সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-২ ব্লকের ঘোকসাডাঙা প্রামাণিক উচ্চ বিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ভোজ খেয়ে কয়েকজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, ওই ভোজে তাদের কুকুরে মুখ দেওয়া পায়েস খাওয়ানো হয়েছে। এই গুজবে গোটা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পার্শ্ববর্তী পুন্ডিবাড়ি এলাকার এক কবিরাজ নাকি জানিয়েছেন কুকুরে মুখ দেওয়া পায়েস খওয়ার ফলে বাচ্চাদের পেটে জলাতঙ্কের জীবাণু ঢুকে পড়েছে। এই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় দলে দলে পড়ুয়াদের নিয়ে ওই কবিরাজের কাছে ছুটছেন অভিভাবকরা। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। কারা এধরনের গুজব কী উদ্দেশ্যে ছড়িয়েছে তা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষও ধন্দে পড়েছে। শনিবার মাধ্যমিক পরীক্ষার পর স্কুলে অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক করে কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্কুলের বদনাম করতে পরিকল্পিতভাবে এধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে।
Advertisement
ঘোকসাডাঙা প্রামাণিক উচ্চ বিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ৬ ফেব্রুয়ারি পড়ুয়াদের পোলাও, পায়েস, চাটনি খওয়ানো হয়। গুজব ছড়িয়েছে, ওইদিন রান্নাঘরে রাখা পায়েসের পাত্রে কুকুর মুখ দিয়েছিল। সেই পায়েস পড়ুয়াদের পরিবেশন করা হয়। এরপর কয়েকজন পড়ুয়া পেটব্যথা, বমি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়। এতে জোর গুঞ্জন ছড়ায় যে কুকুর পায়েসে মুখ দিয়েছিল সেটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল। এরপর এলাকায় এক কবিরাজের কথা ছড়িয়ে পড়ে। ওই কবিরাজের বাড়ি পুন্ডিবাড়িতে। দলে দলে পড়ুয়াকে নিয়ে ওই কবিরাজের কাছে ছুটছেন একাংশ অভিভাবক। যদিও এনিয়ে মুখে কেউ কিছু বলছেন না।
ঘোকসাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সীমা সরকার বলেন, শুনেছি স্কুলের সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ভোজের পায়েস খেয়ে কয়েকজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়েছে। এরপর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্কুলের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলেছি। স্কুলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হয়েছে, সেখানে এধরনের কোনও বিষয় নেই। গুজবের বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের স্কুলের বদনাম করতেই এধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। আমরা সেদিন নিজেরাও খেয়েছি। অনেক শিক্ষকের ছেলেমেয়েরাও এসেছিল, তারাও খেয়েছে। এদিন অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক করে আমরা স্পষ্ট জানিয়েছি এধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। আমাদের মনে হচ্ছে স্কুলের বদনাম করতেই পরিকল্পিত ভাবে এধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। এদিন কয়েকশ অভিভাবক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ঘোকসাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সীমা সরকার বলেন, শুনেছি স্কুলের সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ভোজের পায়েস খেয়ে কয়েকজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়েছে। এরপর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্কুলের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলেছি। স্কুলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হয়েছে, সেখানে এধরনের কোনও বিষয় নেই। গুজবের বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমাদের স্কুলের বদনাম করতেই এধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। আমরা সেদিন নিজেরাও খেয়েছি। অনেক শিক্ষকের ছেলেমেয়েরাও এসেছিল, তারাও খেয়েছে। এদিন অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক করে আমরা স্পষ্ট জানিয়েছি এধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। আমাদের মনে হচ্ছে স্কুলের বদনাম করতেই পরিকল্পিত ভাবে এধরনের গুজব ছড়ানো হয়েছে। এদিন কয়েকশ অভিভাবক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।



