সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: স্কুল চত্বরে ছাগলের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল বানারহাট ব্লকের তেলিপাড়ায়। রবিবার দুপুরে বিআর আম্বেদকর স্কুলের পাশ থেকে মৃত ছাগলের দেহ উদ্ধার হয়। স্কুল চত্বরে চিতাবাঘ এসে ছাগলটিকে মেরে ফেলেছে বলে অনুমান করছেন স্থানীয়রা। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় স্কুল বন্ধ ছিল। পাশেই রয়েছে কার্তিক ওরাওঁ হিন্দি স্কুল। এতে আতঙ্কিত অভিভাবকরাও। সোমবার কীভাবে নিরাপদে স্কুল চালানো যাবে, তাই নিয়ে চিন্তায় পড়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সেজন্য সোমবার সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন না বলে এদিন অনেক অভিভাবকই জানান।
Advertisement
স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, তাঁরা চিতাবাঘটিকেও দেখেছেন। এলাকাবাসী অনেকেই মনে করছেন, স্কুল চত্বরে চিতাবাঘটি লুকিয়ে থাকতে পারে। ফলে স্কুল খুললে তাঁদের সন্তানদের বিপদ হতে পারে।
মৃত ছাগলটির মালিক বাপ্পা সরকার জানান, আমার সাতটি ছাগল স্কুলের পাশে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একজন এসে আমাকে জানান, একটি ছাগলকে চিতাবাঘ খেয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখি, একটি ছাগল ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমার ছেলেও এই স্কুলে পড়ে। স্কুল চত্বর ঝোঁপ-ঝাড়ে ছেয়ে গিয়েছে। সেখানে চিতাবাঘ লুকিয়ে থাকতে পারে। স্কুলের পাশেই রয়েছে চা বাগান। ফলে অভিভাবক হিসেবে আমিও চিন্তায় রয়েছি।
এই ব্যাপারে বিআর আম্বেদকর স্কুলের টিচার ইনচার্জ রাজেশকুমার যাদব বলেন, স্থানীয়রা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। সার্কেল ইন্সপেক্টর ও ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টরকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছি।
মৃত ছাগলটির মালিক বাপ্পা সরকার জানান, আমার সাতটি ছাগল স্কুলের পাশে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একজন এসে আমাকে জানান, একটি ছাগলকে চিতাবাঘ খেয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখি, একটি ছাগল ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমার ছেলেও এই স্কুলে পড়ে। স্কুল চত্বর ঝোঁপ-ঝাড়ে ছেয়ে গিয়েছে। সেখানে চিতাবাঘ লুকিয়ে থাকতে পারে। স্কুলের পাশেই রয়েছে চা বাগান। ফলে অভিভাবক হিসেবে আমিও চিন্তায় রয়েছি।
এই ব্যাপারে বিআর আম্বেদকর স্কুলের টিচার ইনচার্জ রাজেশকুমার যাদব বলেন, স্থানীয়রা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। সার্কেল ইন্সপেক্টর ও ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টরকে ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছি।



