নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: শিক্ষক নিয়োগের জন্য গঠিত সিলেকশন কমিটির পদাধিকারীদের পরিবারের সদস্যরা পেয়েছেন নিয়োগপত্র। ২০১২ সালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে এমনই মারাত্মক অভিযোগের ঘটনায় হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় হাইকোর্ট জেলাশাসককে নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে ওই মামলা উঠবে। সেখানে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে ওই নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পেশ করার জন্য জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ১৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টে ওই মামলার চূড়ান্ত শুনানি আছে। আমরা নিয়োগ সংক্রান্ত যেসব নথি ছিল তা জেলাশাসককে হস্তান্তর করেছি। ওই মামলা আগেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিষ্পত্তি করেছিলেন। যদিও মামলাকারী চ্যালেঞ্জ করায় বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে মামলা চলছে। ২০০৯ সালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রায় চার হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। রাজনৈতিক ডামাডোল পরিস্থিতিতে বাম জমানায় সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। ২০১২ সালে ১৭ জুন লিখিত পরীক্ষা হয়। ওই বছর ইন্টারভিউ করে প্যানেল প্রকাশ করা হয়। মোট ৩৯২৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হয়। কিন্তু, সেই নিয়োগ ঘিরে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়। তৎকালীন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি গোপালচন্দ্র সাউয়ের পুত্রবধূ, সিলেকশন কমিটির অপর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মামুদ হোসেনের ছেলে, মেয়ে এবং বাড়ির আরও এক সদস্য নিয়োগপত্র পান। সিলেকশন কমিটির পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগে ২০১৩ সালে মামলা দায়ের হয়।
২০২৩ সালে ওই মামলায় স্কুল শিক্ষাদপ্তরের সচিবকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই তদন্তে সিলেকশন কমিটির একাধিক সদস্যের পরিবারের সদস্যের চাকরি পাওয়ার কথা স্বীকার করা হয়। তবে, রিপোর্টে এও বলা হয়, পরিবারের সদস্যদের ইন্টারভিউ চলাকালীন সেই বোর্ডে ওই পদাধিকারীরা ছিলেন না। রাজ্যের পক্ষ থেকে ওই রিপোর্ট পেশ করা হয়। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুনরায় হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন কাঁথির মৃণালকান্তি মাইতি। তিনি ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েও চাকরি পাননি। তাঁর আরও অভিযোগ, যোগ্যতামানের চেয়ে মাধ্যমিকে কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি হয়েছে।
নিয়োগের ১২ বছর পর হাইকোর্ট নথিপত্র তলব করায় শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত শুনানির দিকে তাকিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকারা। প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য পৃথক বোর্ড করা হয়েছিল। তমলুক পুরসভার তৎকালীন অষ্টম শ্রেণি পাশ এক কাউন্সিলারও ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ সভাধিপতি মামুদ হোসেন বলেন, আমি সিলেকশন কমিটিতে ছিলাম। কিন্তু, যোগ্যতার নিরিখে আমার পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেয়েছেন। এজন্য আমি ইন্টারভিউ বোর্ড এড়িয়ে গিয়েছি।
২০১১ সালে ৬ জুলাই গোপাল সাউ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি হন। তাঁর মেয়াদকালে ওই শিক্ষক নিয়োগ হয়। শুধুমাত্র সংসদ সভাপতি ও সিলেকশন কমিটির সদস্য মামুদ হোসেনের পরিবারের সদস্য নয়, ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা আরও একাধিক সদস্যের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। মামলাকারী মৃণালকান্তি মাইতি বলেন, নিয়োগের নামে প্রহসন হয়েছে। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকার এনিয়ে তদন্ত করে অভিযোগ স্বীকার করলেও পদক্ষেপ হয়নি। এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়। তাতে ওই নিয়োগের যাবতীয় নথি জেলাশাসককে হেফাজতে নিয়ে কোর্টে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালে ওই মামলায় স্কুল শিক্ষাদপ্তরের সচিবকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই তদন্তে সিলেকশন কমিটির একাধিক সদস্যের পরিবারের সদস্যের চাকরি পাওয়ার কথা স্বীকার করা হয়। তবে, রিপোর্টে এও বলা হয়, পরিবারের সদস্যদের ইন্টারভিউ চলাকালীন সেই বোর্ডে ওই পদাধিকারীরা ছিলেন না। রাজ্যের পক্ষ থেকে ওই রিপোর্ট পেশ করা হয়। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুনরায় হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন কাঁথির মৃণালকান্তি মাইতি। তিনি ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েও চাকরি পাননি। তাঁর আরও অভিযোগ, যোগ্যতামানের চেয়ে মাধ্যমিকে কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি হয়েছে।
নিয়োগের ১২ বছর পর হাইকোর্ট নথিপত্র তলব করায় শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত শুনানির দিকে তাকিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকারা। প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য পৃথক বোর্ড করা হয়েছিল। তমলুক পুরসভার তৎকালীন অষ্টম শ্রেণি পাশ এক কাউন্সিলারও ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ সভাধিপতি মামুদ হোসেন বলেন, আমি সিলেকশন কমিটিতে ছিলাম। কিন্তু, যোগ্যতার নিরিখে আমার পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেয়েছেন। এজন্য আমি ইন্টারভিউ বোর্ড এড়িয়ে গিয়েছি।
২০১১ সালে ৬ জুলাই গোপাল সাউ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি হন। তাঁর মেয়াদকালে ওই শিক্ষক নিয়োগ হয়। শুধুমাত্র সংসদ সভাপতি ও সিলেকশন কমিটির সদস্য মামুদ হোসেনের পরিবারের সদস্য নয়, ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা আরও একাধিক সদস্যের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। মামলাকারী মৃণালকান্তি মাইতি বলেন, নিয়োগের নামে প্রহসন হয়েছে। পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকার এনিয়ে তদন্ত করে অভিযোগ স্বীকার করলেও পদক্ষেপ হয়নি। এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়। তাতে ওই নিয়োগের যাবতীয় নথি জেলাশাসককে হেফাজতে নিয়ে কোর্টে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



