সংবাদদাতা, কান্দি: একটা সময় কান্দি মহকুমায় সালারকেই একমাত্র ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে মানা হত। রেল ও সড়ক যোগাযোগ থাকার কারণে সেখানে বড়সড় বাজারও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেশি এলাকার সঙ্গে যোগযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় ভাটা পড়েছে সালারের ব্যবসায়। অন্তত এমনটাই দাবি ব্যবসায়ীরা। তবে পূর্ব বর্ধমানের একাংশের সঙ্গে একটি নতুন রাস্তা তৈরি হলে ব্যবসার হাল ফের আগের অবস্থায় ফিরতে পারে বলে দাবি।
Advertisement
সালারের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে পূর্বরেলের কাটোয়া আজিমগঞ্জ রেললাইন। আবার কান্দি কাটোয়া রাজ্য সড়কও সালারের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে। ওই দুই যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কয়েকদশক ধরে সালার ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল। কান্দি মহকুমার অর্ধেক গ্রামের সঙ্গে সালারের প্রত্যাক্ষ ব্যবসা জড়িত ছিল। মহাজনপট্টি, চালপট্টি, স্টেশন বাজারের মতন অনেকগুলি বাজার তৈরি হয়েছিল সেখানে। ওইসময় বাজারগুলিতে প্রতিদিন প্রচুর লেনদেনও হত। যদিও সম্প্রতি সালারের ব্যবসার আর সুদিন নেই বলে দাবি।
সালার ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, একটা সময় সালারের সঙ্গে ভরতপুর, কান্দি, বড়ঞা ব্লকের একাংশের সঙ্গে এখানকার ব্যবসা প্রত্যাক্ষভাবে জড়িত ছিল। এখানে বড় বড় মহাজন ছিলেন। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের পূর্ব দিকের গ্রামগুলির সঙ্গেও সালারের প্রত্যক্ষ ব্যবসা চলত।
তবে সম্প্রতি সালারের ব্যবসায়িক পরিধি কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। নতুন নতুন এলাকায় সেভাবে যোগাযোগ তৈরি না হওয়ায় পরিধি কমার কারণ বলে দাবি। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার চাকটা থেকে সালার পর্যন্ত সরাসরি একটি নতুন রাস্তা তৈরি হলে আবারও সালারের ব্যবসা ফিরতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। ক্যানেল পাড়ের উপর দিয়ে কয়েক কিলোমিটার ওই রাস্তা তৈরি হলে জেলার বড়ঞা ব্লকের সঙ্গেও সালারের সরাসরি ব্যবসা চলবে বলে দাবি।
সালার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি চন্দন কাজি বলেন, একমাত্র নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সালারের ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে। বিশেষ করে বড়ঞা ও পূর্ব বর্ধমানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কয়েক কিলোমিটার একটি ক্যানেল রাস্তা তৈরি হলেই সমস্যা অনেকটা মিটে যাবে। সালারের পাইকারি মুদি ব্যবসায়ী হুমায়ুন শেখ বলেন, শুধুমাত্র যোগাযোগের অভাবে বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নতুন নতুন এলাকার সঙ্গে সালারের নতুন যোগাযোগ তৈরি হয়নি। তাই পাইকারি বাজারের হাল খারাপ। সালারের পাইকারি বস্ত্র ব্যবসায়ী বাবর আলি জানান, সস্তার দিক থেকে সালার এখনও জেলার যেকোনও এলাকাকে টেক্কা দিতে পারে। শুধুমাত্র নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি না হওয়ায় আমরা ব্যবসায় মার খাচ্ছি।
সালার ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, একটা সময় সালারের সঙ্গে ভরতপুর, কান্দি, বড়ঞা ব্লকের একাংশের সঙ্গে এখানকার ব্যবসা প্রত্যাক্ষভাবে জড়িত ছিল। এখানে বড় বড় মহাজন ছিলেন। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের পূর্ব দিকের গ্রামগুলির সঙ্গেও সালারের প্রত্যক্ষ ব্যবসা চলত।
তবে সম্প্রতি সালারের ব্যবসায়িক পরিধি কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। নতুন নতুন এলাকায় সেভাবে যোগাযোগ তৈরি না হওয়ায় পরিধি কমার কারণ বলে দাবি। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার চাকটা থেকে সালার পর্যন্ত সরাসরি একটি নতুন রাস্তা তৈরি হলে আবারও সালারের ব্যবসা ফিরতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। ক্যানেল পাড়ের উপর দিয়ে কয়েক কিলোমিটার ওই রাস্তা তৈরি হলে জেলার বড়ঞা ব্লকের সঙ্গেও সালারের সরাসরি ব্যবসা চলবে বলে দাবি।
সালার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি চন্দন কাজি বলেন, একমাত্র নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সালারের ব্যবসাকে বাঁচাতে পারে। বিশেষ করে বড়ঞা ও পূর্ব বর্ধমানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কয়েক কিলোমিটার একটি ক্যানেল রাস্তা তৈরি হলেই সমস্যা অনেকটা মিটে যাবে। সালারের পাইকারি মুদি ব্যবসায়ী হুমায়ুন শেখ বলেন, শুধুমাত্র যোগাযোগের অভাবে বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নতুন নতুন এলাকার সঙ্গে সালারের নতুন যোগাযোগ তৈরি হয়নি। তাই পাইকারি বাজারের হাল খারাপ। সালারের পাইকারি বস্ত্র ব্যবসায়ী বাবর আলি জানান, সস্তার দিক থেকে সালার এখনও জেলার যেকোনও এলাকাকে টেক্কা দিতে পারে। শুধুমাত্র নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি না হওয়ায় আমরা ব্যবসায় মার খাচ্ছি।



