পিনাকি ধোলে, অযোধ্যা: রাস্তার ধারে পথবাতি আছে। কিন্তু, সে আলো জ্বলে না। সন্ধ্যা নামতেই অন্ধকারে ডুবে যায় অযোধ্যা পাহাড়ের একাধিক গ্রাম। ২০১১ সালের পর থেকে যে অযোধ্য রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছিল, সেই অযোধ্যা এভাবে অন্ধকারে ডুবে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষুব্ধ পর্যটকরাও। এনিয়ে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক তরজা।
Advertisement
বাম আমলে এই অযোধ্যাই আঁধারে ডুবে থাকত। তবে, এখন আর বিদ্যুৎহীন কোনও গ্রাম নেই। বাম আমলের সঙ্গে নিজেদের তুলনা টানতে গিয়ে হামেশাই তৃণমূল নেতারা এই দাবি করেন। তবে এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছলেও জ্বলে না পথবাতি। স্থানীয় সূত্রের খবর, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর অযোধ্যা পাহাড় ও পাহাড় লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে প্রচুর সৌর বিদ্যুৎ চালিত পথবাতি লাগানো হয়েছিল। তারপর পথবাতিগুলি ক্রমশ অকেজো হয়ে পড়ে। কিন্তু, তা মেরামতি করার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি প্রসাশন। অল্প যে ক’টি পথবাতি সচল ছিল, সেগুলিও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে অকেজো হয়ে গিয়েছে। সৌর বিদ্যুৎ চালিত অধিকাংশ পথবাতির ব্যাটারি চুরি হয়ে গিয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, যাতায়াতের সময়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়।
অযোধ্যার হিলটপে এই মুহূর্তে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে বহু রিসর্ট, লজ, হোম স্টে। হিলটপেই রয়েছে সরকারি কয়েকটি অতিথি আবাস, ইয়ুথ হস্টেল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার রাস্তার দু’ধারও অন্ধকারে ডুবে থাকে। হিলটপেই দাঁড়িয়ে কথা হচ্ছিল স্থানীয় কয়েকজন শাসক দলের সমর্থকের সঙ্গে। তপন মাহাত, চঞ্চল মুড়া বলেন, ঝাঁ চকচকে রাস্তা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমাদের সরকারের অন্যতম হাতিয়ার হলেও সেই আলো নিয়ে কথা শুনতে হচ্ছে। পাহাড়ের উপরের অধিকাংশ পথবাতিই বর্তমানে বেহাল। বাজারের বিভিন্ন দোকান যেখানে রয়েছে, আলো শুধু সেখানেই। সন্ধ্যার পর থেকেই বহু গ্রাম অন্ধকারে ডুবে যায়। গ্রামবাসীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
স্থানীয় বাসিন্দা শেফালি মাহাত, স্বপ্না মুড়া বলেন, শীতে পাহাড়ে ঝুপ করে আঁধার নামে। অনেকদিনই বাজার থেকে ফিরতে ফিরতে অন্ধকার হয়ে যায়। ছেলে মেয়েদের আবার সন্ধ্যায় টিউশনি থাকে। আতঙ্ক তো থাকেই!
শীতে অযোধ্যায় পর্যটকেরা ভিড় জমান। সন্ধ্যায় বিভিন্ন হোটেল রিসর্টে বসে ছৌ-নাচ থেকে শুরু করে আদিবাসী নৃত্যের আসর। শিল্পীদেরও একই অভিযোগ, রাতে বাড়ি ফিরতে হয় অন্ধকারেই।
পঞ্চায়েতগুলির অবশ্য দাবি, বাম আমলে এইসব এলাকায় পথবাতি তো দূর, বিদ্যুতের ব্যবস্থাই ছিল না। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই ব্যবস্থা করেছে। বিধায়ক তহবিল থেকেও কোথাও হাইমাস্ট, কোথাও লোমাস্ট বাতি বসানো হয়েছে। যে সমস্ত পথবাতি খারাপ রয়েছে, তা সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
অযোধ্যার হিলটপে এই মুহূর্তে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে বহু রিসর্ট, লজ, হোম স্টে। হিলটপেই রয়েছে সরকারি কয়েকটি অতিথি আবাস, ইয়ুথ হস্টেল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার রাস্তার দু’ধারও অন্ধকারে ডুবে থাকে। হিলটপেই দাঁড়িয়ে কথা হচ্ছিল স্থানীয় কয়েকজন শাসক দলের সমর্থকের সঙ্গে। তপন মাহাত, চঞ্চল মুড়া বলেন, ঝাঁ চকচকে রাস্তা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমাদের সরকারের অন্যতম হাতিয়ার হলেও সেই আলো নিয়ে কথা শুনতে হচ্ছে। পাহাড়ের উপরের অধিকাংশ পথবাতিই বর্তমানে বেহাল। বাজারের বিভিন্ন দোকান যেখানে রয়েছে, আলো শুধু সেখানেই। সন্ধ্যার পর থেকেই বহু গ্রাম অন্ধকারে ডুবে যায়। গ্রামবাসীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
স্থানীয় বাসিন্দা শেফালি মাহাত, স্বপ্না মুড়া বলেন, শীতে পাহাড়ে ঝুপ করে আঁধার নামে। অনেকদিনই বাজার থেকে ফিরতে ফিরতে অন্ধকার হয়ে যায়। ছেলে মেয়েদের আবার সন্ধ্যায় টিউশনি থাকে। আতঙ্ক তো থাকেই!
শীতে অযোধ্যায় পর্যটকেরা ভিড় জমান। সন্ধ্যায় বিভিন্ন হোটেল রিসর্টে বসে ছৌ-নাচ থেকে শুরু করে আদিবাসী নৃত্যের আসর। শিল্পীদেরও একই অভিযোগ, রাতে বাড়ি ফিরতে হয় অন্ধকারেই।
পঞ্চায়েতগুলির অবশ্য দাবি, বাম আমলে এইসব এলাকায় পথবাতি তো দূর, বিদ্যুতের ব্যবস্থাই ছিল না। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই ব্যবস্থা করেছে। বিধায়ক তহবিল থেকেও কোথাও হাইমাস্ট, কোথাও লোমাস্ট বাতি বসানো হয়েছে। যে সমস্ত পথবাতি খারাপ রয়েছে, তা সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।



