সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: শনিবার রাত ১২টা নাগাদ জয়গাঁর বাস টার্মিনাস সংলগ্ন ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের ধার থেকে পুলিস এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিক্রম দাস(২২)। মৃতদেহটি যেখানে পড়েছিল সেখান থেকে দেড়শো মিটার দূরে পুলিস মৃত যুবকের ছোট চারচাকা গাড়ি উদ্ধার করেছে। মৃত যুবক ভুটানে পার্কিং কর্মীর কাজ করতেন। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিস যুবকের পরিবারকে খবর দেয়।
Advertisement
শনিবার সন্ধ্যায় ওই যুবক গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। রাত হওয়ার পর তাঁর মোবাইল বন্ধ ছিল। তবে ওই যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। ২০২২ সালে একইভাবে ওই যুবকের দাদারও ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল বলে পুলিস জানতে পেরেছে।
মৃত যুবকের বাবা মহেন্দ্র দাস পুলিসকে জানায়, তিন বছর আগে একইভাবে তাঁর বড় ছেলেরও ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। একইভাবে পর পর দুই ছেলের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হওয়ায় মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন মহেন্দ্রবাবু। তিনি পুলিসকে জানান, নিশ্চয় এর পিছনে কোন গভীর ষড়যন্ত্র আছে। তা না হলে তাঁর দুই ছেলে একইভাবে মারা যেতে পারে না। মহেন্দ্রবাবু পুলিসের কাছে এই ষড়যন্ত্রের তদন্ত করে পুলিসের কাছে সুবিচার চেয়েছেন।
জয়গাঁ থানার ওসি পালজোর ভুটিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে পথ দুর্ঘটনাতেই বিক্রম দাস নামে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পরেই যুবকের মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অন্যদিকে, মৃতের বাবা মহেন্দ্রবাবুর অভিযোগ নিয়েও তদন্ত হবে।
মৃত যুবকের বাবা মহেন্দ্র দাস পুলিসকে জানায়, তিন বছর আগে একইভাবে তাঁর বড় ছেলেরও ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। একইভাবে পর পর দুই ছেলের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হওয়ায় মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন মহেন্দ্রবাবু। তিনি পুলিসকে জানান, নিশ্চয় এর পিছনে কোন গভীর ষড়যন্ত্র আছে। তা না হলে তাঁর দুই ছেলে একইভাবে মারা যেতে পারে না। মহেন্দ্রবাবু পুলিসের কাছে এই ষড়যন্ত্রের তদন্ত করে পুলিসের কাছে সুবিচার চেয়েছেন।
জয়গাঁ থানার ওসি পালজোর ভুটিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে পথ দুর্ঘটনাতেই বিক্রম দাস নামে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পরেই যুবকের মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অন্যদিকে, মৃতের বাবা মহেন্দ্রবাবুর অভিযোগ নিয়েও তদন্ত হবে।



