সংবাদদাতা, সিউড়ি: সাঁইথিয়ায় বিডিওর অফিসে ঢুকে ফের দাদাগিরির অভিযোগ উঠল বিজেপি জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। ১৭ ডিসেম্বর একই ভাবে অভিযোগ উঠেছিল, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রামপুরহাটের বিডিওকে আঙুল উঁচিয়ে ধমকেছেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা। শুক্রবারও সেই অভিযোগ উঠল। এদিন দুপুরে আহমদপুরে সাঁইথিয়া ব্লক অফিসের সামনে ছিল বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি। সেখানে কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিডিও সুজনকুমার পান্ডের অফিসে ঢোকেন ধ্রুব সাহা। তাঁর হাতে ছিল আবাস প্রকল্পের বঞ্চিতদের তালিকা। ধ্রুব সাহার অভিযোগ, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে এদের নাম বাদ দিয়েছে। আর তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন সরকারি আধিকারিকরাও।
Advertisement
অভিযোগ, এদিন তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিডিওর চেম্বারে ঢুকে হম্বিতম্বি শুরু করেন। টেবিল চাপড়ে, আঙুল উঁচিয়ে বিডিওকে তৃণমূলের চামচা বলেন। গলা চড়িয়ে বিডিওকে বলেন, আপনি চলেন তৃণমূলের কথায়। তৃণমূলের যাদের পাকা বাড়ি আছে তারা বাড়ি পাচ্ছে। আর এরা (একগুচ্ছ কাগজ দেখিয়ে বলেন) বাড়ি পাচ্ছে না। এরা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। এইসব লোকেদের বাড়ি দিতে হবে। এদের জন্য সমীক্ষা করতে হবে। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার মধ্যেই বিজেপির তরফে ২২২৫ জন বঞ্চিত গ্রামবাসীর নামের তালিকা বিডিওর কাছে জমা দেন তাঁরা। জানা গিয়েছ, এদিন ধ্রুব সাহা বিডিওকে বলেন, আপনি এই পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রীকে বাদ দিয়ে কাজ করতে বলেছেন। আপনি কি তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নাকি? আপনি তৃণমূলের চামচাগিরি করেন। আপনি তৃণমূলের পয়সায় চলেন।
এদিন ধ্রুব সাহা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এই বিডিও অফিস তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। তাই তৃণমূলের দলীয় পতাকাটা যাতে এখান থেকে নামানো হয় তার জন্য একটু ঝাঁকুনি দেওয়া হল। এখন বড় আন্দোলন বাকি আছে। যে গরিব মেহনতি মানুষ রয়েছে তাদের বাড়ি দিতে হবে সেটা বলার জন্য এসেছিলাম। বিডিও প্রথমে একটু চিরিক বিরিক করছিল। তৃণমূলের অনেক নুন খেয়েছেন তো! তাই ওনাকে একটু আইনের কথাগুলো মনে করিয়ে দিলাম।
বিডিওকে আঙুল তুলে হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা তৃণমূল অফিস বানালে আমরা কি লেবেনচুষ চুষব? না ফুলের মালা দেব? তাই আঙুল তুলব, দরকার হলে আর যা করার সব করব। বিডিও বলেন, বিজেপির তরফে একটি ডেপুটেশন আজ আমাকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওঁরা বলেছেন এখনও অনেকের মাটির বাড়ি রয়েছে সেগুলি সার্ভে করে দেখা হোক। আমরা ওঁদের আশ্বস্ত করেছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এদিন ধ্রুব সাহা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এই বিডিও অফিস তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। তাই তৃণমূলের দলীয় পতাকাটা যাতে এখান থেকে নামানো হয় তার জন্য একটু ঝাঁকুনি দেওয়া হল। এখন বড় আন্দোলন বাকি আছে। যে গরিব মেহনতি মানুষ রয়েছে তাদের বাড়ি দিতে হবে সেটা বলার জন্য এসেছিলাম। বিডিও প্রথমে একটু চিরিক বিরিক করছিল। তৃণমূলের অনেক নুন খেয়েছেন তো! তাই ওনাকে একটু আইনের কথাগুলো মনে করিয়ে দিলাম।
বিডিওকে আঙুল তুলে হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা তৃণমূল অফিস বানালে আমরা কি লেবেনচুষ চুষব? না ফুলের মালা দেব? তাই আঙুল তুলব, দরকার হলে আর যা করার সব করব। বিডিও বলেন, বিজেপির তরফে একটি ডেপুটেশন আজ আমাকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওঁরা বলেছেন এখনও অনেকের মাটির বাড়ি রয়েছে সেগুলি সার্ভে করে দেখা হোক। আমরা ওঁদের আশ্বস্ত করেছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



