সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কমতে কমতে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কোচবিহার শহরের মধ্যে থাকা সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলির কম-বেশি প্রায় একই অবস্থা। ফলে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি স্কুলগুলির শিক্ষক শিক্ষকরা। সেজন্য নানা অভিনব উদ্যোগও নিচ্ছেন তাঁরা। কোথাও কোথাও তার সুফলও মিলেছে।
Advertisement
এবার স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিল কোচবিহার শহরের নিউ টাউন আশ্রম রোডের একটি প্রাইমারি স্কুল। বৃহস্পতিবার সারদামণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের মেনুতে ছিল ফ্রায়েড রাইস, চিকেন, পাপড় ও মিষ্টি। স্কুলে দু’জন শিক্ষক। তাঁদের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই এমন খাবারের আয়োজন হওয়ায় খুশি পড়ুয়া থেকে শুরু করে অভিভাবক সহ এলাকার বাসিন্দারা।
স্কুলে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শিক্ষাবর্ষে এই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন। তবে এ বছর স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৮। দীর্ঘদিন ধরে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদটি ফাঁকা পড়েছিল। গত জানুয়ারি মাসে স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে একজন কাজে যোগ দেন। এখন স্কুলে শিক্ষক দু’জন। প্রধান শিক্ষক মইন চিশতি স্কুলে আসার পর এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগী হন। এবার মূলত তিনিই উদ্যোগী হয়ে সহকারী শিক্ষিকাকে সঙ্গে নিয়ে মিড ডে মিলের খাবারের ভিন্নতা আনলেন। পড়ুয়াদের স্কুলের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে ওই খাবরের ব্যবস্থা করা হয়।
ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, জানুয়ারি মাসে এই স্কুলে আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছি। আরএকজন শিক্ষিকা সহ বর্তমানে আমরা দু’জন শিক্ষক এখন। স্কুলে ছাত্র সংখ্যা খুবই কম। গত শিক্ষাবর্ষে মাত্র ১৩ জন ছিল। এবছর নতুন করে পাঁচজন ছাত্র ভর্তি হয়েছে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের ফ্রায়েড রাইস, মুরগির মাংস, পাপড় ও সেই সঙ্গে শেষপাতে রসগোল্লার ব্যবস্থা করি এদিন। এমন মিড ডে মিল খেয়ে পড়ুয়ারা খুশি। আমরা দু’জন শিক্ষক শিক্ষিকাই ব্যক্তিগতভাবে এসব কেনাকাটা করে এনেছি। এমন উদ্যোগ মাঝেমধ্যেই নেব। আশা করছি, আমাদের স্কুলে পড়ুয়া বাড়বে।
এ বিষয়ে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান রজত বর্মা বলেন, খুবই ভালো উদ্যোগ। আমরাও চেষ্টা করছি যেসব স্কুলে পরিকাঠামোয় ঘাটতি রয়েছে সেগুলি যথাসাধ্য মেটানোর। যাতে সরকারি স্কুলগুলিতে আরও বেশি করে ছাত্রছাত্রী ভালোভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে।
স্কুলে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শিক্ষাবর্ষে এই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন। তবে এ বছর স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৮। দীর্ঘদিন ধরে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদটি ফাঁকা পড়েছিল। গত জানুয়ারি মাসে স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে একজন কাজে যোগ দেন। এখন স্কুলে শিক্ষক দু’জন। প্রধান শিক্ষক মইন চিশতি স্কুলে আসার পর এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগী হন। এবার মূলত তিনিই উদ্যোগী হয়ে সহকারী শিক্ষিকাকে সঙ্গে নিয়ে মিড ডে মিলের খাবারের ভিন্নতা আনলেন। পড়ুয়াদের স্কুলের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে ওই খাবরের ব্যবস্থা করা হয়।
ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, জানুয়ারি মাসে এই স্কুলে আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছি। আরএকজন শিক্ষিকা সহ বর্তমানে আমরা দু’জন শিক্ষক এখন। স্কুলে ছাত্র সংখ্যা খুবই কম। গত শিক্ষাবর্ষে মাত্র ১৩ জন ছিল। এবছর নতুন করে পাঁচজন ছাত্র ভর্তি হয়েছে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের ফ্রায়েড রাইস, মুরগির মাংস, পাপড় ও সেই সঙ্গে শেষপাতে রসগোল্লার ব্যবস্থা করি এদিন। এমন মিড ডে মিল খেয়ে পড়ুয়ারা খুশি। আমরা দু’জন শিক্ষক শিক্ষিকাই ব্যক্তিগতভাবে এসব কেনাকাটা করে এনেছি। এমন উদ্যোগ মাঝেমধ্যেই নেব। আশা করছি, আমাদের স্কুলে পড়ুয়া বাড়বে।
এ বিষয়ে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান রজত বর্মা বলেন, খুবই ভালো উদ্যোগ। আমরাও চেষ্টা করছি যেসব স্কুলে পরিকাঠামোয় ঘাটতি রয়েছে সেগুলি যথাসাধ্য মেটানোর। যাতে সরকারি স্কুলগুলিতে আরও বেশি করে ছাত্রছাত্রী ভালোভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে।



