সংবাদদাতা, কালনা: স্কুলের মধ্যেই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এক শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ হওয়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় কালনা থানার সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের রাজবংশী পাড়া। এই অশালীন কাজের প্রতিবাদে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। পঞ্চায়েত প্রধান ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোনওরকমে বিক্ষোভ সামাল দেন। ঘটনার পর থেকেই স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ও ওই শিক্ষিকা। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পুলক মণ্ডল বলেন, আমি অসুস্থতার জন্য ছুটিতে আছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা একটি গণস্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে। সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আমি এসডিও, বিডিও ও স্কুল পরিদর্শকের কাছে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেব। যা ব্যবস্থা নেওয়ার তাঁরাই নেবেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা-২ ব্লকের সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের রাজবংশী পাড়ায় রয়েছে সাতগাছিয়া জিএসএফপি বিদ্যালয়। ৭ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুলক মণ্ডল ও এক শিক্ষিকাকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলেন স্কুলের পাশেই বসবাসকারী এক ব্যক্তি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়। তারপর থেকে অভিযুক্ত দুজনের কেউই স্কুলে আসছেন না। ঘটনা নিয়ে তোলপাড় পড়ে যায় রাজবংশী পাড়ায়। ক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রধান। বুধবার অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা ওই দুই শিক্ষকের অপসারণ ও তাঁদের শাস্তির দাবি জানিয়ে গণ স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পঞ্চায়েতে জমা দেন।
কালনা চতুর্থ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ফারুক আবদুল্লা বলেন, ঘটনার বিষয়টি ফোনে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের থেকে শুনেছি। আমার কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। প্রধান শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন ও তিনি অন্য স্কুলে ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
কালনা চতুর্থ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ফারুক আবদুল্লা বলেন, ঘটনার বিষয়টি ফোনে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের থেকে শুনেছি। আমার কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। প্রধান শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন ও তিনি অন্য স্কুলে ট্রান্সফারের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।



