Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্কুলের টিআইসি ভোটে তৃণমূল নেতা ও দুই শিক্ষকের দাদাগিরি

স্কুলের টিআইসি ভোটে তৃণমূল নেতা ও দুই শিক্ষকের দাদাগিরি
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ডোমকল: জলঙ্গিতে স্কুলের টিআইসি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ। স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক তথা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ তুলেছেন স্কুলের পরিচালন কমিটির সভাপতির বদুলউদ্দিন শেখ। এনিয়ে তিনি ডাকযোগে বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ জানিয়েছেন।
স্কুল ও প্রশাসন সূত্রের খবর, জলঙ্গির চোঁয়াপাড়া দুর্লভেরপাড়া স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক চলতি মাসেই অবসর নেবেন। প্রধান শিক্ষক অবসর নেওয়ার পর টিআইসি কাকে করা হবে এই নিয়ে চলতি মাসের শুরুতেই নোটিস দিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। শনিবার স্কুলে টিআইসি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বদুলউদ্দিন সাহেবের দাবি, স্কুলের পরিচালন কমিটিতে ১২জন রয়েছেন। নির্বাচনের দিন ১১জন উপস্থিত  ছিলেন। ওই দিন ম্যানেজিং কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্কুলের সিনিয়র শিক্ষককে টিআইসি করা হোক। কিন্তু, তাতে আপত্তি জানান প্রধান শিক্ষক। তিনি কোনও নিয়ম না মেনেই তার অনুগামী শিক্ষককে টিআইসি করে অনিয়ম ঢাকার চেষ্টা করছিলেন। সেইসময় আমরা তাতে আপত্তি জানিয়েছিলাম। আর সেইসময় পরিচালন কমিটির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ওই ঘরে ঢোকেন পার্শ্বশিক্ষক তথা জলঙ্গি ব্লকের তৃণমূল নেতা মাসুম আলি আহমেদ। তিনি ঘরে ঢুকেই রীতিমতো দাদাগিরি শুরু করেন। জোর করে রেজ্যুলিউশনে সাত-আটজনের সই করিয়ে নেন। আমি তাতে আপত্তি জানিয়েছিলাম। তাতেই আমাকে আটকে রেখে মোবাইল কেড়ে নিয়ে হুমকি দিতে থাকে। আমাকেও জোর করে সই করিয়ে সুদীপকুমার মুখোপাধ্যায় নামে ওই শিক্ষককে টিআইসি করিয়ে নেন। পরে আমি বিষয়টি থানায় জানাই। ওই রেজ্যুলিউশন বাতিলের দাবি তুলে ডাকযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানিয়েছি।
যদিও চোঁয়াপাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম রহমান বলেন, কোনও অনিয়ম হয়নি। আমি গত ৫ ফেব্রুয়ারি টিআইসি নির্বাচনে আগ্রহী শিক্ষকদের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নোটিস দিয়েছিলাম। দু’জন আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে একজন নির্বাচনের আগেই আবেদনপত্র তুলে নেন। সেইমতো একজন আবেদনকারী থাকায় তাঁকেই আমরা টিআইসি নির্বাচন করেছি। সেইসময় পরিচালন কমিটির ন’জন সদস্য সমর্থন করেছেন। কিন্তু সভাপতি তাতে রাজি হননি। উল্টে সভাপতি যাঁর নাম প্রস্তাব করেন তিনি বয়সে ওই শিক্ষকের থেকে সাত বছরের ছোট। 
Advertisement
স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক মাসুম আলি আহমেদ বলেন, সভাপতির অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে। রাজনৈতিক পরিচয় থাকায় আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক। সেদিন আমি স্টাফ রুমেই ছিলাম। আর প্রধান শিক্ষকের ঘরে মিটিং চলছিল। আমি সেখানে যায়নি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ