নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম সীমানা দিয়ে আলু পাচারের কৌশল বদলাচ্ছে। লরির বদলে পিকআপ ভ্যানে করে পাচার হচ্ছে আলু। ভিনরাজ্যে আলু পাচারের নয়া কৌশল প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
নয়াগ্ৰাম, জামবনি, গোপীবল্লভপুরে পাঠানো আলুবোঝাই পিকআপ ভ্যান সুযোগ বুঝে সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছে। রবিবার রাতে গোপীবল্লভপুর থানার ওড়িশা লাগোয়া ঝাটিয়ারা সীমানায় আলুবোঝাই তিনটি পিকআপ ভ্যান আটক করা হয়েছে। তিনজনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে।
গোপীবল্লভপুরের এসডিপিও পারভেজ সরফরাজ বলেন, রবিবার রাত আটটার সময় ঝাটিয়ারা সীমানায় তিনটি আলুবোঝাই পিকআপ ভ্যান ধরা হয়েছে। ওই সমস্ত ভ্যানে গোপীবল্লভপুরে আসার চালান ছিল। কিন্তু সেগুলি সীমানা এলাকায় কেন গেল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় আলু ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠানো হবে।
আলুবোঝাই লরি ভিনরাজ্যে পাঠানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই জেলা পুলিস জাতীয় ও রাজ্য সড়কে নজরদারি বাড়ায়। পাচারকারীরা এরপর গ্ৰামের ও জঙ্গলের পথ দিয়ে আলু পাচার শুরু করে। তাই গ্ৰামীণ পথে নাকা চেকিং বাড়ানো হয়। তা সত্ত্বেও জেলা পুলিসকে আলু পাচার রুখতে বেগ পেতে হচ্ছে। পাচারকারীরা বারবার কৌশল বদলাচ্ছে। পাচারে স্থানীয় ফড়ের যোগ থাকার সম্ভাবনা উঠে আসছে।
দু’সপ্তাহে গোপীবল্লভপুর ও নয়াগ্ৰাম সীমানায় পরপর একাধিক আলু বোঝাই লরি ধরে পড়েছে। ওই সমস্ত লরির চালকদের কাছে আলু নিয়ে যাওয়ার বৈধ চালান পাওয়া যায়নি। ভুয়ো চালান নিয়ে আলু পাচার চলছিল। এরপরই পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চুরি ও তথ্য নকলের মামলা করা হয়। এবার কৌশল বদলে পিকআপ ভ্যানে পাচার চলছে।
পুলিস জানিয়েছে, দু’ভাবে পাচার হচ্ছে। আলুবোঝাই পিকআপ ভ্যানের চালকদের থেকে গোপীবল্লভপুরের আলুর আড়তদারের ঠিকানা মিলেছে। অর্থাৎ বৈধ চালান দেখিয়ে আলু গোপীবল্লভপুর আনা হচ্ছে। তারপর পিকআপ ভ্যানে তা সীমানা পার করানো হচ্ছে। এছাড়া, জিজ্ঞাসাবাদ উঠে এসেছে, পিকআপ ভ্যান বা গাড়িতে চালান-বহির্ভূত বাড়তি আলু মজুত করে সীমানা পার করানো হচ্ছিল।
গোপীবল্লভপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ ছোটবড় রাস্তায় দিনরাত নজরদারি চলছে। তবে গ্রামীণ ও জঙ্গল এলাকা দিয়ে সীমানা পেরোনোর অনেক পথ আছে। রাতের অন্ধকারে সেখানে নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না। তবে পুলিস নজরদারি বাড়ানোয় পাচারকারীরা নিত্যনতুন কৌশল নিচ্ছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, আন্তঃজেলা আলুপাচার চক্রে স্থানীয় ফড়ে বা আলু ব্যবসায়ীদের একাংশের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিস এবার স্থানীয় আলু ব্যবসায়ীদের উপরও নজর রাখছে।
গোপীবল্লভপুরের এসডিপিও পারভেজ সরফরাজ বলেন, রবিবার রাত আটটার সময় ঝাটিয়ারা সীমানায় তিনটি আলুবোঝাই পিকআপ ভ্যান ধরা হয়েছে। ওই সমস্ত ভ্যানে গোপীবল্লভপুরে আসার চালান ছিল। কিন্তু সেগুলি সীমানা এলাকায় কেন গেল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় আলু ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠানো হবে।
আলুবোঝাই লরি ভিনরাজ্যে পাঠানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই জেলা পুলিস জাতীয় ও রাজ্য সড়কে নজরদারি বাড়ায়। পাচারকারীরা এরপর গ্ৰামের ও জঙ্গলের পথ দিয়ে আলু পাচার শুরু করে। তাই গ্ৰামীণ পথে নাকা চেকিং বাড়ানো হয়। তা সত্ত্বেও জেলা পুলিসকে আলু পাচার রুখতে বেগ পেতে হচ্ছে। পাচারকারীরা বারবার কৌশল বদলাচ্ছে। পাচারে স্থানীয় ফড়ের যোগ থাকার সম্ভাবনা উঠে আসছে।
দু’সপ্তাহে গোপীবল্লভপুর ও নয়াগ্ৰাম সীমানায় পরপর একাধিক আলু বোঝাই লরি ধরে পড়েছে। ওই সমস্ত লরির চালকদের কাছে আলু নিয়ে যাওয়ার বৈধ চালান পাওয়া যায়নি। ভুয়ো চালান নিয়ে আলু পাচার চলছিল। এরপরই পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চুরি ও তথ্য নকলের মামলা করা হয়। এবার কৌশল বদলে পিকআপ ভ্যানে পাচার চলছে।
পুলিস জানিয়েছে, দু’ভাবে পাচার হচ্ছে। আলুবোঝাই পিকআপ ভ্যানের চালকদের থেকে গোপীবল্লভপুরের আলুর আড়তদারের ঠিকানা মিলেছে। অর্থাৎ বৈধ চালান দেখিয়ে আলু গোপীবল্লভপুর আনা হচ্ছে। তারপর পিকআপ ভ্যানে তা সীমানা পার করানো হচ্ছে। এছাড়া, জিজ্ঞাসাবাদ উঠে এসেছে, পিকআপ ভ্যান বা গাড়িতে চালান-বহির্ভূত বাড়তি আলু মজুত করে সীমানা পার করানো হচ্ছিল।
গোপীবল্লভপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ ছোটবড় রাস্তায় দিনরাত নজরদারি চলছে। তবে গ্রামীণ ও জঙ্গল এলাকা দিয়ে সীমানা পেরোনোর অনেক পথ আছে। রাতের অন্ধকারে সেখানে নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না। তবে পুলিস নজরদারি বাড়ানোয় পাচারকারীরা নিত্যনতুন কৌশল নিচ্ছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, আন্তঃজেলা আলুপাচার চক্রে স্থানীয় ফড়ে বা আলু ব্যবসায়ীদের একাংশের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিস এবার স্থানীয় আলু ব্যবসায়ীদের উপরও নজর রাখছে।



