Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্কুলছুট রুখতে অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠকের পরামর্শ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির

স্কুলছুট রুখতে অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠকের পরামর্শ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির
  • ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্কুলছুট রুখতে অভিভাবকদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠকের পরামর্শ দিলেন জলপাইগুড়ি সদর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিনয় রায়। বৃহস্পতিবার সদরের বিভিন্ন স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ক্লাসে পড়ুয়াদের উপস্থিতি, একাংশের পড়ুয়ার স্কুল বিমুখ হয়ে পড়া এবং রাজ্য সরকারের দেওয়া স্কলারশিপের কাজ বকেয়া থাকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন সভাপতি। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে স্কুল শিক্ষকদের নিয়ে বিডিও একটি বৈঠক করেন। সেখানেও দেখা যায়, অনেক স্কুলে স্কলারশিপের কাজের গতি কম। গত বছর সদর ব্লক থেকে স্কলারশিপের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ফেরত গিয়েছে। এবার যাতে কোনওভাবেই না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। স্কলারশিপের কাজে গতি আনতে হবে। এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে প্রায় ১০ হাজার ওয়েসিস স্কলারশিপের রিনিউয়ালের কাজ বকেয়া রয়েছে। দ্রুত এই কাজ শেষ করতে বলা হয় স্কুলগুলিকে।
Advertisement
আক্ষেপ প্রকাশ করে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, আমরা যখন পড়াশোনা করেছি, জলপাইগুড়ি জেলার রেজাল্ট তখন খুবই ভালো জায়গায় ছিল। কিন্তু এখন সেই মান অনেক নেমে গিয়েছে। বলতে গেলে তলানিতে এসে ঠেকেছে। এতে জলপাইগুড়িবাসী হিসেবে মাথা হেট হয়ে যায়। জেলায় পড়াশোনার মান আবার বাড়াতে হবে। অন্য ব্লকগুলি চা বাগান অধ্যুষিত। কিন্তু জলপাইগুড়ি সদর ব্লক শহর লাগোয়া। ফলে এখানকার স্কুলগুলির রেজাল্ট যাতে ভালো হয়, সেব্যাপারে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। সভাপতি বলেন, দেখা যাচ্ছে, একাংশের পড়ুয়া দিনের পর দিন স্কুলে আসছে না। কখনও শোনা যাচ্ছে, স্কুলে না এসে তারা চাষের কাজে চলে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে শিক্ষকদের পাশাপাশি স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি কিংবা সদস্যদের উদ্যোগ নিতে হবে। তাঁরা এলাকার। ফলে তাঁরা সবাইকে চেনেন। কোন পড়ুয়া কেন স্কুলে আসছে না, তা খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
জানুয়ারি থেকেই নয়া শিক্ষাবর্ষ শুরু। নতুন শিক্ষাবর্ষে ড্রপ আউট রুখতে নিয়মিত অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠকে জোর দিতে বলেন সদর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তাঁর পরামর্শ, প্রতিটি পঞ্চায়েতে শিক্ষা স্থায়ী সমিতি রয়েছে। ওই কমিটিকে আরও সক্রিয় করতে হবে। পেরেন্টস-টিচার মিটিংয়ে এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও রাখা যেতে পারে। এতে সমস্যা সমাধানের পথ সহজ হবে।  নিজস্ব চিত্র।
সম্পর্কিত সংবাদ