নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বিগত নির্বাচনে ছিলেন দলের ‘ভোট ম্যানেজার’। এবার তিনিই ভোট প্রার্থী। নতুন ভূমিকায় সুজয় হাজরাকে চেনা ছন্দেই দেখা গেল। চেনা পিচে স্বাভাবিকভাবেই দাপট দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থীর। তবে এসি গাড়ি নয়, ভোটের দিন সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত স্কুটিতে চেপেই ঘুরে বেড়ালেন। বুধবার সকাল থেকে শহর এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শনের পাশাপাশি জমিয়ে আড্ডা দিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে। আড্ডার বিষয় ছিল সিপিএম জমানায় হার্মাদ বাহিনীর নানা কার্যকলাপ সহ উপ নির্বাচনে নানা দিক। বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় আবার পড়ে থাকলেন গ্রামীণ এলাকায়। নানা অভিযোগে তিনি সরব হন। শালবনী ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে পুলিসের তরফে কর্মীদের গৃহবন্দি করা, ভোটারদের প্রভাবিত করা সহ নানা অভিযোগ তোলেন। এমনকী কর্মী-সমর্থকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাড়ি গিয়েও কথা বলেন। তবে প্রার্থী বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে গেলেও বাকি নেতারা ছুটির আমেজই এদিন কাটান।
Advertisement
এদিন সকালে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন তৃণমূল প্রার্থী সুজয়বাবু। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে মির্জাবাজার স্মৃতিকণা শ্রী অরবিন্দ হাইস্কুলে সস্ত্রীক ভোট দেন। এরপর বিবেকানন্দ স্কুল, মহাতাপপুর, নতুন বাজার, টাউন স্কুল সহ বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়ান। দলের অবজার্ভারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনাও সারেন। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, স্কুটি নিয়েই ভোটের প্রচার করেছি। এদিনও স্কুটি চালিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেমন হচ্ছে দেখলাম।
জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে মেদিনীপুর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত গৌরী ঘোষ। সেই সময় থেকেই নির্বাচনে ‘ম্যানেজারে’র পদ সামলেছেন সুজয়বাবু। পরে রমা প্রসাদ তেওয়ারি, মৃগেন্দ্রনাথ মাইতির সময়েও তিনি ভোট ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলেছেন। গত বিধানসভা ভোটের সময়েও তাঁর কাঁধেই ছিল গুরু দায়িত্ব। এবার তাঁকেই প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এর ফলে এবারের উপ নির্বাচনে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছে ঘাসফুল শিবির।
এদিন বিভিন্ন পোলিং সেন্টারে তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বচসাও হয়। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়া মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা স্কুলের বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মদ্যপ অবস্থায় আছে বলে অভিযোগ তোলেন খোদ প্রার্থী সুজয় হাজরা। নতুন ভূমিকায় কেমন লাগছে? সুজয়বাবু বলেন, মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে আমার বিশ্বাস। বিজেপি প্রার্থী আবার এদিন সকাল থেকেই গ্রামীণ এলাকা চষে বেড়ান।
জানা গিয়েছে, ২০০১ সালে মেদিনীপুর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত গৌরী ঘোষ। সেই সময় থেকেই নির্বাচনে ‘ম্যানেজারে’র পদ সামলেছেন সুজয়বাবু। পরে রমা প্রসাদ তেওয়ারি, মৃগেন্দ্রনাথ মাইতির সময়েও তিনি ভোট ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলেছেন। গত বিধানসভা ভোটের সময়েও তাঁর কাঁধেই ছিল গুরু দায়িত্ব। এবার তাঁকেই প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এর ফলে এবারের উপ নির্বাচনে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পাচ্ছে ঘাসফুল শিবির।
এদিন বিভিন্ন পোলিং সেন্টারে তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বচসাও হয়। ২১ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়া মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা স্কুলের বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মদ্যপ অবস্থায় আছে বলে অভিযোগ তোলেন খোদ প্রার্থী সুজয় হাজরা। নতুন ভূমিকায় কেমন লাগছে? সুজয়বাবু বলেন, মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে আমার বিশ্বাস। বিজেপি প্রার্থী আবার এদিন সকাল থেকেই গ্রামীণ এলাকা চষে বেড়ান।



