সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: গত লোকসভা ভোটের আগে চালু হয়েছিল আলিপুরদুয়ার পুরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প। এখানে জেলা সদর থেকে নিয়ে আসা বর্জ্য থেকে জৈবসার তৈরির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার প্রকল্পের পরিকাঠামোগত বেশকিছু উন্নয়ন কাজের জন্য নগরোন্নয়ন দপ্তর ৯৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।
Advertisement
শহরের বাইরে মাঝেরডাবরি চা বাগানের কেনা জমিতে আলিপুরদুয়ার পুরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পটি গড়ে উঠেছে। প্রকল্পটি চালু হলেও এতদিন প্রকল্পের জায়গায় নিকাশি নালা, রাস্তা, কালভার্ট তৈরি ও সীমানা প্রাচীরে কাঁটাতারের ফেন্সিং দেওয়ার কাজ বাকি ছিল। এই টাকায় এবার সেই কাজগুলিই করা হবে। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ ছিল আসলে লোকসভা ভোটে ফায়দা তুলতেই তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পুরবোর্ড তড়িঘড়ি প্রকল্পটি চালু করে দিয়েছে।
পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর অবশ্য বলেন, বিরোধীদের অভিযোগ ঠিক নয়। মাদারিহাট উপ নির্বাচন থাকায় ভোটের আচরণবিধির কারণেই পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পে রাস্তা, কালভার্ট, নিকাশি নালা, গার্ডওয়াল তৈরি ও সীমানা প্রাচীরে কাঁটাতার দেওয়ার কাজ করা যায়নি। এই কাজের জন্য এবার রাজ্য থেকে ৯৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে এই কাজের অর্ডার দেওয়া হবে।
আলিপুরদুয়ার পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পের বর্জ্য থেকে জৈবসার তৈরি হচ্ছে। কেজি প্রতি এই জৈবসার পুরসভা ৯ টাকা পাইকারি দামে বিক্রি করছে। খুচরো বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা কেজি দরে। পুরসভা বর্জ্য থেকে প্রস্তুত এই সার আগামী দিনে জেলার চা বাগান মালিকদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কারণ পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পের এই জৈবসার চা গাছের পক্ষে খুবই উপকারী ও ফলদায়ক।
পুর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্প থেকে এই জৈবসার এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে আগামী দিনে বাগান মালিকদের কাছে এই সার বিক্রি করা হবে। তার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর অবশ্য বলেন, বিরোধীদের অভিযোগ ঠিক নয়। মাদারিহাট উপ নির্বাচন থাকায় ভোটের আচরণবিধির কারণেই পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পে রাস্তা, কালভার্ট, নিকাশি নালা, গার্ডওয়াল তৈরি ও সীমানা প্রাচীরে কাঁটাতার দেওয়ার কাজ করা যায়নি। এই কাজের জন্য এবার রাজ্য থেকে ৯৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে এই কাজের অর্ডার দেওয়া হবে।
আলিপুরদুয়ার পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পের বর্জ্য থেকে জৈবসার তৈরি হচ্ছে। কেজি প্রতি এই জৈবসার পুরসভা ৯ টাকা পাইকারি দামে বিক্রি করছে। খুচরো বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা কেজি দরে। পুরসভা বর্জ্য থেকে প্রস্তুত এই সার আগামী দিনে জেলার চা বাগান মালিকদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কারণ পুরসভার এসডব্লুএম প্রকল্পের এই জৈবসার চা গাছের পক্ষে খুবই উপকারী ও ফলদায়ক।
পুর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্প থেকে এই জৈবসার এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে আগামী দিনে বাগান মালিকদের কাছে এই সার বিক্রি করা হবে। তার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।



