সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: স্কুলের মধ্যে এক শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে খুনের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন নেপালিবস্তির ফাঁড়াবাড়ি স্পেশাল ক্যাডার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সৌরভকুমার রায় (৩২)। আশিঘর ফাঁড়ি এলাকার বাদুরবাগানের বাসিন্দা ছিলেন তিনি।
Advertisement
রোজকার মতো মঙ্গলবারও সকালেও তিনি স্কুলে যান। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। সময় মতো বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর করেন। স্কুল থেকে জানানো হয়, অনেক আগেই সৌরভ বেরিয়ে গিয়েছেন। শিক্ষকের বাবা সুনীল রায় বলেন, আশিঘর ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ করতে যাই। সেখান থেকে আমবাড়ি ফাঁড়িতে যাওয়ার কথা বলা হয়। এদিকে, পুলিসের তরফে শিক্ষকের মোবাইল ট্র্যাক করলে জানা যায় তাঁর লোকেশন রয়েছে নেপাল সীমান্তের কাছে মেচি নদী ও পানিট্যাঙ্কি সংলগ্ন এলাকায়। কয়েক ঘণ্টা পর স্কুল থেকে ফোন করে জানানো হয় স্কুলের একটি ঘর অন্ধকার অবস্থায় রয়েছে। সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের ভিড় দেখতে পাই। কিন্তু আমাদের দরজা খুলতে দেওয়া হয়নি। বলা হয় ভিতর থেকে বন্ধ রয়েছে। পুলিস এসে খুলবে। কিন্তু পুলিস পৌঁছনোর পর স্থানীয় এক ব্যক্তি ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে যায়। বাইরে থেকেই দরজা বন্ধ ছিল বলায় স্থানীয়রা আমাদের মারতে আসেন। অন্যান্য শিক্ষক সহ স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সন্দেহজনক মনে হয়েছে।
খুনের অভিযোগ করার প্রসঙ্গে সুনীলবাবু ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বলেন, স্কুলের সেই ঘর থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কিন্তু যে জায়গায় দঁড়ি বাঁধা ছিল তাতে কেউ ফাঁসি দিতে গেলে মাটিতে পা আটকে যাবে। বাইরে থেকে খুন করে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছি। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ মৃত শিক্ষকের পরিবারের করা অভিযোগকে মিথ্যা বলে জানিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (ইস্ট) রাকেশ সিং বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি।
খুনের অভিযোগ করার প্রসঙ্গে সুনীলবাবু ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বলেন, স্কুলের সেই ঘর থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কিন্তু যে জায়গায় দঁড়ি বাঁধা ছিল তাতে কেউ ফাঁসি দিতে গেলে মাটিতে পা আটকে যাবে। বাইরে থেকে খুন করে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছি। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ মৃত শিক্ষকের পরিবারের করা অভিযোগকে মিথ্যা বলে জানিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (ইস্ট) রাকেশ সিং বলেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি।



