সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে উঠতি তরুণ ও বখাটেদের উৎপাত বেড়েই চলেছে। তারা দলবদ্ধ হয়ে স্কুল পডুয়া নাবালিকা ছাত্রীদের যাওয়া আসার পথে ইভটিজিং, প্রেমের প্রস্তাব এবং কু-প্রস্তাব দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন অভিভাবকরা। বিভিন্ন স্কুলের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। পিঙ্ক পুলিসের গাড়ি টহলও দিচ্ছে। কিন্তু এরই ফাঁকে ওই যুবকরা অলিগলিতে, অপেক্ষাকৃত নির্জন রাস্তায় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে চলেছে বলে অভিযোগ। তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে ছাত্রীদের স্কুলে পৌঁছে দেন অনেক বাবা-মা। অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, সমস্ত কাজ ফেলে মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। অনেক মেয়েই একা আসতে ভয় পায়। স্কুলে ঢুকেও নিস্তার নেই। ছুটির পরে বা টিফিনের সময়ে রোমিওদের দৌরাত্ম্য বাড়ে স্কুলের সামনে। অভিযোগ, ওই উঠতি যুবকরা সকলেই বহিরাগত।
Advertisement
রামপুরহাটের গালর্স স্কুলগুলিতে শহর ছাড়াও লাগোয়া গ্রামের ছাত্রীরা পড়াশোনা করেন। সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সাথী প্রকল্পে তাদের সাইকেলও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাগামছাড়া টোটোর উৎপাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অনেকেই হেঁটে স্কুল যাওয়া আসা করে। কিন্তু রাস্তায় ইভটিজিং ভয়ানক ভোগাচ্ছে ছাত্রীদের। রামপুরহাটের শাহবাগান, গান্ধী পার্কের পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তা, গালর্স স্কুলগুলির সামনে দলবদ্ধ তরুণ যুবকরা ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করছে, প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছে। কখনও আবার বাইক, সাইকেল নিয়ে উঠতি বয়সের যুবকরা ওই সমস্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকছে। ছাত্রীদের দেখলেই নানা কটূক্তি করছে, কুপ্রস্তাব দিচ্ছে। অভয়া কাণ্ডের পর রাজ্যজুড়ে মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিয়েছে পুলিস। পিঙ্ক পুলিসের গাড়ি সরে গেলেই ফের দৌরাত্ম্য শুরু করছে। ওই তরুণ, যুবকরা বেপরোয়া হওয়ায় প্রতিবাদ করার সাহস দেখান না কেউই। তাতেই দিন দিন বখাটেদের অত্যাচার বেড়ে চলেছে শহরে।
নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রী বলে, বহিরাগতরা স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে সাইকেল, বাইকে পিছু নিয়ে বিরক্ত করে। ছাত্রীদের হাত ধরে পর্যন্ত টানাটানি করে। তাই ভয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলে আসতে হয়। স্কুল ছুটির পরে ভয়ে বন্ধুরা এক সঙ্গে বাড়ি ফিরি।
অভিভাবকদের একাংশ বলেন, রামপুরহাটে এতটা পরিবেশ খারাপ ছিল না, যেটা বর্তমানে হয়েছে। আতঙ্কে সংসারের কাজ ফেলে রেখে মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসা করতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু অভিভাবক তো আছেন, যাঁরা কর্মে ব্যস্ত থাকেন। তাঁদের মেয়েদের একাই স্কুলে আসতে হয়। স্কুলের সময়ে বেশি করে পুলিসি টহল বাড়িয়ে কয়েকজনকে ধরলে ইভটিজিং বন্ধ হতে পারে। তবে কিছু মেয়েও ওই ছেলেদের স্কুলের সামনে ভিড় করতে প্রশ্রয় দেয় বলে মনে করেন স্থানীয়দের অনেকে।
রামপুরহাট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মল্লিকা হালদার বলেন, এটা একটা বড় সমস্যা। কয়েকদিন আগেই এক অভিভাবক এবিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। পুলিসও রাউন্ডও দিচ্ছে।
পুলিস জানিয়েছে, স্কুলের সময়ে পুলিস টহল দেয়। তবে আজ শনিবার থেকে স্কুলগুলির সামনে ও ছাত্রীদের আসা যাওয়ার রাস্তায় উইম্যান্স টিমের নজরদারি বাড়িয়ে তোলা হবে।
নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রী বলে, বহিরাগতরা স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে সাইকেল, বাইকে পিছু নিয়ে বিরক্ত করে। ছাত্রীদের হাত ধরে পর্যন্ত টানাটানি করে। তাই ভয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলে আসতে হয়। স্কুল ছুটির পরে ভয়ে বন্ধুরা এক সঙ্গে বাড়ি ফিরি।
অভিভাবকদের একাংশ বলেন, রামপুরহাটে এতটা পরিবেশ খারাপ ছিল না, যেটা বর্তমানে হয়েছে। আতঙ্কে সংসারের কাজ ফেলে রেখে মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া আসা করতে হচ্ছে। কিন্তু কিছু অভিভাবক তো আছেন, যাঁরা কর্মে ব্যস্ত থাকেন। তাঁদের মেয়েদের একাই স্কুলে আসতে হয়। স্কুলের সময়ে বেশি করে পুলিসি টহল বাড়িয়ে কয়েকজনকে ধরলে ইভটিজিং বন্ধ হতে পারে। তবে কিছু মেয়েও ওই ছেলেদের স্কুলের সামনে ভিড় করতে প্রশ্রয় দেয় বলে মনে করেন স্থানীয়দের অনেকে।
রামপুরহাট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মল্লিকা হালদার বলেন, এটা একটা বড় সমস্যা। কয়েকদিন আগেই এক অভিভাবক এবিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। পুলিসও রাউন্ডও দিচ্ছে।
পুলিস জানিয়েছে, স্কুলের সময়ে পুলিস টহল দেয়। তবে আজ শনিবার থেকে স্কুলগুলির সামনে ও ছাত্রীদের আসা যাওয়ার রাস্তায় উইম্যান্স টিমের নজরদারি বাড়িয়ে তোলা হবে।



