তামিম ইসলাম, ডোমকল: ‘ছিল রুমাল হয়ে গেল বেড়াল।’ যে জমি খাতায় কলমে এখনও তাদের বলে দাবি করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ, সেই জমিতেই গড়ে উঠেছে ঝা চকচকে তৃণমূলের কার্যালয়। রীতিমতো বিধায়কের উপস্থিতিতে সম্প্রতি ওই কার্যালয় উদ্বোধনও হয়ে গিয়েছে। স্কুলের জায়গা দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরিতে এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। ঘটনাটি ডোমকলের ধুলাউড়ি অঞ্চলের।
Advertisement
ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, এইরকম কোনও খবর আমার কাছে নেই। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে। যদিও জমি দখলের অভিযোগ কয়েক বছর আগে তৎকালীন এসডিওকে জানানো হয়েছিল বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। জেলা সংখ্যালঘু বিষয়ক (ডোমা) দপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্কুলের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা যায় না।
আলোচ্য স্কুলটির নাম রাধাকান্তপুর এসএম মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্র। খাতায় কলমে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৯৪। শিক্ষক ও অশিক্ষক মিলিয়ে কর্মীর সংখ্যা ছয়। ওই স্কুলের একেবারে মূল গেটের পাশেই একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ১৭ ফুট দীর্ঘ ও ১৩ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট ওই ঘরটি স্কুলের চত্বরে ঢুকে রয়েছে। ওই ঘরটিকেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় হিসেবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ঘরের ওপরে উড়ছে দলীয় পতাকা আর বোর্ডে জ্বলজ্বল করছে লেখা ‘ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়’। গত ১ নভেম্বর রানিনগরের বিধায়ক আব্দুল সৌমিক হোসেন ওই কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপরই বিভিন্ন মহলে স্কুলের জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই জমি তাদের বলে দাবি করছেন। বছর কয়েক আগে পঞ্চায়েতের তরফে ওই স্কুলে পাঁচিল দেওয়ার কাজ চলছিল। সেই সময়ে তৎকালীন ধুলাউড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা আসাদুল ইসলাম জোর করে স্কুলের কিছুটা জমি দখল করে নেন। স্কুলের মুখ্য সম্প্রসারক মহম্মদ আলি হোসেন বিষয়টি তৎকালীন বিডিও, এসডিও থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েছিলেন। কিন্তু কেউ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি তাঁর। এদিকে সামান্য স্কুল শিক্ষক হয়ে দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস পাননি আলি হোসেন। এরপরই ধীরে ধীরে শুরু হয় নির্মাণ। ছাদ দিয়ে রীতিমতো রং করে ঝা চকচকে পার্টি অফিস গড়ে তোলা হয়।
মহম্মদ আলি হোসেন বলেন, বছর কয়েক আগে পঞ্চায়েতের তরফে স্কুলের পাঁচিল তৈরির সময় প্রধানের স্বামী তথা প্রভাবশালী নেতা আসাদুল ইসলাম স্কুলের কিছুটা জায়গা দখল করে নিয়েছিলেন। সেই সময় আমি বিডিও, এসডিও, থানা সহ বিভিন্ন প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। সম্প্রতি সেখানে তৃণমূলের একটি কার্যালয় খোলা হয়েছে। কিন্তু এখনও ওই জায়গা স্কুলের নামেই রয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, ওই জমি পুরোপুরি স্কুলের নয়। পিডব্লুডির খাস জমিতে ওই পার্টি অফিস রয়েছে। তাতে স্কুলের কিছুটা অংশ রয়েছে। আমরা ওই জায়গাটা বসার জন্য ঠিক করেছিলাম। পরে ওই পার্টি অফিস তৈরি করি। তবে এইভাবে পার্টি অফিস তৈরিতে দল অনুমোদন দেয় না। রানিনগরের বিধায়ক সৌমিক হোসেন বলেন, আমি জানতাম না। বিষয়টি এক্ষুনি শুনলাম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে একবার জানাতে পারতেন। তবে যাই হোক, এটা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়। স্কুলের জমি দখল করে যদি পার্টি অফিস তৈরি করা হয়ে থাকে তাহলে সেটি সমর্থনযোগ্য নয়। আমরা দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
আলোচ্য স্কুলটির নাম রাধাকান্তপুর এসএম মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্র। খাতায় কলমে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৯৪। শিক্ষক ও অশিক্ষক মিলিয়ে কর্মীর সংখ্যা ছয়। ওই স্কুলের একেবারে মূল গেটের পাশেই একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ১৭ ফুট দীর্ঘ ও ১৩ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট ওই ঘরটি স্কুলের চত্বরে ঢুকে রয়েছে। ওই ঘরটিকেই তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় হিসেবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ঘরের ওপরে উড়ছে দলীয় পতাকা আর বোর্ডে জ্বলজ্বল করছে লেখা ‘ধুলাউড়ি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়’। গত ১ নভেম্বর রানিনগরের বিধায়ক আব্দুল সৌমিক হোসেন ওই কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপরই বিভিন্ন মহলে স্কুলের জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই জমি তাদের বলে দাবি করছেন। বছর কয়েক আগে পঞ্চায়েতের তরফে ওই স্কুলে পাঁচিল দেওয়ার কাজ চলছিল। সেই সময়ে তৎকালীন ধুলাউড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা আসাদুল ইসলাম জোর করে স্কুলের কিছুটা জমি দখল করে নেন। স্কুলের মুখ্য সম্প্রসারক মহম্মদ আলি হোসেন বিষয়টি তৎকালীন বিডিও, এসডিও থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েছিলেন। কিন্তু কেউ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি তাঁর। এদিকে সামান্য স্কুল শিক্ষক হয়ে দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস পাননি আলি হোসেন। এরপরই ধীরে ধীরে শুরু হয় নির্মাণ। ছাদ দিয়ে রীতিমতো রং করে ঝা চকচকে পার্টি অফিস গড়ে তোলা হয়।
মহম্মদ আলি হোসেন বলেন, বছর কয়েক আগে পঞ্চায়েতের তরফে স্কুলের পাঁচিল তৈরির সময় প্রধানের স্বামী তথা প্রভাবশালী নেতা আসাদুল ইসলাম স্কুলের কিছুটা জায়গা দখল করে নিয়েছিলেন। সেই সময় আমি বিডিও, এসডিও, থানা সহ বিভিন্ন প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। সম্প্রতি সেখানে তৃণমূলের একটি কার্যালয় খোলা হয়েছে। কিন্তু এখনও ওই জায়গা স্কুলের নামেই রয়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, ওই জমি পুরোপুরি স্কুলের নয়। পিডব্লুডির খাস জমিতে ওই পার্টি অফিস রয়েছে। তাতে স্কুলের কিছুটা অংশ রয়েছে। আমরা ওই জায়গাটা বসার জন্য ঠিক করেছিলাম। পরে ওই পার্টি অফিস তৈরি করি। তবে এইভাবে পার্টি অফিস তৈরিতে দল অনুমোদন দেয় না। রানিনগরের বিধায়ক সৌমিক হোসেন বলেন, আমি জানতাম না। বিষয়টি এক্ষুনি শুনলাম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে একবার জানাতে পারতেন। তবে যাই হোক, এটা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়। স্কুলের জমি দখল করে যদি পার্টি অফিস তৈরি করা হয়ে থাকে তাহলে সেটি সমর্থনযোগ্য নয়। আমরা দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।



