সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বেসরকারি স্কুলের হস্টেলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু হল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার গভীর রাতে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম মহম্মদ আশরফ (১৪)। সে ইসলামপুর পুরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ছৌসিয়া এলাকার বাসিন্দা।
Advertisement
ডালখোলার একটি বেসরকারি স্কুলের হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত আশরফ। শনিবার রাতে হস্টেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যায় সে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে বিহারের কিষানগঞ্জের একটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে রেফার করা হয়। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ মৃতপ্রায় ছাত্রকে পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পরিবারের লোকজন ছাত্রকে কিষানগঞ্জ থেকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রবিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ডালখোলা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে মৃত ছাত্রের পরিবার।
মৃতের বাবা মহম্মদ নইম বলেন, এবছরই ছেলেকে ওই স্কুলে ভর্তি করেছি। সেখানে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। ছুটিতে বাড়ি এসেছিল। ১৬ ফেব্রয়ারি ফের হস্টেলে রেখে এসেছিলাম। আমার ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। ছেলের মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ দায়ী। আমি সঠিক বিচার চাই।
স্কুলের মালিক আব্বাসউদ্দিনের দাবি, আশরফ পায়ে সামান্য ব্যথা পেয়েছিল। তার প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়েছিল। পরে রাত নটা নাগাদ বমি ও মাথাব্যথা শুরু হয়। সেই সময় কর্তৃপক্ষ করণদিঘি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রেফার করা হলে শিক্ষকেরা কিষানগঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে যান। সেখানে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ায় শিক্ষকেরা ছাত্রকে পরিবারের হাতে দিয়ে চলে আসেন। এরপর তাঁরা ইসলামপুরে নিয়ে গিয়েছিলেন। সকালে জানতে পারি ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া হয়েছিল কি? আব্বাসউদ্দিন বলেন, সেই সময় তো রাতের খাওয়া হয়নি।
ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মৃতের বাবা মহম্মদ নইম বলেন, এবছরই ছেলেকে ওই স্কুলে ভর্তি করেছি। সেখানে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। ছুটিতে বাড়ি এসেছিল। ১৬ ফেব্রয়ারি ফের হস্টেলে রেখে এসেছিলাম। আমার ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। ছেলের মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ দায়ী। আমি সঠিক বিচার চাই।
স্কুলের মালিক আব্বাসউদ্দিনের দাবি, আশরফ পায়ে সামান্য ব্যথা পেয়েছিল। তার প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়েছিল। পরে রাত নটা নাগাদ বমি ও মাথাব্যথা শুরু হয়। সেই সময় কর্তৃপক্ষ করণদিঘি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রেফার করা হলে শিক্ষকেরা কিষানগঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে যান। সেখানে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ায় শিক্ষকেরা ছাত্রকে পরিবারের হাতে দিয়ে চলে আসেন। এরপর তাঁরা ইসলামপুরে নিয়ে গিয়েছিলেন। সকালে জানতে পারি ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া হয়েছিল কি? আব্বাসউদ্দিন বলেন, সেই সময় তো রাতের খাওয়া হয়নি।
ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



