নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: এ যেন কেঁচো খুঁড়তে এসে কেউটে উদ্ধার। ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্ত করতে গিয়ে স্কুলের আলমারির নীচ থেকে উদ্ধার হল মদের বোতল। যা দেখে রীতিমতো তাজ্জব জেলা প্রশাসনের আধিকারিক থেকে শুরু করে শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা।
Advertisement
ট্যাবের টাকা উধাওয়ের তদন্ত করতে সোমবার সকালে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের অন্তর্ভুক্ত কনুয়া ভবানীপুর হাইমাদ্রাসায় যান জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। এই স্কুলের ৩৪ জন পড়ুয়ার ট্যাব কেনার টাকা চলে গিয়েছে অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। যা নিয়ে প্রধান শিক্ষক এবং জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।
জেলাশাসকের নির্দেশে এদিন স্কুলে তদন্ত করতে যান চাঁচলের মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় এবং শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। সেসময় স্কুলের একটি আলমারি থেকে উদ্ধার হয় মদের বোতল। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। ছবি তুলতে গেলে সংবাদ মাধ্যমের দিকে তেড়ে আসেন স্কুলেরই এক শিক্ষক।
চাঁচলের মহকুমা শাসক বলেন, এই ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়। পুলিস, প্রশাসনকে বলেছি। পুলিস বিষয়টি দেখছে। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ওই স্কুলের প্রধানশিক্ষক রাজা চৌধুরী। তিনি বলেন আমি এ ব্যাপারে কোও মন্তব্য করব না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে মহকুমা শাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন জেলাশাসক। স্কুলের আলমারির ভেতরে কী করে মদের বোতল এল। তা নিয়ে শিক্ষাদপ্তরের তরফেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে।
জেলাশাসকের নির্দেশে এদিন স্কুলে তদন্ত করতে যান চাঁচলের মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় এবং শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। সেসময় স্কুলের একটি আলমারি থেকে উদ্ধার হয় মদের বোতল। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। ছবি তুলতে গেলে সংবাদ মাধ্যমের দিকে তেড়ে আসেন স্কুলেরই এক শিক্ষক।
চাঁচলের মহকুমা শাসক বলেন, এই ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়। পুলিস, প্রশাসনকে বলেছি। পুলিস বিষয়টি দেখছে। যদিও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ওই স্কুলের প্রধানশিক্ষক রাজা চৌধুরী। তিনি বলেন আমি এ ব্যাপারে কোও মন্তব্য করব না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে মহকুমা শাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন জেলাশাসক। স্কুলের আলমারির ভেতরে কী করে মদের বোতল এল। তা নিয়ে শিক্ষাদপ্তরের তরফেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে।



