নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সংস্কার চলায় ফের সাঁইথিয়ার নতুন সেতু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে যানজটে শহর প্রায় অবরুদ্ধ। সেতু বন্ধ হওয়ার পর থেকে তিনদিন সাধারণ মানুষকে নাজেহাল হতে হচ্ছে। তাই ভোগান্তি মেটাতে মল্লারপুরের দিক থেকে আসা বড় লরি, পাথরবোঝাই গাড়ি শহরে ঢুকতে না দিয়ে মহম্মদবাজার বা অন্য রুট দিয়ে পাঠানোর দাবি উঠেছে।
Advertisement
সাঁইথিয়া থানার এক আধিকারিক বলেন, প্রথম দু’দিন অনেকেই জানতেন না, সেতু বন্ধ রয়েছে। এখন জানতে পেরে এমনিতেই এই রাস্তা এড়িয়ে চলতে শুরু করেছেন।
এই সেতু যে পথে রয়েছে, সেই রাস্তাটি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করছে। সেজন্য রাস্তার উপর থাকা বিভিন্ন সেতুর পূর্ণ সংস্কার হচ্ছে। ১৫ নভেম্বর থেকে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর নতুন সেতু দিয়ে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। আগে সংস্কারকাজ চললেও ছোট গাড়ি পারাপার করতে দেওয়া হতো। কিন্তু এবার বড় গাড়ি থেকে টোটো, বাইক-কিছুই যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সমস্ত গাড়িকেই নদীর উত্তরদিকে যেতে অস্থায়ী কজওয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। দু’টি অস্থায়ী কজওয়ে থাকলেও তালতলা মোড় থেকে শহর পর্যন্ত কজওয়েটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। একসঙ্গে প্রচুর গাড়ি ওই কজওয়ে দিয়ে যাতায়াত করায় শহরে ব্যাপক যানজট হচ্ছে। শুক্র ও শনিবার ভিড়ে মানুষকে নাজেহাল হতে হয়। রবিবার ভিড় কিছুটা কম ছিল। তবু সকালের দিকে থানা মোড় থেকে নদী পেরিয়ে তালতলা পর্যন্ত সারি দিয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল।
যানজট এড়াতে অনেক গাড়ি বনগ্রামের দিকে দ্বিতীয় কজওয়ে দিয়ে যাতায়াত করছে। শহরের বাসিন্দাদের দাবি, যে সমস্ত পণ্যবোঝাই বড় গাড়ি সাঁইথিয়া হয়ে অন্যত্র যাতায়াত করে, সেগুলিকে মল্লারপুর থেকে মহম্মদবাজার কিংবা অন্য কোনও রুটে পাঠানো হোক। সেক্ষেত্রে ওই সমস্ত গাড়িতে অন্তত ৫০কিমি ঘুরপথে যেতে হবে।
শহরের বাসিন্দা রাজশ্রী দেবনাথ বলেন, একেবারে নাজেহাল অবস্থা। সামান্য রাস্তা যেতে অন্তত ৩০ মিনিট সময় লাগছে। হাতে সময় কম থাকলে খুব অসুবিধা হচ্ছে। অপর বাসিন্দা মধুমিতা দত্ত বলেন, দেড়বছর ধরে বহুবার নতুন সেতুটা বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে এতদিন কী কাজ হচ্ছিল? এবার যখন সেতু বন্ধ হয়েছে, তখন সেটা পুরোপুরি মেরামত করা হোক-সেটাই চাইব। কারণ বারবার সেতু বন্ধের জেরে খুব ভোগান্তি হচ্ছে। আর কজওয়ে ব্যবসায়ীরা মোটা টাকা রোজগার করছে। পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব দত্ত বলেন, শহরে ব্যাপক যানজট হচ্ছে। তবে এবিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। পুলিস, প্রশাসনকে বিষয়টি দেখতে হবে।
এই সেতু যে পথে রয়েছে, সেই রাস্তাটি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করছে। সেজন্য রাস্তার উপর থাকা বিভিন্ন সেতুর পূর্ণ সংস্কার হচ্ছে। ১৫ নভেম্বর থেকে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর নতুন সেতু দিয়ে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। আগে সংস্কারকাজ চললেও ছোট গাড়ি পারাপার করতে দেওয়া হতো। কিন্তু এবার বড় গাড়ি থেকে টোটো, বাইক-কিছুই যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সমস্ত গাড়িকেই নদীর উত্তরদিকে যেতে অস্থায়ী কজওয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। দু’টি অস্থায়ী কজওয়ে থাকলেও তালতলা মোড় থেকে শহর পর্যন্ত কজওয়েটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। একসঙ্গে প্রচুর গাড়ি ওই কজওয়ে দিয়ে যাতায়াত করায় শহরে ব্যাপক যানজট হচ্ছে। শুক্র ও শনিবার ভিড়ে মানুষকে নাজেহাল হতে হয়। রবিবার ভিড় কিছুটা কম ছিল। তবু সকালের দিকে থানা মোড় থেকে নদী পেরিয়ে তালতলা পর্যন্ত সারি দিয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল।
যানজট এড়াতে অনেক গাড়ি বনগ্রামের দিকে দ্বিতীয় কজওয়ে দিয়ে যাতায়াত করছে। শহরের বাসিন্দাদের দাবি, যে সমস্ত পণ্যবোঝাই বড় গাড়ি সাঁইথিয়া হয়ে অন্যত্র যাতায়াত করে, সেগুলিকে মল্লারপুর থেকে মহম্মদবাজার কিংবা অন্য কোনও রুটে পাঠানো হোক। সেক্ষেত্রে ওই সমস্ত গাড়িতে অন্তত ৫০কিমি ঘুরপথে যেতে হবে।
শহরের বাসিন্দা রাজশ্রী দেবনাথ বলেন, একেবারে নাজেহাল অবস্থা। সামান্য রাস্তা যেতে অন্তত ৩০ মিনিট সময় লাগছে। হাতে সময় কম থাকলে খুব অসুবিধা হচ্ছে। অপর বাসিন্দা মধুমিতা দত্ত বলেন, দেড়বছর ধরে বহুবার নতুন সেতুটা বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে এতদিন কী কাজ হচ্ছিল? এবার যখন সেতু বন্ধ হয়েছে, তখন সেটা পুরোপুরি মেরামত করা হোক-সেটাই চাইব। কারণ বারবার সেতু বন্ধের জেরে খুব ভোগান্তি হচ্ছে। আর কজওয়ে ব্যবসায়ীরা মোটা টাকা রোজগার করছে। পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব দত্ত বলেন, শহরে ব্যাপক যানজট হচ্ছে। তবে এবিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। পুলিস, প্রশাসনকে বিষয়টি দেখতে হবে।



