সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অবশেষে পাঁচদিন পর ছাড়া পেলেন ওড়িশায় আটকে থাকা বীরভূমের ছয় পরিযায়ী শ্রমিক। তবে ছাড়া হয়নি তাঁদের এক নাবালক সঙ্গীকে। তার মোবাইল থেকে ঘেঁটে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মেলায় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি মুক্তি পাওয়া শ্রমিকদের। স্বভাবতই দুঃশ্চিন্তার কালো মেঘ গ্রাস করেছে নাবালকের পরিবারের সদস্যদের। বীরভূমের মুরারই থানার আম্ভুয়া গ্রামের সালিম শেখ, গণি শেখ, কাহিনগর গ্রামের আতাউল শেখ, কাজিমুদ্দিন শেখ, নাজিমুদ্দিন শেখ, সেতাবুল শেখ ও বছর ষোলোর মার্জেন শেখ ওড়িশায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। মার্জেন গত দু’ বছর ধরে ওড়িশায় যাচ্ছে। তাঁরা ওড়িশার কোলাবেরা থানার সামারসিঙা এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। গত সোমবার গভীর রাতে হঠাৎই কোলাবেরা থানার পুলিস বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁদের তুলে নিয়ে যায়। বলা হয় ডকুমেন্ট ভেরিফেকেশন করে ছেড়ে দেওয়া হবে। নিজেদের আধার, ভোটার কার্ড দেখালেও ছাড়েনি পুলিস। অভিযোগে, মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাদের ঝাড়সুগুড়ার ব্ল্যাক ডায়মন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজের একটি ঘরে আটকে দেয়। খবর পেয়ে উদ্বেগের মধ্যে পড়েন তাঁদের বাড়ির লোকজন। তাঁরা মুরারই থানার দ্বারস্থ হন। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের একের পর এক আটকে রাখার ঘটনায় সোচ্চার হয় পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী ঐক্য মঞ্চ ও পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল সাংসদ সামিরুল ইসলাম।



