সংবাদদাতা, কান্দি: মুর্শিদাবাদের সালার ও ভগবানগোলায় অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র তৈরির দাবিতে সরব হয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এই দাবিতে একমত হয়ে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে আলোচনাও সেরেছেন কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার। মন্ত্রীর কাছে থেকে আশ্বাসও মিলেছে বলে দাবি বিধায়কের।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানগোলা ব্লকের কোথাও আগুন লাগলে দমকল যায় লালবাগ অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র থেকে। ভগবানগোলা বাজার এলাকা থেকে যার দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। ওই স্থানে লালবাগ থেকে প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই ইঞ্জিন পৌঁছে যায়। কিন্তু ব্লক এলাকার এমনও জায়গা রয়েছে যেখান থেকে লালবাগ অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্রের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটারেরও বেশি। সেইসব জায়গায় দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছতে কখনও কখনও দেড় ঘণ্টাও লেগে যায় বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। তাই বহুবছর থেকেই বাসিন্দারা এলাকায় অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্রের দাবি করে আসছেন। ভগবানগোলার বাসিন্দা শিক্ষক আজমল হক বলেন, ভগবানগোলার কোথাও আগুন লাগলে ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের লালবাগ থেকে দমকলের ইঞ্জিন আসে। তার আগেই সবকিছু পুড়ে যায়। কাছাকাছি অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র তৈরি হলে এই সমস্যা থাকবে না। ক্ষতির পরিমাণও কমবে।
অন্যদিকে, ভরতপুর ২ ব্লকের সালারেও দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য বহুবছর ধরে দাবি করছেন বাসিন্দারা। ভরতপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতি থেকে তিনবার রেজোলিউশন করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন মিটিং মিছিলে দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিও করা হয়। সালার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক চন্দন কাজি বলেন, এই ব্লক এতটাই বড় যে, কান্দি থেকে দূরত্ব দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এমন অবস্থায় কান্দি দমকল কেন্দ্র থেকে ইঞ্জিন এসে পৌঁছনোর আগেই সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অতীতে এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। তাই বাসিন্দারা সালারে অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্রের দাবি করে আসছেন।
বৃহস্পতিবার কান্দির বিধায়ক তথা তৃণমূলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বিধানসভায় ওই দু’টি জায়গায় অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র গড়ার দাবি করেন। বিধায়ক জানান, দূরত্বের কারণে দু’টি জায়গাতেই দমকল কেন্দ্র গড়ে উঠা দরকার। এনিয়ে যেমন বিধানসভায় প্রশ্ন রাখা হয়েছে। তেমনি মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী কাছে থেকে আশ্বাসও মিলেছে। মন্ত্রী বলেছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি দাবি পূরণ করবেন।
অন্যদিকে, ভরতপুর ২ ব্লকের সালারেও দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য বহুবছর ধরে দাবি করছেন বাসিন্দারা। ভরতপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতি থেকে তিনবার রেজোলিউশন করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন মিটিং মিছিলে দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিও করা হয়। সালার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক চন্দন কাজি বলেন, এই ব্লক এতটাই বড় যে, কান্দি থেকে দূরত্ব দাঁড়ায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এমন অবস্থায় কান্দি দমকল কেন্দ্র থেকে ইঞ্জিন এসে পৌঁছনোর আগেই সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অতীতে এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। তাই বাসিন্দারা সালারে অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্রের দাবি করে আসছেন।
বৃহস্পতিবার কান্দির বিধায়ক তথা তৃণমূলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বিধানসভায় ওই দু’টি জায়গায় অগ্নি নির্বাপণ কেন্দ্র গড়ার দাবি করেন। বিধায়ক জানান, দূরত্বের কারণে দু’টি জায়গাতেই দমকল কেন্দ্র গড়ে উঠা দরকার। এনিয়ে যেমন বিধানসভায় প্রশ্ন রাখা হয়েছে। তেমনি মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী কাছে থেকে আশ্বাসও মিলেছে। মন্ত্রী বলেছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি দাবি পূরণ করবেন।



