নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: আটকে রাখতে গোপনে ঘরভাড়া নেওয়া হয়েছিল। অপহরণের পর সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার পুলিসের তৎপরতায় উদ্ধার হল ওই ছাত্রী। গ্রেপ্তার হয়েছে অভিযুক্ত যুবকও। শনিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে শুক্রবার রাত পৌনে বারোটা নাগাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। দু’ঘণ্টার মধ্যে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় এক যুবককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। গোপন জবানবন্দির জন্য মেয়েটিকেও আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর বাড়ি জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া এলাকায়। শুক্রবার মধ্যরাতে তাকে শহরের শান্তিপাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মেয়েটিকে আটকে রাখতে অভিযুক্ত যুবক কয়েকদিন আগে একটি ঘরভাড়া করেছিল। সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই স্কুলছাত্রীকে। ওই ভাড়া বাড়ি থেকেই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে পাকড়াও করা হয় অভিযুক্ত যুবককে।
পুলিস জানিয়েছে, মেয়েটির পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর খোঁজখবর শুরু করে পুলিস। মেয়েটির বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ওই যুবকের বাড়ি। পুলিস তার বাড়িতে হানা দেয়। যুবকের মা জানান, তাঁর ছেলে খেয়েদেয়ে রাত দশটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। কিন্তু কোথায় গিয়েছে জানেন না তিনি। এরপর যুবকের পরিবারের এক সদস্যকে নিয়ে পুলিস তল্লাশি শুরু করে। জানা যায়, ওই যুবক বই বাঁধানোর কাজ করে শান্তিপাড়ায়। সেখানে গিয়ে খোঁজখবর করতে জানা যায়, ওই এলাকায় দিন কয়েক আগে একটি ঘর ভাড়া নিয়েছে অভিযুক্ত যুবক। সেখানে হানা দিতেই উদ্ধার করা হয় ছাত্রীটিকে।
পুলিস জানিয়েছে, মেয়েটির পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর খোঁজখবর শুরু করে পুলিস। মেয়েটির বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ওই যুবকের বাড়ি। পুলিস তার বাড়িতে হানা দেয়। যুবকের মা জানান, তাঁর ছেলে খেয়েদেয়ে রাত দশটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। কিন্তু কোথায় গিয়েছে জানেন না তিনি। এরপর যুবকের পরিবারের এক সদস্যকে নিয়ে পুলিস তল্লাশি শুরু করে। জানা যায়, ওই যুবক বই বাঁধানোর কাজ করে শান্তিপাড়ায়। সেখানে গিয়ে খোঁজখবর করতে জানা যায়, ওই এলাকায় দিন কয়েক আগে একটি ঘর ভাড়া নিয়েছে অভিযুক্ত যুবক। সেখানে হানা দিতেই উদ্ধার করা হয় ছাত্রীটিকে।



