও ‘বাস্তুহারা সংগ্রাম সমিতি’র সদস্যরা নেতৃত্ব দেন। তাতে এলাকার প্রায় এক হাজার মানুষ পা মেলায়। মিছিল থেকে ‘ডিভিসি হটাও মহেশ নদ বাঁচাও’ ডাক দেওয়া হয়। ওই প্রজেক্ট বাতিল করা না হলে ডিভিসির হেড অফিস ঘেরাও করে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিষেবা অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
রঘুনাথপুরের মহকুমা শাসক বিবেক পঙ্কজ বলেন, প্রজেক্টের বিষয়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করা হয়েছিল। কিন্তু, কোনও সুরাহা হয়নি। এখন কী পরিস্থিতি রয়েছে জানা নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশ স্বাধীনের পর ডিভিসি কর্তৃপক্ষ দামোদর নদের উপর বাঁধ দিয়ে পাঞ্চেত জলাধার নির্মাণ করে। সেই জলকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। ডিভিসি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে পাঞ্চেত জলাধারের মহেশ নদের উপর সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট তৈরি করতে চাইছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেশ নদে সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট হলে এলাকার পাঁচ থেকে ছ’হাজার মানুষ রুজি, রুটি হারাবে। কারণ, তারা এই নদে মাছ ধরে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে মহেশ নদের উপর একটি সেতুর দাবি রয়েছে। কারণ, গুনিয়াড়া, রায়বাঁধ, সরবড়ি, জনার্দণ্ডীর মতো পঞ্চায়েতের মানুষকে নৌকার মাধ্যমে জলাধার পেরিয়ে ব্লক অফিসে যেতে হয়। সোলার প্রজেক্ট তৈরি হলে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে নিতুড়িয়া ব্লক এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
সেতু নির্মাণ ও মৎস্যজীবী জীবন জীবিকা রক্ষা কমিটির সভাপতি রাজেন টুডু বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়নের নামে আদিবাসী ও অ-আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে পাঞ্চেত জলাধার নির্মাণ করেছিল। ক্ষতিপূরণ ও কর্মসংস্থানের লোভ দেখিয়ে দামোদর নদের উপর বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই দিন অসহায় মানুষগুলি লোটা, কম্বল নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে জমি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু, ডিভিসি কথা রাখেনি। সহায় সম্বলহীন অনেকেই জলাধারে মাছ ধরে জীবনযাপন করেন। সেখানে সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট নির্মাণ হলে মৎস্যজীবীদের জীবন, জীবিকা ধ্বংস হবে। জমি রক্ষা কমিটির সম্পাদক বিপ্লব মারাণ্ডি বলেন, যতদিন না পর্যন্ত প্রজেক্টের কাজ বন্ধ হবে, আমাদের আন্দোলন চলবে। আগামী ১১ মার্চ এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে নিয়ে পঞ্চায়েত জলাধারের ডিভিসি অফিস ঘেরাও করা হবে। নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শান্তিভূষণ প্রসাদ যাদব বলেন, সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট হলে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সোলার প্রজেক্ট যাতে না হয় তার জন্য আমাদের তরফে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশ স্বাধীনের পর ডিভিসি কর্তৃপক্ষ দামোদর নদের উপর বাঁধ দিয়ে পাঞ্চেত জলাধার নির্মাণ করে। সেই জলকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ তৈরি করা হয়। ডিভিসি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে পাঞ্চেত জলাধারের মহেশ নদের উপর সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট তৈরি করতে চাইছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেশ নদে সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট হলে এলাকার পাঁচ থেকে ছ’হাজার মানুষ রুজি, রুটি হারাবে। কারণ, তারা এই নদে মাছ ধরে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে মহেশ নদের উপর একটি সেতুর দাবি রয়েছে। কারণ, গুনিয়াড়া, রায়বাঁধ, সরবড়ি, জনার্দণ্ডীর মতো পঞ্চায়েতের মানুষকে নৌকার মাধ্যমে জলাধার পেরিয়ে ব্লক অফিসে যেতে হয়। সোলার প্রজেক্ট তৈরি হলে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে নিতুড়িয়া ব্লক এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
সেতু নির্মাণ ও মৎস্যজীবী জীবন জীবিকা রক্ষা কমিটির সভাপতি রাজেন টুডু বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়নের নামে আদিবাসী ও অ-আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে পাঞ্চেত জলাধার নির্মাণ করেছিল। ক্ষতিপূরণ ও কর্মসংস্থানের লোভ দেখিয়ে দামোদর নদের উপর বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই দিন অসহায় মানুষগুলি লোটা, কম্বল নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে জমি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু, ডিভিসি কথা রাখেনি। সহায় সম্বলহীন অনেকেই জলাধারে মাছ ধরে জীবনযাপন করেন। সেখানে সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট নির্মাণ হলে মৎস্যজীবীদের জীবন, জীবিকা ধ্বংস হবে। জমি রক্ষা কমিটির সম্পাদক বিপ্লব মারাণ্ডি বলেন, যতদিন না পর্যন্ত প্রজেক্টের কাজ বন্ধ হবে, আমাদের আন্দোলন চলবে। আগামী ১১ মার্চ এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে নিয়ে পঞ্চায়েত জলাধারের ডিভিসি অফিস ঘেরাও করা হবে। নিতুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শান্তিভূষণ প্রসাদ যাদব বলেন, সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট হলে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সোলার প্রজেক্ট যাতে না হয় তার জন্য আমাদের তরফে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।



