সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুরের কমলাগাঁও সুজালি পঞ্চায়েতের প্রধান নুরি বেগম প্রায় এক বছর পঞ্চায়েত অফিসে আসছেন না বলে অভিযোগ। সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনে পঞ্চায়েত অফিসের পরিবর্তে ছুটতে হচ্ছে তাঁর বাড়িতে। একাধিক কাজকর্ম আটকে থাকছে বলে প্রধানকে অপসারণের দাবিতে সরব স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
Advertisement
বুধবার দুপুরে তৃণমূলের সুজালি অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তার, অঞ্চল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য কামালউদ্দিন সহ শতাধিক মানুষ বিডিও অফিসের সামনে জমায়েত হন। বিডিওর সঙ্গে দেখা করে প্রধানকে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হক একসময় সুজালিতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
গত নির্বাচনে আবদুল তাঁর স্ত্রী নুরি বেগমকে প্রধান করেন। কিন্তু একাধিক মামলায় অভিযুক্ত আবদুল এখন পলাতক। নতুন অঞ্চল সভাপতি করা হয়েছে আবদুস সাত্তারকে। প্রায় মাসখানেক আগে ব্লক তৃণমূল নুরিকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু প্রধান হিসেবে এখনও তিনিই আছেন। এবার তাঁকে পদ থেকে সরাতে মরিয়া তৃণমূল।
সুজালির তৃণমূল নেতা তথা ব্লক সহ সভাপতি কামালউদ্দিন বলেন, প্রধান এক বছর পঞ্চায়েত অফিসে আসেন না। কর্মীরা কখন আসেন, কখন যান দেখার কেউ নেই। বাসিন্দারা সামান্য একটি রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেটের জন্য পঞ্চায়েত অফিসে এসে ফিরে যান। প্রধানকে সরানোর জন্য বিডিওর কাছে দাবি জানানো হয়েছে।
পাল্টা প্রধানের অভিযোগ, আমাকে পঞ্চায়েত অফিসে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আমি গেলেই কামালউদ্দিন ও সাত্তার হামলা করার চক্রান্ত করে। বাড়িতে বসেই সমস্ত কাজ করে দিচ্ছি।
বিডিও দীপান্বিতা বর্মন বলেন, এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। প্রধানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কামালউদ্দিনের মন্তব্য, আমরা হামলার চক্রান্ত করি না। প্রধান বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি করেছেন। এর ফলে এলাকায় জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ জবাব চাইছে।
রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হক একসময় সুজালিতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
গত নির্বাচনে আবদুল তাঁর স্ত্রী নুরি বেগমকে প্রধান করেন। কিন্তু একাধিক মামলায় অভিযুক্ত আবদুল এখন পলাতক। নতুন অঞ্চল সভাপতি করা হয়েছে আবদুস সাত্তারকে। প্রায় মাসখানেক আগে ব্লক তৃণমূল নুরিকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু প্রধান হিসেবে এখনও তিনিই আছেন। এবার তাঁকে পদ থেকে সরাতে মরিয়া তৃণমূল।
সুজালির তৃণমূল নেতা তথা ব্লক সহ সভাপতি কামালউদ্দিন বলেন, প্রধান এক বছর পঞ্চায়েত অফিসে আসেন না। কর্মীরা কখন আসেন, কখন যান দেখার কেউ নেই। বাসিন্দারা সামান্য একটি রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেটের জন্য পঞ্চায়েত অফিসে এসে ফিরে যান। প্রধানকে সরানোর জন্য বিডিওর কাছে দাবি জানানো হয়েছে।
পাল্টা প্রধানের অভিযোগ, আমাকে পঞ্চায়েত অফিসে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আমি গেলেই কামালউদ্দিন ও সাত্তার হামলা করার চক্রান্ত করে। বাড়িতে বসেই সমস্ত কাজ করে দিচ্ছি।
বিডিও দীপান্বিতা বর্মন বলেন, এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। প্রধানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কামালউদ্দিনের মন্তব্য, আমরা হামলার চক্রান্ত করি না। প্রধান বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি করেছেন। এর ফলে এলাকায় জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ জবাব চাইছে।



