সংবাদদাতা, কালিয়াচক: সুজাপুর থেকে কালিয়াচকের যদুপুর পর্যন্ত জাতীয় সড়কের ডিভাইডার কেটে চলছে যাতায়াত। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটলেও হুঁশ ফেরে না একাংশ বাইক আরোহীর। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বেশকিছু ডিভাইডার মেরামত করে এভাবে যাতায়াত বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ফের একই কায়দায় কেটে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার চলছে।
Advertisement
বাইক আরোহী ইমরান খান বলেন, আমার বাইকের পেট্রোল ফুরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাইক অনেকটা ঠেলে নিয়ে যাওয়ার পর পেট্রোল ভরে ফেরার সময় দেখলাম ডিভাইডার কাটা রয়েছে এক জায়গায়। বেশি না ঘুরে সেদিকেই শর্টকার্টে ফিরেছিলাম।
সুজাপুর এলাকার এক বাসিন্দা আসাদুল সেখের কথায়, রোজই এই কাটা ডিভাইডার থেকে দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস আগে বাইক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। আমরা চাই পুলিস আরও কঠোর হোক। পাশাপাশি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষও ডিভাইডার মেরামত করে রাস্তা বন্ধ করে দিক।
এরকম অনেকেই শর্টকার্ট বেছে নেওয়ায় বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। কালিয়াচক ট্রাফিক পুলিসের আধিকারিক আজমল হোসেন বলেন, সুজাপুর থেকে ১৬ মাইল পর্যন্ত ট্রাফিক সামলাতে অনেক কষ্ট হয়। অধিকাংশই ট্রাফিক নিয়ম না মেনে যাতায়াত করেন। চালকরা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা তো করেন না, উল্টে হেলমেট ছাড়া বাইক চালান।
সুজাপুর এলাকার এক বাসিন্দা আসাদুল সেখের কথায়, রোজই এই কাটা ডিভাইডার থেকে দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস আগে বাইক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। আমরা চাই পুলিস আরও কঠোর হোক। পাশাপাশি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষও ডিভাইডার মেরামত করে রাস্তা বন্ধ করে দিক।
এরকম অনেকেই শর্টকার্ট বেছে নেওয়ায় বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। কালিয়াচক ট্রাফিক পুলিসের আধিকারিক আজমল হোসেন বলেন, সুজাপুর থেকে ১৬ মাইল পর্যন্ত ট্রাফিক সামলাতে অনেক কষ্ট হয়। অধিকাংশই ট্রাফিক নিয়ম না মেনে যাতায়াত করেন। চালকরা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা তো করেন না, উল্টে হেলমেট ছাড়া বাইক চালান।



