সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: শীত পড়তেই পিকনিকের মরশুমে ছোট বড় সকলেই বনভোজনে মেতে ওঠেন। মঙ্গলবার পৌষ সংক্রান্তিতে নবদ্বীপের প্রাচীন মায়াপুর ফাস্ট লেনের স্থানীয় বাসিন্দা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মহিলারা অন্য এক পিকনিকে মাতলে। এদিন তাঁদের প্রাণের গোপাল ঠাকুরকে নিয়ে এসে বনভোজন করলেন। এদিন সকালে দই, চিড়ে, মিষ্টি ভোগ নিবেদন দিয়ে পিকনিক শুরু হয়। আর দুপুরে নিষ্ঠা সহকারে খিচুড়ি, পাঁচ তরকারি, আলুর দম, চাটনি, পায়েস রান্না দেবতাকে নিবেদন করলেন। গোপাল ঠাকুরের এই পিকনিক প্রাণভরে উপভোগ করলেন ভক্তরা। বনভোজেনে প্রায় ৩০টি পরিবার তাঁদের আরাধ্য দেবতার বিগ্রহ নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে গোপালের সেবকরাও এসেছিলেন।
Advertisement
এদিন সকলেই নতুন পোশাক পরিয়ে গোপালের বিগ্রহে এনেছিলেন। ছোট বড় প্রতিটি গোপাল বিগ্রহ সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়। ফুলমালা দিয়ে সাজানো হয়। এরপর প্রতিটি বিগ্রহের সামনে ফল মিষ্টি নিবেদন করা হয়। পরে দুপুরে বড় বড় ছটি বড় পাত্রে বনভোজনের জন্য রান্না করা ভোগ নিবেদন করা হয়। তবে আলাদা এক জায়গায় বনদেবতার উদ্দেশ্যে ভোগ দেওয়া হয়। এদিন গোপালের বনভোজন উপলক্ষে অনেক ভক্তের জন্যও খিচুড়ি ও তরকারি প্রসাদের আয়োজন করা হয়েছিল।
বনভোজনের অন্যতম আয়োজক গৌতম মণ্ডল বলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে আমরা এই গোপালের বনভোজনের আয়োজন করে আসছি। পৌষ মাসে আমরা নির্দিষ্ট একটা দিন ঠিক করে যে-যার বাড়ির দেবতাকে নিয়ে বনভোজন করি। দেবতার বনভোজন বলে কথা, তাই সকাল থেকেই নাম সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। এলাকার সমস্ত মহিলা এই আয়োজনে শামিল হন।
বনভোজনের অন্যতম আয়োজক গৌতম মণ্ডল বলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে আমরা এই গোপালের বনভোজনের আয়োজন করে আসছি। পৌষ মাসে আমরা নির্দিষ্ট একটা দিন ঠিক করে যে-যার বাড়ির দেবতাকে নিয়ে বনভোজন করি। দেবতার বনভোজন বলে কথা, তাই সকাল থেকেই নাম সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। এলাকার সমস্ত মহিলা এই আয়োজনে শামিল হন।



