নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদবাসীর কলকাতায় সুলভে থাকার জন্য জেলা পরিষদের তরফে একটি ভবন তৈরি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সেই মুর্শিদাবাদ ভবনের শুভ উদ্বোধন হবে নিউটাউনে। পাথরঘাটায় হিডকোর ১০ কাঠা জমিতে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ এই ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করে। ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে চার বছর ধরে এই ভবন তৈরি হয়েছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের থাকার জন্য খুলে দেওয়া হবে এই ভবনের ঘরগুলি।
Advertisement
জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা বলেন, শুক্রবার উদ্বোধন হবে মুর্শিদাবাদ ভবনের। বহু প্রতীক্ষিত এই ভবন তৈরি হওয়ায় জেলার মানুষের সুরাহা হবে। এখান থেকে বহু জেলাবাসী বিভিন্ন কাজে কলকাতায় যান। অনেককেই চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে দু’-একদিন থাকতে হয়। তাদের সুবিধা হবে। এখানে খুব কম খরচে থাকতে পারবেন মানুষ।
মুর্শিদাবাদের জেলা সদর বহরমপুর থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে এই ভবন তৈরির পরিকল্পনা বেশ সুদূরপ্রসারী। ২০১১ সাল নাগাদ হিডকোর থেকে জমি কিনে রেখেছিল জেলা পরিষদ। তারপর নিউ টাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কাছে একটি পাঁচতলা বিল্ডিং তৈরির জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়। অনুমোদন মেলার পর ২০২০ সাল থেকে ওই ভবনের কাজ শুরু হয়। জেলা পরিষদের তরফে হিডকোকে ভবন নির্মাণের কাজ দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে কাজ শেষ হওয়ার পর ভবনটিকে জেলা পরিষদকে হস্তান্তর করা হয়। ভবনটিতে ছয় বেডের ডরমিটরির সংখ্যা চারটি। তিনটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত এবং একটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। ডবল বেডের ডিলাক্স ঘরের সংখ্যা দশটি। ট্রিপল বেডের এগজিকিউটিভ ঘরের সংখ্যা দু’টি। এই ভবনে রয়েছে দু’টি কনফারেন্স হল। ডবল বেডের ডিলাক্স ঘরের ভাড়া প্রতি রাতের জন্য এক হাজার টাকা ধার্য্য হয়েছে। সাধারণ ডবল বেডের রুমের ভাড়া ৭০০ টাকা। ডরমিটরিতে জন পিছু ৩০০ টাকা করে নেওয়া হবে। এই ঘরগুলি যে কোনও ব্যক্তি পঞ্চায়েত ও রুরাল ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করতে পারবেন।
মুর্শিদাবাদের জেলা সদর বহরমপুর থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে এই ভবন তৈরির পরিকল্পনা বেশ সুদূরপ্রসারী। ২০১১ সাল নাগাদ হিডকোর থেকে জমি কিনে রেখেছিল জেলা পরিষদ। তারপর নিউ টাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কাছে একটি পাঁচতলা বিল্ডিং তৈরির জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়। অনুমোদন মেলার পর ২০২০ সাল থেকে ওই ভবনের কাজ শুরু হয়। জেলা পরিষদের তরফে হিডকোকে ভবন নির্মাণের কাজ দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে কাজ শেষ হওয়ার পর ভবনটিকে জেলা পরিষদকে হস্তান্তর করা হয়। ভবনটিতে ছয় বেডের ডরমিটরির সংখ্যা চারটি। তিনটি পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত এবং একটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। ডবল বেডের ডিলাক্স ঘরের সংখ্যা দশটি। ট্রিপল বেডের এগজিকিউটিভ ঘরের সংখ্যা দু’টি। এই ভবনে রয়েছে দু’টি কনফারেন্স হল। ডবল বেডের ডিলাক্স ঘরের ভাড়া প্রতি রাতের জন্য এক হাজার টাকা ধার্য্য হয়েছে। সাধারণ ডবল বেডের রুমের ভাড়া ৭০০ টাকা। ডরমিটরিতে জন পিছু ৩০০ টাকা করে নেওয়া হবে। এই ঘরগুলি যে কোনও ব্যক্তি পঞ্চায়েত ও রুরাল ট্যুরিজমের ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করতে পারবেন।



