নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে তৃণমূল। কিন্তু তার মধ্যেই বিভিন্ন স্কুলের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিজয় মিছিল ও মাইক বাজানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করল শাসকদল। তাই কোনওরকম বিজয় উৎসব আপাতত হচ্ছে না বলেই তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। দলের এই সিদ্ধান্তে খুশি তৃণমূল নেতৃত্ব। একইসঙ্গে দলের নির্দেশ অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতৃত্বের কথায়, বিজয় মিছিল অথবা মাইক বাজালে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। দলের অন্দরে এনিয়ে একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। তাই শহরে মাইক বাজানো হয়নি। বরং তৃণমূল নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। তৃণমূলের এই সিদ্ধান্তে খুশি মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকার মানুষ।
Advertisement
মেদিনীপুর শহরের ধর্মা এলাকার বাসিন্দা চন্দন পাল বলেন, আমার দুই ছেলের পরীক্ষা চলছে। মাইক বাজালে সত্যি খুব সমস্যা হতো। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।
এদিন মেদিনীপুর বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, দলের কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিজয় মিছিল করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্ত স্কুলের পরীক্ষা চলছে। তাই বিজয় মিছিল করতে বারণ করা হয়েছে। এছাড়া কর্মীদের বলা হয়েছে, মাইক বাজানো যাবে না। আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাশে সর্বদা ছিলাম ও আগামী দিনেও থাকব। উল্লেখ্য, গত শনিবার মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়। প্রায় ৩৪ হাজার ভোটে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা। এই খবর সামনে আসতেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আবির খেলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিজয় উৎসব। তৃণমূল নেতাকর্মীদের তরফে ঢালাও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অনেক এলাকায় ছোট আকারে পিকনিকের আয়োজনও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
কিন্তু কর্মী-সমর্থকদের একাংশ বিজয় মিছিলের দাবি জানাতে শুরু করে। এরপরেই দলের তরফে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ বয়েজ মেদিনীপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অরূপ ভুঁইয়া বলেন, এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমাদের স্কুলেও পরীক্ষা চলছে। জোরে মাইক বাজলে সমস্যায় পড়তে হতো ছাত্রছাত্রীদের। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, এটা ভন্ডামি। তৃণমূল কোনও সময়ে ছাত্রছাত্রীদের পাশে থাকেনি। না হলে চাকরি নিয়ে দুর্নীতি করত না।
এদিন মেদিনীপুর বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, দলের কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিজয় মিছিল করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্ত স্কুলের পরীক্ষা চলছে। তাই বিজয় মিছিল করতে বারণ করা হয়েছে। এছাড়া কর্মীদের বলা হয়েছে, মাইক বাজানো যাবে না। আমরা ছাত্রছাত্রীদের পাশে সর্বদা ছিলাম ও আগামী দিনেও থাকব। উল্লেখ্য, গত শনিবার মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়। প্রায় ৩৪ হাজার ভোটে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা। এই খবর সামনে আসতেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আবির খেলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিজয় উৎসব। তৃণমূল নেতাকর্মীদের তরফে ঢালাও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অনেক এলাকায় ছোট আকারে পিকনিকের আয়োজনও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
কিন্তু কর্মী-সমর্থকদের একাংশ বিজয় মিছিলের দাবি জানাতে শুরু করে। এরপরেই দলের তরফে মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ বয়েজ মেদিনীপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অরূপ ভুঁইয়া বলেন, এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমাদের স্কুলেও পরীক্ষা চলছে। জোরে মাইক বাজলে সমস্যায় পড়তে হতো ছাত্রছাত্রীদের। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, এটা ভন্ডামি। তৃণমূল কোনও সময়ে ছাত্রছাত্রীদের পাশে থাকেনি। না হলে চাকরি নিয়ে দুর্নীতি করত না।



