নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগের মামলায় আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হল বুধবার। জলপাইগুড়ির বিশেষ পকসো আদালতে এদিন ওই মামলায় নির্যাতিতা স্কুলছাত্রী ও মামলার অভিযোগকারী তার মা সাক্ষ্য দেন বলে জানান সরকারপক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত। অভিযোগ দায়েরের এক মাসের মধ্যে আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বিচার পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ওই নাবালিকার পরিবার।
Advertisement
গত ২১ জানুয়ারি স্কুল নিয়ে যাওয়ার পথে এক টোটোচালক ওই ছাত্রীকে জোর করে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পরিবারের। শুধু তাই নয়, ঘটনার পর ওই টোটোচালক ছাত্রীর স্কুল ব্যাগে প্রেগনেন্সি কিট দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার কথা যাতে সে কাউকে না বলে সেজন্য শাসিয়ে রাখে টোটোচালক। পরে ছাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রেগনেন্সি কিট পান ছাত্রীর মা। তারপরই তিনি মেয়েকে চেপে ধরেন। তখন গোটা বিষয়টি বলে দেয় ওই ছাত্রী। পরিবারের দাবি, ছাত্রী জানায়, স্কুলে যাওয়ার পথে ওই টোটোচালক তাকে জোর করে তিস্তা নদীর দিকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে যৌন নিগ্রহ করে। ঘটনার আগে টোটোচালক তাকে চকোলেট খেতে দিয়েছিল। যা খাওয়ার পর অচেতন হয়ে পড়ে ছাত্রী। এই মর্মে ছাত্রীর পরিবার গত ৮ ফেব্রুয়ারি জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ জমা পড়ার ৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই টোটোচালককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। শুধু তাই নয়, অভিযোগ দায়েরের ৬ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া সেরে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়ে দেয় পুলিস। এবার আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে মনে করছে পুলিস।
জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, পুলিস ৬ দিনের মধ্যে এই মামলার চার্জশিট জমা দিয়েছে। এদিন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হয়েছে। দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।
জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, পুলিস ৬ দিনের মধ্যে এই মামলার চার্জশিট জমা দিয়েছে। এদিন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হয়েছে। দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশাবাদী।



