Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সকেট বোমা নয়, ক্যাপ ফেটে জখম পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া, দাবি পুলিসের

সকেট বোমা নয়, ক্যাপ ফেটে জখম পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া, দাবি পুলিসের
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: সকেট বোমা ফেটে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া জখমের ঘটনায় আতঙ্ক কাটেনি এখনও। কিন্তু বোমা ফাটার কোনও প্রমাণ পুলিসের হাতে আসেনি। পুলিস জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কোনও চিহ্ন মেলেনি।  তাদের প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, খেলনা বন্দুকের ক্যাপ থেকে ওই পড়ুয়ার হাত পুড়ে গিয়েছে। তবে স্থানীয়রা সে যুক্তি মানতে নারাজ। 
Advertisement
মানসাই নদীর তীরবর্তী ওই গ্রামে হামেশাই দুষ্কৃতীদের আনাগোনা লেগে থাকে। বোমা ফাটার ঘটনার পর এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে গ্রামে। আগ্নেয়াস্ত্র সহ বোমাবাজির ঘটনাও ঘটেছিল একাধিক নির্বাচনের সময়ে। রাজনৈতিক মদতেই এলাকায় দাপট রয়েছে এই দুষ্কৃতীদের। বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে দূরবর্তী নদী তীরবর্তী এই এলাকাগুলোতে বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসে বোমা বাঁধার কাজ হত বলে জানা গিয়েছে। এতে বাংলাদেশি সন্ত্রাসি গোষ্ঠীর হাতও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা অভিজ্ঞ মহলের। যদিও হাজরাহাটের ওই পড়ুয়ার জখম হওয়ার ঘটনায় কি ধরনের বিস্ফোরক ছিল সেটা পরিস্কার করে বলতে চায়নি পুলিস।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পড়ুয়া বস্তুটিকে পরিত্যাক্ত কোনও লোহার জিনিস ভেবে পাথরে ঠুকে দেখছিল। সেই সময়ে সেটি ফেটে যায়। মাটিতে দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় সেটি কিছুটা নিস্ক্রিয় ছিল বলে বড় দুর্ঘটনা হয়নি। পুলিসের যুক্তি,  কেউ হয়তো একসঙ্গে অনেকগুলো ক্যাপ রেখেছিল। সেগুলো ফেটে হাত পুড়ে গিয়েছে ওই পড়ুয়ার। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ক্যাপ মাটিতে ফেলে রাখলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। সামান্য ঠোকাঠুকিতে ফেটে গিয়ে হাত পুড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। 
এব্যাপারে মাথাভাঙার মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, হাজরাহাটের বালাসিতে জখম পড়ুয়া চিকিৎসাধীন রয়েছে। এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছে সে। আমরা এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, সেখানে বিস্ফোরক জাতীয় কিছু পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে ক্যাপ ফেটে বাচ্চাটি জখম হয়েছে। তারপরও আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।
সম্পর্কিত সংবাদ