সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: স্কুল ফাঁকি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাপরামারি জঙ্গল সংলগ্ন নাগরাকাটা বিটের হিলাঝোরা-২ ফরেস্টে ঢুকে যাচ্ছে নাগরাকাটা হিন্দি হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। একদিন-দুইদিন নয়, প্রতিদিনই জলঢাকা রেল সেতু পেরিয়ে জঙ্গলে ঢুকছে তারা। এই জঙ্গলে হাতি, চিতাবাঘের মতো বন্যজন্তু রয়েছে। অভিযোগ, বনদপ্তর জেনেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এদিকে, স্কুল কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করেও জঙ্গলে যাওয়া আটকাতে পারছে না পড়ুয়াদের।
Advertisement
সুখানি বস্তির বাসিন্দা মিলন সাঁওতাল বলেন, প্রতিদিনই স্কুল ফাঁকি দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা জঙ্গলে ঢুকে যাচ্ছে। ওদের অনেককেই আপাত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। আমরা বহুবার নিষেধ করেছি। তারপরেও মানছে না। এই জঙ্গলে হাতি আছে। চিতাবাঘও রয়েছে। যেকোনও সময় অঘটন ঘটে যেতে পারে। আমরা চাই, বনদপ্তর নজরদারি বৃদ্ধি করুক।
নাগরাকাটা হিন্দি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোহর সুরি প্রসাদও এ ঘটনায় বিরক্ত। বহুবার বলেও ওদের আটকানো যাচ্ছে না, আক্ষেপ তাঁর। বলেন, অভিভাবকদের ডেকে মিটিং করে জানিয়েছি। তারপরেও কিছু হচ্ছে না। একাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বাড়ি থেকে বেরলেও স্কুলে না এসে জঙ্গলে চলে যাচ্ছে। আমাদের শিক্ষকরা অনেকবার জলঢাকা রেল সেতু সংলগ্ন জঙ্গল থেকে ছাত্রছাত্রীদের ধরে এনে বুঝিয়েছেন। তাদের বাবা-মা’কে ডেকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবুও কোনও লাভ হয়নি। চালসার রেঞ্জার প্রকাশ থাপা বলেন, আমরা শুনেছি। ছাত্রছাত্রীরা যাতে জঙ্গলে প্রবেশ করতে না পারে তারজন্য টহল বাড়াব।
উল্লেখ্য, এই জলঢাকা রেল সেতুর কাছেই ট্রেনের ধাক্কায় কয়েকবছর আগে একসঙ্গে আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়াও এই এলাকায় জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই মহিলার মৃত্যু হয়। পরে আরএকটি ঘটনায় এক মহিলার ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়েছিল। প্রায়ই জঙ্গল থেকে হাতি বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসে। সেই জঙ্গলেই ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন ঢুকে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে আবারও যে দুর্ঘটনা ঘটে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
নাগরাকাটা হিন্দি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোহর সুরি প্রসাদও এ ঘটনায় বিরক্ত। বহুবার বলেও ওদের আটকানো যাচ্ছে না, আক্ষেপ তাঁর। বলেন, অভিভাবকদের ডেকে মিটিং করে জানিয়েছি। তারপরেও কিছু হচ্ছে না। একাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বাড়ি থেকে বেরলেও স্কুলে না এসে জঙ্গলে চলে যাচ্ছে। আমাদের শিক্ষকরা অনেকবার জলঢাকা রেল সেতু সংলগ্ন জঙ্গল থেকে ছাত্রছাত্রীদের ধরে এনে বুঝিয়েছেন। তাদের বাবা-মা’কে ডেকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবুও কোনও লাভ হয়নি। চালসার রেঞ্জার প্রকাশ থাপা বলেন, আমরা শুনেছি। ছাত্রছাত্রীরা যাতে জঙ্গলে প্রবেশ করতে না পারে তারজন্য টহল বাড়াব।
উল্লেখ্য, এই জলঢাকা রেল সেতুর কাছেই ট্রেনের ধাক্কায় কয়েকবছর আগে একসঙ্গে আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়াও এই এলাকায় জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই মহিলার মৃত্যু হয়। পরে আরএকটি ঘটনায় এক মহিলার ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়েছিল। প্রায়ই জঙ্গল থেকে হাতি বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসে। সেই জঙ্গলেই ছাত্রছাত্রীরা প্রতিদিন ঢুকে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে আবারও যে দুর্ঘটনা ঘটে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।



