নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: পাগলা, দ্বারকা ও ব্রাহ্মণী— তিন নদীর উপর সেতু নির্মাণ করে সড়ক যোগাযোগ আরও উন্নত করতে তৎপর বীরভূম জেলা প্রশাসন। মুরারই ২ ব্লকের পাগলা নদীর উপর, মহম্মদ বাজার ব্লকে দ্বারকা নদীর ওপর এবং নলহাটি এক নম্বর ব্লকের ব্রাহ্মণী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছে জেলা প্রশাসন। ব্রিজের জন্য আনুমানিক ৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। অর্থের জোগান দেওয়ার জন্যই পঞ্চায়েত দপ্তরকে চিঠি লিখেছেন জেলাশাসক। কোন ফান্ড থেকে এই অর্থ দেওয়া সম্ভব সেই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত দপ্তরের অনুমোদন এলেই শুরু হবে কাজ। ব্রিজ নির্মাণের পাশাপাশি একাধিক সড়ক নির্মাণ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথা বলা হয়েছে।
Advertisement
বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, তিনটি সেতু তৈরিতে আনুমানিক ৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরকে চিঠি লিখেছি। আশা করি আমাদের আর্জি দ্রুত গৃহীত হবে।
২৮ নভেম্বর বীরভূম জেলা পরিষদের জেলার উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ, জেলাশাসক বিধান রায়, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম। সেখানে তিনটি ব্রিজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাগলা নদীর উপর যে ব্রিজ করার ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে, তা নরোত্তমপুরের সঙ্গে উত্তর রামচন্দ্রপুরকে যুক্ত করবে। ৪৫ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজ করতে আনুমানিক খরচ ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এই ব্রিজটি মুরারই দু’ নম্বর ব্লকে তৈরি হবে। মহম্মদবাজার ব্লকের দ্বারকার উপর যে ব্রিজটি নির্মাণের কথা, সেটি পুরাতন গ্রামের সঙ্গে সাহাপুরকে সংযুক্ত করবে। ব্রিজের দৈর্ঘ্য আড়াইশো মিটার। আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। একইভাবে নলহাটি এক ব্লকের সঙ্গে নলহাটি ২ ব্লককে যুক্ত করতে ব্রাহ্মণী নদীর উপর ২১২ মিটার দীর্ঘ সেতু হবে। আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা।
২৮ নভেম্বর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এবার থেকে জেলা পরিষদের রাস্তার কাজ শুরু হলে শিলান্যাস অনুষ্ঠান হবে ঘটা করে। সাধারণ মানুষকে নিয়ে সভার আয়োজন করা হবে। জেলা পরিষদের সদস্য সভাধিপতি ও কর্মাধ্যক্ষদের উপস্থিতিতে রাস্তার কাজে শিলান্যাস হবে। বাস পরিষেবা উন্নয়নের বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে চর্চা হয়। জয়দেব থেকে ইলামবাজার হয়ে কলকাতা অবধি বাস পরিষেবা চালু করার কথা ছিল। এর জন্য যে বাসটি ইলামবাজার থেকে কলকাতা যাচ্ছে, মকরসংক্রান্তির আগে সেটিই যাতে জয়দেব থেকে যাতায়াত করে, সে ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পুরন্দরপুর-সাঁইথিয়া ও জাজিগ্রাম-দুর্গাপুর সরকারি বাস পরিষেবা চালু করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২৮ নভেম্বর বীরভূম জেলা পরিষদের জেলার উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ, জেলাশাসক বিধান রায়, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম। সেখানে তিনটি ব্রিজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাগলা নদীর উপর যে ব্রিজ করার ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে, তা নরোত্তমপুরের সঙ্গে উত্তর রামচন্দ্রপুরকে যুক্ত করবে। ৪৫ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজ করতে আনুমানিক খরচ ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এই ব্রিজটি মুরারই দু’ নম্বর ব্লকে তৈরি হবে। মহম্মদবাজার ব্লকের দ্বারকার উপর যে ব্রিজটি নির্মাণের কথা, সেটি পুরাতন গ্রামের সঙ্গে সাহাপুরকে সংযুক্ত করবে। ব্রিজের দৈর্ঘ্য আড়াইশো মিটার। আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। একইভাবে নলহাটি এক ব্লকের সঙ্গে নলহাটি ২ ব্লককে যুক্ত করতে ব্রাহ্মণী নদীর উপর ২১২ মিটার দীর্ঘ সেতু হবে। আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা।
২৮ নভেম্বর আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এবার থেকে জেলা পরিষদের রাস্তার কাজ শুরু হলে শিলান্যাস অনুষ্ঠান হবে ঘটা করে। সাধারণ মানুষকে নিয়ে সভার আয়োজন করা হবে। জেলা পরিষদের সদস্য সভাধিপতি ও কর্মাধ্যক্ষদের উপস্থিতিতে রাস্তার কাজে শিলান্যাস হবে। বাস পরিষেবা উন্নয়নের বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে চর্চা হয়। জয়দেব থেকে ইলামবাজার হয়ে কলকাতা অবধি বাস পরিষেবা চালু করার কথা ছিল। এর জন্য যে বাসটি ইলামবাজার থেকে কলকাতা যাচ্ছে, মকরসংক্রান্তির আগে সেটিই যাতে জয়দেব থেকে যাতায়াত করে, সে ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পুরন্দরপুর-সাঁইথিয়া ও জাজিগ্রাম-দুর্গাপুর সরকারি বাস পরিষেবা চালু করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



